Divorce Certificate
উকিলের ডেট পড়ায় সার্টিফিকেটটা খুব জরুরী ছিল কিন্তু তারা দিচ্ছিল না পরবর্তীতে টাকা না দিয়ে কোন উপায় ছিল না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উকিলের ডেট পড়ায় সার্টিফিকেটটা খুব জরুরী ছিল কিন্তু তারা দিচ্ছিল না পরবর্তীতে টাকা না দিয়ে কোন উপায় ছিল না।
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
সিটি কর্পোরেশন নতুন হোল্ডিং টেক্স নোটিস করেছে ওইটার উপরে ক্যালকুলেশন করে তাকে ঘুষ দেওয়ার কথা বলেছে
জন্ম নিবন্ধন, জাতীয়তা সনদ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার এলাকার সকল মানুষ, 14 নং লালখান বাজার ওয়ার্ডের এই অবস্থা, ওয়ার্ড সচিব, জন্ম নিবন্ধন সহকারি, রাজনিতীর নাম ভাঙিয়ে বসা কম্পিউটার অপারেট যার নিয়োগের কোনো কাগজপত্র নেই
নাম ট্রান্সফার ফি ও জায়গা মেপে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য সরকারি খরচের অতিরিক্ত ৪০০০০.০০ টাকা দাবি মিটাতে হয়েছিল।
নাগরীক সনদ সাক্ষ্যর করার জন্য
মশার লার্ভা নষ্ট করার জন্য যারা স্প্রে করতে আসে তাদের কি সিটি কর্পোরশন বেতন দেয়না? দিলে আবার বকশিশ কেনো নেয়? বকশিশ না দিলে ডেঙ্গু মশার লার্ভা নিয়ে রিপোর্ট করার হুমকি দেয়।
নতুন ফ্ল্যাটের নামজারি করতে প্রতম ১০০০০/= টাকা ও পরে বার্ষিক কর পুন মূল্যায়ন করতে ৮০০০/=টাকা দাবি করা হয়, যা আমি পরিশোধ করতে বাধ্য থাকি।
নয় হাজার টাকা চায়, সিটি কর্পোরেশন এর অফিস সহকারী, পরে আমি অফিসে গিয়ে লাইসেন্স সুপারভাইজারের মাধ্যমে করেছি তাকে ১৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে
নবায়ন করার সময় ফি এর সাথে অতিরিক্ত ১০০০~১৫০০ টাকা খুঁজেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। না দিলে সেখানেই পরে থাকে ফাইল।
Birth Certificate Experience It is very unfortunate that I had to pay this much for my newborn’s birth certificate! I went to Ward No. 60 of DSCC to obtain my son’s birth certificate within 45 days of his birth so that I could register his name with the government for free. However, I was given a lot of unnecessary difficulties and asked to provide a lot of unwanted documents. I am a private service holder. I knew that, if I tried, I could fulfill all of the requirements, but I simply did not have the time. He took advantage of that and forced me to pay. I feel like the government system is intentionally made complicated and difficult so that these people can create opportunities to earn
আমার বাবার অনলাইন মৃত্যু সনদ করতে গিয়েছিলাম । বার বিভিন্ন নতুন কাগজের কথা বলে ঘুরাচ্ছে।এর পর ১০০০০ টাকা চেয়ে বলেছে সব করে দিবে। কাউন্সিলরের অফিসে একবার ১৫০০ দিয়েছি কিন্তু কিছুই করে দেয়নাই
জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে গেছিলাম, প্রথমে টাকা চায়নি, পরে টাকা চাইলো শেষ ভেরিফিকেশন শেষে, গাজীপুরের টঙ্গী পুরাতন পৌরসভায় নিচের ২ মহিলা এসব করে। তারা ১০০০ চাইলো, নিরুপায় হয়ে দিতে হয়েছে ।
Dhaka South City Corporation Zone-2 (Khilgaon) এখানে যাই নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে, দায়িত্বরত —; ইস্যু করার দিনে - অফিস খরচ বাবদ আমার থেকে মূল টাকার সাথে অতিরিক্ত চার হাজার টাকা নিয়েছে। যেদিন কাগজটা আনতে যাই, আপামনি নামাজে থাকায় পনেরো মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছিলো, এছাড়া কোন ঝামেলা হয়নি। 😊
আমার ব্যাংকের ভাইভার জন্য নাগতিকত্ব সনদ জরুরী দরকার ছিল৷ আমি সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট করি শুধু হোল্ডিং ট্যাক্সের একটা কপি ছাড়া, ওটা আমার কাছে ছিলনা। এটা ছিল উওরা আজমপুর জোনের অফিস, ওখানকার এক কর্মকর্তা আমার কাছে হোল্ডিং ট্যাক্সের কাগজ ছাড়া অন্যভাবে করে দেয়ার প্রস্তাব করে, এবং প্রথমে ২০০০ টাকা দাবি করে, পরে কমিয়ে ১৫০০ টাকায় আনা হয়। কোন উপায় না পেয়ে আমি উক্ত টাকা দিতে বাধ্য হই, এবং টাকা দেয়ার সাথে সাথেই ওই লোক ১ মিনিটের মধ্যেই নিজ হাতে একটা ফর্মে আমার নাগিরিকত্ব সনদ তৈরি করে দেয়৷ ঘটনাটা ঘটে ২০২৬ সালে রমজান মাসে মার্চের ১৫ তারিখে, ওই কর্মকর্তার নাম জানা হয়নি, দাড়িওয়ালা ইয়ং স্মার্ট একজন লোক, সে যে আমার কাছে টাকা দাবি করবে তা আমি কল্পনাও করতে পারিনি।
জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদনের জন্য নাগরিকত্ব দরকার ছিল । যা সিটি কর্পোরেশন থেকে নিতে বলেছিল। সেখানে একজন দালাল ও একজন অফিস সহকারী নানা সমস্যার কথা বলে আমার থেকে ৮০০ টাকা নেয় কাজের বিনিময়ে।
আমার ট্রেড লাইসেন্স ২ বছর নবায়ন করা হয়নি। এখন নবায়ন করতে গিয়েছি বিলম্বিত ফি সহ। কিন্তু এখন অনেক রকম ডকুমেন্টসন ভুল ও বারবার বিভিন্ন ডকুমেন্ট চেয়ে অনেক দিন বিলম্ব করেছে। পরে সিটি করপোরেশন এক লোক আমাকে সাইডে ডেকে নিয়ে বলে ৫০০০ টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে, একদিনে কাজ হয়ে যাবে।
বিল্ডিংয়ের নক্সা অনুমোদনের জন্য চাঁদপুর পৌরসভার সকল নিয়ম অনুযায়ী নক্সা জমা দেওয়া হয়। বিভিন্ন অযুহাত ও বিভিন্ন ধারা দেখিয়ে বিল্ডিংয়ের আকার এবং ফাউন্ডেশন বুঝে ৩০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অফিস খরচ (ঘুষ) লাগবে বলে দাবি করা হয়। টাকা দিলে তখন আর কোন ধারা বা অযুহাত প্রয়োগ হয় না। দ্রুত ফাইল অনুমোদন হয়ে আসে। আর টাকা দিতে অসম্মতি হলে নক্সা তো অনুমোদন হয়ই না, বরং ধাপে ধাপে অনেক হয়রানি হতে হয়। হয়রানি হওয়ার আতংকে সবাই অফিস খরচ নামক ঘুষ দিয়ে পৌরসভার নক্সা অনুমোদন নিতে বাধ্য হয়।।।
ট্রেড লাইসেন্স করার সময় যাবতীয় সকল প্রকার কাগজ দেয়ার পরেও,আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত চা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করা হয়। ট্রেড লাইসেন্সটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আমি এই টাকা দিয়ে দেই।
My Nextdoors looking for me to make big purchase in exchange for their cooperative neighborhood!