বাবার মৃত্যু জনিত কারনে পেনশনের টাকা
সরাসরি দাবি করে এবং ১০০০০০.০০ দেওয়া হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরাসরি দাবি করে এবং ১০০০০০.০০ দেওয়া হয়েছে।
১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড বোর্ড চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন অফিস যা চৌধুরীহাট স্টেশনে অবস্থিত সেখানে নিযুক্ত জন্ম নিবন্ধন করার লোক প্রত্যেক মানুষ থেকে ১ টি জন্ম নিবন্ধন বাবদ ২০০ টাকা করে নেয়। এক ওয়ার্ডের এই অবস্থা হলে কত কোটি টাকা উঠে এইসব কিছু থেকে?
পানির লাইনে পানি আসত না। পরে ভাবলাম পাইপ বড়ো করতে হবে। সেজন্য আবেদন করলাম। কিন্তু আবেদন পাশ হওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হলো। পরে দেখা গেল পানির লাইনে পাম্প থেকে আসা পলিথিন আটকে পানি অফ হয়ে ছিল। অথচ সবকিছু মিলিয়ে আসার প্রায় ৫০ হাজার খরচ হয়ে গিয়েছিল। অথচ দায়িত্বটা ছিল সরকারের।
চলতি জুন মাসের শেষ সপ্তাহে আমার পশ্চিম নাখালপাড়া বাসার হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা হিসাব করে আমার টেক্স ৩৫ হাজার টাকা সেই সাথে অফিস খরচ বাবদ আরো ১৫ হাজার টাকা দাবী করে।উপায় না থাকায় তাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করেছি
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অফিসে নতুন ফ্ল্যাট এর ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়া বিপাকে পড়েছি, অন্যায় ভাবে নির্ধারিত টাকার বাইরে ১২০০০ টাকা দাবি করেছিলো, যা পরিশোধ না করায় । আমি আমার ফ্ল্যাট সিটি কর্পরপোরেশন ট্যাক্স দিতে পারছিলাম না । পরবর্তিতে আমার দারোয়ানের মাধম্যে ৪০০০ টাকায় রাজি হয়েছে । পরে জানতে পেরেছি তারা সকল নতুন ফ্ল্যাট এর জন্য এক্সট্রা ৪০০০ টাকা নেয় । শুধু ওই বাড়ির কেয়ার টেকারের মাধ্যমে , যা উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত ভাগ বাটোয়ারা হয় ।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ ও আদায়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ রয়েছে। আমাদের ফ্ল্যাটগুলোর নামজারি এখনও সম্পন্ন হয়নি। এর মধ্যেই হোল্ডিং ট্যাক্স দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রযোজ্য সরকারি হারের তুলনায় বেশি ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ট্যাক্সের পরিমাণ কমানোর জন্য প্রতিটি ফ্ল্যাট মালিকের কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে।
DSCC ZONE 4 A JONMO NIBONDON ER NAAM NID ONUJAYI SONGSODHON KORTE GELE BOLA HOY COURT THEKE AFFIDAVIT KORA LAGBE . BUT PROMAN HISABE NID CHILO BUT TARA BOLE NID HOLE HOBE NA . COURT THEKE AFFIDAVIT KORA LAGBE . BADDHO HOYE AMI DABIKRITO 2500 TAKA GHUSH DIYECHI . AND AMAR JONMO NIBONDON SONGSODHON HOYE JAY . DSCC ZONE 4 A GOVERNMENT FEE DIYE KONO KAAJ HOY NA .
Direct official offer otherwise he do not proceed the file.
Asked so many papers which was not ready due to complicity of Govt vs RA authority.
একটি কোচিংয়ের প্রচারণায় ব্যবহৃত লিফলেট জব্দ করে নিয়ে যায় যদিও আশেপাশে আরো অনেক কোচিং সেম কাজ করছিলো তাদের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সেই লিফলেট নিয়ে কোচিংয়ের লাইসেন্স বাতিলের ভয় দেখিয়ে এই টাকা নেয়। শহরে কোচিংয়ের পোস্টারিং, ব্যানার লাগানো নিয়েও একই কাজ করেছে এবং টাকা নিয়ে রফাদফা করেছে।
বাইরের দোকান থেকে সব কাগজ পত্র দিয়ে অনলাইনে আবেদন করে সব কাগজ গুলো নিয়ে সিটি করপোরেশন ওয়ার্ড আফিসে কম্পিউটার অপারেটরের নিকট জমা দিলাম, উনি ( সব চেক করলেন অতঃপর ১৫০ টাকা খরচ চাইলেন যেহেতু আমার খুবই প্রযোজন তাই দিতে বাধ্য হলাম।
Cha pan khawar taka.
নতুন ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আমি গেলে সব পেপার দেখে বলে ব্যাংক এর টাকা বাদে 4000 টাকা লাগবে না হলে হবে না আমার urgent houar karone taka diye diyechi
কোন নোটিশ ছাড়া লাইসেন্স করতে গিয়ে দেখি দোকানের সাইনবোর্ড বাবদ ২০০০ টাকা বাড়িয়েছে আবার প্রিন্ট কপি বের করে দিতে ১০ দিন লাগবে বলে। আমি ৫০০ টাকা অফার করতেই ২ মিনিটেই দিয়ে দিলো
নতুন বিল্ডিং করার জন্য প্লান অনুমোদন দিতে অতিরিক্ত ২০০০০ টাকা দাবি করেন
সরাসরি দাবি করা হয়েছে। ১০০০০০ দেওয়া হয়েছে
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আমার, আমার বাচ্চার । সব পেপার দেয়ার পরও ২০ দিন চলে যায় কোন মেসেজ না পেয়ে যাই আবার ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মিরপুর ১০ এ , যেয়ে দেখি ঘুষের জন্য সবাই লাইন এ আছে, আমি আমার জন্ম নিবন্ধন এর বেপারে বললে বলে পরে আসেন । এর ১ মাস চলে যায়, বলে সার্ভার সমস্যা । পরে ফোন দিয়ে বিকাশে ১০০০ টাকা নিয়ে জন্ম নিবন্ধন ইস্যু করেছিল ১২ ঘণ্টায় ।
জন্ম নিবন্ধনের কপি নিতে গেলে আমাকে বলা হয় ১ হাজার টাকা দিতে হবে। নয় তো নিবন্ধন কপি সিটি কর্পোরেশন থেকে সংগ্রহ করতে বলা হয়। সরকারী চার্জ নেয়ার পরিবর্তে ১০০০ টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা না দিতে চাইলে আমাকে রোহিঙ্গা বলে অভিযুক্ত করা হয় ।
আমার বড় ভাই চট্টগ্রামে নেভিতে জব করে, তার জন্ম নিবন্ধন করা হয় টঙ্গী পৌরসভা থেকে যেটা টঙ্গী, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর অন্তর্ভুক্ত বর্তমানে। চাকরি ব্যস্ততা ও ছুটির স্বল্পতার জন্য সে টঙ্গী পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিস এ আসতে পারতেছিল না। যার কারনে আমি যাই সেখানে। তারা সেখানে ৬/৯ বুঝিয়ে আমাকে অযথা আমার ভাইয়ের nid, ssc সার্টিফিকেট বাবা মায়ের nid এইগুলা প্রিন্ট করে আনতে বলে আবার ৫০ টাকা ফি নেয়, অথচ তারা চাইলেই পোর্টাল থেকে আবেদনের সিরিয়াল কোড দেখে নিয়ে একসেপ্ট করলেই পারতো, কিন্তু তারা করেনি সব প্রিন্ট করে এনে দেয়ার পর আমাকে বলে ডিসি অফিস থেকে পারমিশন আনতে, এক কথায় পেচ্যাচ্ছে। ঘটনা বুঝতে পেরে কম্পিউটার অপারেটর কে কানে কানে বললাম একটু ইমারজেন্সি কি করতে পারি? সে বলে ১২০০ টাকা দিতে...😄
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি জামেলায় না জরিয়ে পরিশধ করি।