নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য প্রয়োজন 2500 টাকা কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে 4500 টাকা.
পৌরসভার বিল্ডিং পাসের জন্য আমার কাছে থেকে পৌরসভার চাকরি করে এক কর্মকর্তা কাছে আমার ফাইল দিয়েছি কিন্তু পাস হয় নাই ।তার ব্যক্তিগত সিমেন্ট ব্যবসা আছে সেখান থেকে সিমেন্ট কিনতে হবে বলে সেটাও নিয়েছি কিন্তু তারপরেও আমার বিল্ডিং পাস না করে উল্টা জরিমানা করে বেশি টাকা দাবি করছে। অথচ সেই ব্যক্তি আমাকে বলেছিলো কাজ শুরু করেন এর মধ্যে পাস করে দিবো। এখন পর্যন্ত আমার বিল্ডিং পাসের করে নাই এখন রাস্তা কথা বলে বন্ধ করে রাখছে।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স দরকার। সরকারের কি অনুসারে আড়াই হাজার টাকা দিলেই হয়। বলা হলো সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। না হয় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হতে সময় লাগবে ৬ মাস। আমার ১৫ দিনের ভিতরে দরকার। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা পেমেন্ট করাই পাঁচ দিনের মধ্যে আমি ট্রেড লাইসেন্সটা পাই।
ময়মনসিংহ পৌর সিটিতে ৯ শতাংশ জায়গায় ১৩ তলা অনুমোদনের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছে।
নির্ধারিত মূল্য থেকে ১০০০ টাকা বেশি চাই এবং সময় মতো লাইসেন্স দিচ্ছে না ২ মাস সময় নিচ্ছে।
প্রথমে আবেদন পত্র ৫০ টাকা দাম কিন্তু নিয়েছে ১০০ টাকা। আজিমপুর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গোরস্থানের পাশে। কাজটি করার জন্য সরকারি বিধি মোতাবেক ৪৫ দিন সময় লাগে কিন্তু উনি কাজটি গড়ি মসি শুরু করেন আজ না কাল কালনা পরশু এমন করেন এবং ৭০০০ টাকা দাবি করেন কাজটি সম্পন্ন করার জন্য । আমার সাড়ে চার মাস সময় লেগেছে পরবর্তীতে আমি একজন ক্রাইম রিপোর্টার দিয়ে উনাকে ফোন করানোর কারণে উনি কাজটি করে দিতে বাধ্য হন।
প্রথমে আমি সিটি কর্পোরেশনের আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে যাই কিন্তু আমার জন্ম নিবন্ধন একটু ত্রুটি থাকায় আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করা যাবে না কিন্তু যখনই সিটি কর্পোরেশনের নিচে এসে আমার মেমের সাথে কথা বলি মেম ৫ হাজার টাকা দিলে জন্ম নিবন্ধন হয়ে যাবে বাস টাকা দিলাম জন্ম নিবন্ধন হয়ে গেল তখন আর মেয়ের বাবার জন্ম নিবন্ধনে ভুল সিটি কর্পোরেশনের কারো চোখে পড়েনি
মেয়র কতৃক মনোনীত ব্যক্তি দিয়ে সরকারি দপ্তর সিটি করপোরেশনের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আমাদের পৈত্রিক জায়গা জবরদখল করে উকিল লেলিয়ে হয়রানির পাশাপাশি মোটা অংকের টাকা দাবি। উক্ত জায়গার খতিয়ান, খাজনা সব আপডেট আছে আমাদের নামে। উদ্দেশ্য নাম মাত্র মুল্যে আমাদের থেকে জায়গাটা লিখে নেওয়া।
আমার ব্যবসায়িক ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। তো সেখানে গেলে টাকা দিতে বলে কত দেব বলেনা এরকম দিতে দিতে ৫ হাজার নিয়ে নিয়েছে। আমাকে যখন রেনিউ এর কাগজপত্র দিল সেখানে দেখা গেল সরকারি সকল করসহ মোট ভাউচার দেয়া হয়েছে ২৭৮৩ টাকা। বাকি টাকা তারা নিয়েছে
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নে প্রতি বছর দিতে হয়
মোহাম্মদপুর জোনের / ঢাকা সিটি করপোরেশনের ট্যাক্স কর্মকর্তাকে উক্ত টাকা ঘুষ হিসাবে দিতে বাধ্য হই।
হোল্ডিং ট্যাক্স প্রথমবার ২৪ কিস্তি (ছয় বছর) একসাথে প্রদান করতে গেলে প্রথমে অনেক বেশী ট্যাক্স ধার্য করেন জনৈক ভদ্রনোক। নিজে যেহেতু আবাসিকভাবে ব্যবহার করছি, কর কমানো যাবে, তবে মামলা করতে হবে ইত্যাদি কথামালার মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা দাবি করলে, অগত্যা দিতেই হয়। নাহলে সারাজীবন অতিরিক্ত কর টানতে হতো।
Any death certificate from city corporation needs 5,000tk to 6000tk
আমি একজন দোকানদার, বাড়িওয়ালার টেক্স এর টোকেন দেয়নি , তাই ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে সেটা দেখাতে না পেরে ৫ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে করিয়েছি
জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি এটা এটা সমস্যা দেখা বলছে এটা হবে না পরে তিন হাজার টাকা নিয়ে করে দিছে
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমি উনার মৃতু সনদ করতে গেলে আমাকে অনেকদিন ঘুরানো হয় এর পরে আমার কাছে টাকা দাবি করা হয় আমি দিতে বাধ্য কারণ আমার এই সনদের জন্য আমার গ্যাস অফিসের একটা কাজ আটকে ছিলো।
আমি আমার জন্ম সনদ জন্য গিয়েছিলাম তারা আমার কাজটি করে দেয় না বারবার আমাকে ঘুরায় এবং বিভিন্নভাবে বোঝায়। পরে আমি বুঝতে পারি যে টাকা আনা দিলে কাজ হবে না
আমার স্ত্রী এর নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট লাগবে একটা সরকারি কাজের জন্য । সেইটা আনার জন্য মহাখালী সিটি কর্পোরেশনে আমাকে ২,০০০/- ঘুষ দিয়ে ২/৩ দিন ঘুরে কাজটি করে নিতে হয় । যেহেতু এখন জনপ্রতিনিধি নেই তাই এভাবেই কাজ করতে হলো ।
২০২৪ সালে নতুন দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতে নগর ভবনে গিয়ে এক তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হই; সিঁড়িতে হেনস্তার পর লাইসেন্স শাখায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে মোট ৩৪০০ টাকা নেন। কয়েক দফা ঘুরিয়ে অবশেষে লাইসেন্সটি দেওয়া হলেও রসিদে দেখি সরকারি খরচ মাত্র ৬০০ টাকা (লাইসেন্স ফি ৫০০ ও সাইনবোর্ড ১০০)। নিয়মমাফিক ৬০০ টাকার জায়গায় নেওয়া বাকি ২৮০০ টাকা কোথায় গেল, সেই হিসাব আজও অমীমাংসিত।
আমি একটি ফুড ফ্যাক্টরি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছি। সেখানে যাওয়ার পরে আমার ১৩০০০ সামথিং টাকা সরকারি ফি ছিলো। আমার কাছে চাওয়া হয়েছে ৩০০০০ টাকা অন্যথায় তারা করে দিতে পারবে না।