সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৭৯৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১.১০ লাখ

বাড়ির ট্যাক্স ধার্য্য করা

নতুন বাড়ি করায় ট্যাক্স নতুন করে ধার্য্য করতে এসেছিল। বাড়িটি প্রথমে তিন তলা পড়ে ছয় তলা করা হয়। দুই দফায় ওই টাকা খেয়েছে।

ঢাকা, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সিটি কর্পোরেশন ৳৪.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্স

আমি গত বছর ঢাকা সায়েদাবাদ স্বামীবাগের একটি ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার জন্য সিটি কর্পোরেশন অফিস অঞ্চল ৬ যাই। সেখানে — নামে একটি লোক আমাকে সর্বনিম্ন চার হাজার টাকা দাবি করে ট্রেড লাইসেন্স বানিয়ে দেওয়ার জন্য। উনাকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য আমি বলি যে পরবর্তী সময়ে এসে আপনার থেকে বানিয়ে নিব, উনি আমাকে ওনার নাম্বার দিয়ে দেন।

ঢাকা, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সিটি কর্পোরেশন ৳২.০ হাজার

নতুন ভোটের জন্য আবেদন

আমি নতুন ভোটের জন্য আবেদন করি তারপর কাগজ জমা দিবার জন্য নির্বাচন আফিসে যায় কাগজ জমা দেয় কৌতুহল বসত আমি বলি যে কত দিন সময় লাগবে দায়িত্বে থাকা অফিসারটা বলে যে এক থেকে দুই মাস লাগবে আমি বললাম যে তারাতারি করা যাবে না অফিসরটা বলে যে তারাতারি করতে হলে ২০০০ টাকা লাগবে নয়ত দুই মাস অপেক্ষা কর। কাগজ জমা দিসি প্রায় আজ একমাসের ওপর হয়েছে

শ্রীপুর গাজীপুর, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সিটি কর্পোরেশন ৳৫০০

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন

ট্রেড লাইসেন্স এ আমার এন আইডি নাম্বার ভূল ছিল, সিটি করপোরেশনের সার্ভারে সমস্যার কারণে বাহিরে থেকেও ঠিক করাতে পারছিলাম না। সমস্যাটি সমাধান করার জন্য সিটি কর্পোরেশনে গেলাম কথা বলে জানতে পারলাম ২ দিনের মধ্যে ঠিক করে দিবে কিন্তু এক্সটা ১০০০ টাকা লাগবে।

নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১.৫ হাজার

জন্মনিবন্ধন

জন্মনিবন্ধন করার জন্য সব ধরনের ডকুমেন্টস নিয়ে যাই ৩৯ নং ওয়ার্ডের সিটি করপোরেশনের অফিসে। সব কিছু দেখে তারা বলে যে জমি সংক্রান্ত আরো কিছু কাগজ লাগবে, তার পরে চলে আসার সময় তার পিওন হবে হয়তো, বললো যে আমাকে ডকুমেন্টস গুলো দিয়ে যান, আর কিছু নাস্তা-পানির খরচ ২০০০ হাজার দিলেই হবে, আমার কাছে ১৫০০ থাকায় আমি দেই, তার পরে সে কাজ টি করে দেয়

মহাখালী, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৩০০

খুলনা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন

আমি খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে দেখি জমা কৃত মূল্যের চেয়ে ৩০০-৪০০ টাকা বেশি চাচ্ছে এবং সবাই দিয়েও যাচ্ছে। এক এক জন ইন্সপেক্টর এর আন্ডারে যদি সর্বনিম্ন ২০০০ খুদ্র বয়বসায়ী ট্রেড লাইসেন্স থাকে তাহলে ৬- ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ নিচ্ছে। মেয়র মহাদয় এর চোখের সামনে দিয়ে।

খুলনা, দৌলতপুর, খুলনা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সিটি কর্পোরেশন ৳৩.০ হাজার

ট্রেডলাইসেন্ম নবায়ন ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের নাম সংযোজন

ট্রেডলাইসেন্ম নবায়ন ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের নাম সংযোজন করার জন্য ঢাক দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন সায়দাবাদ অফিসে গেলে সেখানের মিরহাজির বাগ 51ওয়ার্ডের ট্রেডলােইসেন্স ইনেসপেক্টর আমার কাছে 3000 দাবি করে আমি দিতে অসিকার করলে আমর কাজটি এখনও করেদিতেছে না

ঢাকা দক্ষিন সায়দাবাদ অফিস, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৩.০ হাজার

খারিজের ভিত্তিতে সিটি কর্পোরেশন থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স/হোল্ডিং নিবন্ধন

জমির খারিজের কাগজপত্র দেখিয়ে সিটি কর্পোরেশন থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর হোল্ডিং ট্যাক্সের কাজ সম্পন্ন করার জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত ৩,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। কাজটি সম্পন্ন করার জন্য আমাকে উক্ত ৩,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি-এর বাইরে এভাবে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়টি অনিয়ম বলে মনে করি।

Narayanganj, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সিটি কর্পোরেশন ৳২.৫ হাজার

জন্মনিবন্ধন অনলাইন করণ

আমি জন্মনিবন্ধন অনলাইন করতে চেয়েছিলাম, তারপর প্রথমে আমার কাছে 2500 টাকা চায় পরে আমি প্রত্যাখান করাতে 2000 টাকা দিয়ে দিলেই হবে বলছিলো আমার কাজটা ছিল 23নং ওয়ার্ডে, প্রাক্তণ ওয়ার্ড সচিব এই টাকা দাবি করেছিল

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্সের নবায়ন

ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে ছিলাম, সেখানে নাকি আবেদন করার জন্য টাকা প্রয়োজন এবং ব্যাংকে নাকি টাকা দিতে হয় সেই কথা বলে ১০০০ টাকা নিয়েছে, আমি সেখানে উপস্থিত থাকাকালীন আরও ব্যক্তিবর্গ এসেছেন যারা তাদের ভোটার আইডি কার্ড,বিধবা কার্ড, জন্ম নিবন্ধনের কার্ড তৈরি করতে চায় তাদের কাছ থেকেও ৫০০-১ হাজার করে নিয়েছে। টাকা মূলত সচিবের কর্মচারী মানে যে কম্পিউটারে আবেদন করে এবং যে ফাইল আদান প্রদান করে মানে দপ্তরি টাকা নিয়ে থাকে, আমি টাকা কম্পিউটারে আবেদন করা ব্যক্তির কাছে দিয়েছি, এবং দপ্তরিকেও লুকিয়ে নিতে সন্দেহ করছি।

নারায়ণগঞ্জ, চিটাগাংরোড,মিজমিজি তালতলা ক্লাব, ১ নং ওয়ার্ড, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৩.০ হাজার

হোল্ডিং নাম্বার এর নামজারি

আমার ফ্লাট এর হোল্ডিং ট্যাক্স আমার বাবার নামে ছিল। বাৎসরিক ৫০৪৯/- টাকা দিতাম। বাবা মারা যাওয়ার পর বাবার নাম পরিবর্তন করতে উত্তর সিটি কর্পোরেশনে গেলে ১০,০০০/- টাকা সরকারি ফি দিয়ে আবেদন করি। কিন্তু ০৮ মাস পার হবার পরও কাজটি না হওায় আমার এলাকার জোনাল ট্যাক্স অফিসার এর কাছে গেলে তিনি ৩০০০/- টাকা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে দেই এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে দেয়। মানে আমি সরকারকে ট্যাক্স দিব আবার সেই ট্যাক্স দেয়া ব্যক্তি মারা গেলে নাম পরিবর্তনে ১০০০০/- টাকা সরকারী ফি দেয়ার পরেও ৩০০০/- টাকা ঘুষও দিতে হবে। জুলুম এর কত ধাপ পার করতে হয় এই দেশে।

Dhaka, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১৪.০ হাজার

একটা সোডিয়াম লাইটের খুটি সরানোর জন্য আবেদন,

আমার বাড়ির গেইটের সামনে একটা সোডিয়াম লাইটের খুটি ছিলো, সেটা সরানোর জন্য সিটি কর্পোরেশনের অফিসে চার বার গিয়েছি তারা কোনরকম কথা বলার সুযোগ দিচ্ছিলো না, তাদের একজন লোক এসে বলে এগুলো অফিসিয়ালি হয়না আমাদের টাকা দিলে আমরা করে দিবো, আমার কাছে ১৪০০০ হাজা দাবি করে, পরবর্তীতে ১৪ হাজার টাকা দিয়ে খুটি সরাইতে হইছে, সময়টা ছিল ইন্টারিম গভমেন্টের সময়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৫.০ হাজার

মৃত্যু নিবন্ধন সার্টিফিকেট

আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যু সনদ নিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মগেট অফিসে গেলে সচিব আমাকে ডিসি অফিস থেকে সই করিয়ে আনতে বলেন। এটি তাঁদের দায়িত্ব উল্লেখ করায় তিনি সনদ প্রদানের বিনিময়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এতে অসম্মতি জানালে তিনি নিজেই ডিসি অফিসে গিয়ে সই নেওয়ার কথা বলে আমাকে হয়রানির হুমকি দেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েই বাবার মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করতে হয়।

Dhaka, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সিটি কর্পোরেশন ৳৩.০ হাজার

নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার সময়

আমাকে বলা হলো যেকোনো কর কর্মকর্তা কাছ থেকে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা প্রদান করতে হবে। এটা উনাদের অফিস খরচ। মেয়রথেকে শুরু করে সবাই এই টাকার ভাগ পায়।

Chattogram, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳২.০০ লাখ

হোল্ডিং ট্যাক্স এর জন্য আবেদন

আমাদের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এর নোটিস পাঠানো হয় তো সেই অনুযায় আমরা সিটি কর্পোরেশন অফিসে যাই ওইখানে থাকা কর্মরত ব্যাক্তি ক্যল্কুলাটর এ কি সব চেপে বললো আমাদের নাকি সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা ট্যাক্স বাকি আছে ২০১৮ থেকে হিসেবে কিন্তু আমাদের এলাকা শবে মাত্র সিটি কর্পোরেশন এর আওতাধিন হয়েছে আগের আমাদের ইউনিয়ন এর সব খাজনার টাকা পরিশোধ করা আছে...তারপর উনি আবার ক্যল্কুলাটর চেপে বলল একটা প্যাকেজ আছে ২ লক্ষ টাকার এইটা আমাকে দিলে আগের সব মাফ হয়ে যাবে...এখন আমার প্রশ্ন হল ২০১৮ থেকে যদি এই ট্যাক্স হয়ে থাকে তাহলে আগে কেন নোটিস আশে নি আর এই ২ লক্ষ টাকা টার ফুল হিশাব কিভাবে আসলো...তারা আমাকে এইটাও জানাতে অস্বীকার করে

বাড্ডা, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳২.৭০ লাখ

বিল্ডিং এর প্লান পাস

বরিশাল শহরে আমাদের বিল্ডিং এর প্লান পাস করানোর জন্য সিটি কর্পোরেশন এ গেলে সেখানে আমাদের সব কাগজ সাবমিট করার পরে সরাসরি ২ লক্ষ টাকা ঘুষ চায় সে জানায় টাকা না দিলে প্লান পাস হবে না। আমরা দিতে না চাইলে আমাদের কাজ প্রায় ২ বছর আটকে রাখে। পরে টাকা দেওয়ার পর কাজ করা শুরু করে তারা। তারপর জমি মাপতে এসে আরও ৭০ হাজার টাকা দাবি করে বলে আমাদের জমি দেখে নাকি উপরের স্যার খুশি হয় নাই। আমাদের এভাবে জিম্মি করে আরও ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর ও সিটি কর্পোরেশন এ খবর নিতে গেলেও তারা চা খাওয়ার কথা বলে প্রতিবার ২,৩ হাজার করে টাকা দাবি করে।

বারিশাল, বরিশাল ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্সের নবায়ন

ট্রেড লাইসেন্স করতে দিয়েছি, সেখানে আবেদন করতে নাকি টাকার প্রয়োজন এবং ব্যাংকে নাকি টাকা জমা দিতে হবে সেই জন্য নাকি টাকা লাগবে, আমি ওখানে বসা থাকা অবস্থায় অনেক মানুষ এসেছে যাদের বিধবা কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, জন্ম নিবন্ধন এসবের আবেদন করার জন্য সবার থেকে ৫০০-১০০০। যার থেকে যেরকম পারে টাকা নেওয়া হচ্ছে। টাকা মূলত সচিবের কর্মচারীরা নেয় মানে যে কম্পিউটারে বসে আবেদন করে এবং যে ফাইল আদান-প্রদান করে মানে দপ্তরি।

নারায়ণগঞ্জ, মিজমিজি তালতলা ক্লাব, ১ নং ওয়ার্ড, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য