ট্রেড লাইসেন্স
শিল্প ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম তারপর ট্যাক্স এর বিভিন্ন কাগজ নিয়ে জামেলা করে এবং ৮-১০ টা টেবিলে টাকা দিতে হবে বলল। না হলে আবেদন পড়ে থাকবে ...
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
শিল্প ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম তারপর ট্যাক্স এর বিভিন্ন কাগজ নিয়ে জামেলা করে এবং ৮-১০ টা টেবিলে টাকা দিতে হবে বলল। না হলে আবেদন পড়ে থাকবে ...
আমার আব্বু আমার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল অফিসার পদে application form নিতে গেলে, সেখানকার পিয়ন তাকে জানায় যে ৩০ লাখ টাকা দিলে চাকরি নিশ্চিত করা যাবে। টাকা ছাড়া এমনিতেও চাকরি হবে না।
আমি কাড নিতে গেলে টাকা দাবী করে।
ট্রেড লাইসেন্স করতে দিয়েছি, সেখানে আবেদন করতে নাকি টাকার প্রয়োজন এবং ব্যাংকে নাকি টাকা জমা দিতে হবে সেই জন্য নাকি টাকা লাগবে, আমি ওখানে বসা থাকা অবস্থায় অনেক মানুষ এসেছে যাদের বিধবা কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, জন্ম নিবন্ধন এসবের আবেদন করার জন্য সবার থেকে ৫০০-১০০০। যার থেকে যেরকম পারে টাকা নেওয়া হচ্ছে। টাকা মূলত সচিবের কর্মচারীরা নেয় মানে যে কম্পিউটারে বসে আবেদন করে এবং যে ফাইল আদান-প্রদান করে মানে দপ্তরি।
সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও সিটি কর্পোরেশন এ সেবা নিতে যাওয়া প্রত্যেক টি মানুষ ই ভুক্তভোগী। জন্ম নিবন্ধন নতুন করতে গেলে ৫০০-৬০০ টাকা নেয় তারা। আর জন্ম নিবন্ধন কারেকশন এর জন্য তারা নেয় ১০০০-৩৫০০ টাকা করে।
ঘুষ না দিলে ভূমি খাজনা এবং কর ১৫/২০ লক্ষ টাকা দেখাবে বাৎসরিক। এখন নতুন সরকার, আমাদের এখন খেতেই হবে - এমন বলে।
বাচ্চার জন্ম সনদ তৈরি করানোর জন্য কম্পিউটার দোকান থেকে নির্ভুল ভাবে করিয়েছি। সব ডকুমেন্টস দিয়েছি। কিন্তু এখন নাকি কাউন্সিলর নেই , জেলা প্রশাসক করেন তাই ১০০০ দিতে হবে বলে অনেক আবদার করে। দিয়েছি। কাজ ১ সপ্তাহের মধ্যে করে দিয়েছে।
দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স কালেকশন বিভাগে দায়িত্বরত নবাবপুর সার্কেলের অফিসার জিনি আছেন হোলল্ডিং ট্যাক্স নেয়ার পরে অফিস খরচার নাম দিয়ে আরো বেশি টাকা দাবি করে না দিলে হোলল্ডিং ট্যাক্স দেয়ার মুল রশিদ ফেরত দিতে চায় না। ১০০০ - ২০০০ টাকা দিলেই তারপর মুল রসিদ ফেরত দেয়।
নতুন হোল্ডিং নাম্বার ও টেক্স পরিশোধ করার জন্য ফিল্ড অফিসার ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করেন
২০২৫ সাল আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট তুলতে গিয়েছিলাম। ওয়েবসাইট থেকে দেখে সব প্রয়োজনের কাগজ নিয়ে গিয়েছিলাম। ওয়েবসাইট থেকে ফরম ফিলআপ করতে হয়। এপ্লাই করলেই এরর দেখায়। সিটি করপোরেশন মিরপুর-২ র কার্যালয় বললো তাদের কাছ থেকে এপ্লাই করতে। আমি নিজে এপ্লাই করতে চাইলে তারা জানালো ২-৩ মাস সময় লাগতে পারে। কাউন্সিলর থেকে স্বাক্ষর নিতে হবে। আমাদের কাউন্সিলর পালায় গেছে। তাদের কাছ থেকে বর্তমান কাউন্সিলর এর ঠিকানা এবং নম্বর চাইলে তারা বলে তারা জানে না। পরবর্তীতে তারা ১৫০০ টাকা দিতে বলে। তাহলে ১-২ দিন মধ্যে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট দিবে। মিরপুর সিটি করপোরেশন র অধিকাংশ কর্মকর্তারা র কর্মচারীরা ঘুষ ছাড়া কাজ করে না।
জন্ম নিবন্ধন কার্ড এর বয়স ভুল ছিলো সেটা সার্টিফিকেট অনুযায়ী করার জন্য। (জন্ম নিবন্ধন সংসধন) বিভাগ : রাজশাহী। জেলা : নাটোর। থানা : গুরুদাসপুর। পৌরসভা : গুরুদাসপুর। ঘুষ খোরের নাম : —।
Its City Corporation office. Demanded 70,000 Taka for a 6 floor building holding tax, otherwise he will increase & impose penalty for the entire building for delay payment of holding tax & we paid.
License renew korar jonno 3k ditey hoise
এইতো ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলাম বলল আমাদের ভিজিটে যেতে হবে আপনার সমস্যা হতে পারে আপনার দোকানের দোকানে নাম্বার সাইনবোর্ডের জন্য আরো টাকা দাবি করতে পারে এজন্য আমাদের ১৫০০ টাকা দিন আপনার এটা খুব সহজে হয়ে যাবে আপনার কোন ঝামেলা কিছু করতে হবে না তারপর আমি ঝামেলা থেকে বাঁচতে আর কি দিয়ে দিলাম নাইলে তো আমাকে কেউ চিনে না আমার কাজটা কে করে দিবে
This is call table expanse. This is not written but without paying it, no one can get their license.
আমি মুড়ি মাখা খেয়ে খেতে ্রোত
Its a system they have created if you ask them for fair they will go in physical visit and will survey everthing if they are ok or not and lot's of clause that will delay to get license but if you pay the bribe you will get license within 7/Days and no physical visit is require. actually every govt inspire Bribe they don't impose any real punishment.
আমি নতুন উদ্যোক্তা, নতুন ভাবে লাইসেন্স করতে গিয়ে হাজার টা সমস্যা এবং সময় লাগবে দেখিয়ে অনেক দিন ঘুরানো হয়, ঘুষ এর জন্য।
জন্মসনদ সংশোধন এর জন্য অনলাইন ফরম ফিলআপ করেছি নিজে এমনকি সব ডকুমেন্টস দিয়েছি ঠিকমত, পরে মেসেজ দিয়েছি Physically ডকুমেন্টস যেন জমা দিই। সেখানে বলল ৪০০ টাকা দেয়ার পর নাকি Verification করে ওরা ঠিক করে দিবে। যেখানে সরকারি ফি মাত্র ১০০ টাকার মত। পরে ৪০০ টাকা দেয়ার ১ সপ্তাহ পরে সংশোধন করে দিয়েছে। যেখানে আমার পাসপোর্ট, এনআইডি সব ঠিক ছিল তাও টাকা দিতে হয়েছে, এগুলোতে নাম ঠিক না থাকলে মনে কত টাকা চাইতো তারা ভালো জানে।
ঝালকাঠি পৌরসভার বিদ্যুৎ ইঞ্জিনিয়ার — বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে এবং আমাদের এর কাছ থেকেও বাড়ির প্লানের বিভিন্ন ত্রুটি ধরে ঘুষ নিয়ে থাকে। এবং যে বিল্ডিং এর অনুমোদন আছে তিন তালা সেটা যদি পাশের বাসায় কেউ অবজেকশন দেয় তাহলে — ওই বিল্ডিং এর মালিকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিল্ডিংয়ের কাজ করতে যায় এরকমের বহুৎ ঘটনা ঘটেছে।