Trade license
আমার থেকে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য ঘুষ চেয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার থেকে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য ঘুষ চেয়েছে
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট নিয়ে জন্ম সনদ তুলতে গেলে নানান তাল বাহানা করে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে আমাকে জন্ম সনদ প্রদান করছে।
আমি আমার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর জন্য ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে চাইলে, ঐ বিভাগের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা আমার নিকট থেকে পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত ফি বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা দাবি করলে, আমি বাধ্য হয়ে ২০০০/- টাকা দিয়ে কাজটা করে নেই।
আমাদের বাড়িটা ভেঙে একটা নতুন বাড়ি করবো। কিন্তু তার জন্য কিছু কাগজপত্র নিয়ে সিটি কর্পোরেশন থেকে সই করে আনতে হয়। সই করার জন্য আজকে প্রায় দেড় বছর কাগজ পড়ে আছে সিটি কর্পোরেশনের কাছে। এবং তিন লক্ষ টাকা দেয়া হয়েছে। তারপরও তারা আরো দাবি করছে।
১। ধোপাদিঘী/ওসমানী শিশুপার্ক নাম দিয়ে বৈধভাবে দখলের তথ্য : জমির প্রকৃত মালিক-সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, বন্দরবাজার এর খতিয়ান নং-০৭, এস,এ দাগ নং-৭৫৩২, খতিয়ান নং-৪০, এস,এ দাগ নং-৭৫৩২ বিআরএস দাগ নং-৩৩৬০৩, ৩৩৬০৪, ৩৩৬০৫, ৩৩৬০৬, ৩৩৬০৭, ৩৩৬০৮, ৩৩৬০৯, ৩৩৬১০, ৩৩৬১১, ৩৩৬১২, ৩৩৬১৩, ৩৩৬১৬, ৩৩৬১৭ ও ৩৩৬১৮=মোট জমি-৩.৬১৮৮ একর। ২। পৌর বিপণী মার্কেট নাম দিয়ে বৈধভাবে দখলের তথ্য : জমির প্রকৃত মালিক: সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর খতিয়ান নং-০৭, এস,এ দাগ নং-৮০৫১, বিআরএস দাগ নং-৩৩৬৯৩=মোট=০.৮৮৭৫ একর। ৩। সিটির গাড়ী পার্কিং স্থান (আবু তুরাব মসজিদের দক্ষিণ পাশে) বৈধভাবে দখলের তথ্য : জমির প্রকৃত মালিক: সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, এর খতিয়ান নং-০৭, এস,এ দাগ নং-৭৯৭৯, ৭৯৮০, ৭৯৮১, বিআরএস দাগ নং-৩৩৬০১=মোট=০.৩৯২৪ একর।
For my childs birth registration approved.
মিরপুরে ফ্লাটের নামজারী ও দখলী কর্তনের জন্য ঘুষ দেয়া লেগেছে।
আমি দেশের বাইরে থাকি। আমার বার্থ সার্টিফিকেট এর নাম সংশোধন এর দরকার ছিল। মিরপুর ১০ সিটী কর্পোরেশন অফিসে সরাসরি টাকা চেয়ে বসে এবং না দিলে তা দেরী হবার ভয় দেখায়। এবং যে লম্বা নিয়ম কানুনের কথা বলে তা করতে গেলে নাকি কয়েক মাস লেগে যাবে বলে। আমাড় জরুরি দরকার হবার কারনে আমি দ্রুত টাকা দিয়ে হলেও আমার আত্মীয় কে দিয়ে কাজ করিয়ে নেই। ঘুষ দিয়ে এই কাজ হয়ে যায় ২ দিনে। স্বাভাবিক ফি হয়ত বড়োজোর ১০০ টাকা। আহেতুক মানুষকে ঘুরানো হয় টাকা দিতে রাজী না হলে।
নতুন আবেদন সকল ডকুমেন্টস সহ দাখিল করা হয় কিন্তু কয়েকদিন যাওয়ার পর আবেদন এপ্রুভ না হলে তাদের অফিসে যাই কিন্তু তারা ২০০০ টাকা দাবী করে, আর সেখানকার পরিবেশ এমন যে এটা অলিখিত একটা পেমেন্ট যেটা পরিশোধ আবশ্যক । তাই বেশিরভাগ মানুশ দাবি করার আগেই দিয়ে দেয়। যাই হউক দেওয়ার ১০ মিনিটে এপ্রুভ হলে লাইসেন্স এর কাজ সম্পন্ন করি।
আমরা ৬ জন মিলে একটা বাড়ি তৈরি করেছি, সেই বাড়ির জন্য নিজ থেকেই ট্যাক্স দিতে চাচ্ছি এবং নিজেই ফাইল করতে সব কাগজপত্র নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর জোনে যাই, অফিসারের সাথে কথা বলি সে আমাকে বলে ৫ টা ফাইলের জন্য ৮ হাজার টাকা করে মোট ৪০,০০০/- টাকা দিতে হবে, আমি রাগ করে চলে এসেছি ।
বারো শত একান্ন বর্গ ফুটের নিজে বসবাসরত ফ্লাটের উপর খুব উচ্চ হারে ত্রৈমাসিক ৫০৪০ টাকা কর ও বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ (যাহা কখনও সিটি কর্পোরেশন দেয়নি) দাবি করে আমাকে নোটিশ করেছে। সামান্য কিছু ট্যাক্স কমিয়ে দিবে বলে আমার কাছে ৫৭,৫৩৫/- টাকা ঘুষ চায়।
For Trade license renewal every year required.
Trade License Renewal
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে যায়। ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফ্রি ৯১৫৬/= কিন্তু তিনি ১০০০/= টাকা চাচ্ছে।সবার কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করতেছে।
trade license new make and renue they ask money always
আমি একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা তে কর্মরত আছি, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অস্থাই বিজ্ঞাপন দিতে গেলে সরকার নির্ধারিত কর পরিশোধ এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিতে হয় , আমার ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে কাজ নেওয়ার পর পারমিশন নেওয়ার জন্যে কর পরিশোধ করার পর ও ৮০০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হোয়েসিল । আমার কাজের পরিধি বড় ছিলো ।
আমার জন্ম নিবন্ধনের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর জোন ১০ এর অফিসে অনলাইন ফর্ম জমা দিতে চাই। সংশ্লিষ্ট কর্মচারী অনুপস্থিত থাকায় তার সহযোগী ফর্ম জমা রাখে। সরকারি ফি ৫০ টাকার বদলে ১০০ টাকা রাখে এবং চা নাস্তার জন্য অতিরিক্ত ৩০০ টাকা রাখে। দীর্ঘদিন পরেও নিবন্ধন না হওয়ায় পুনরায় অফিসে যোগাযোগ করলে দেখা যায় ফর্ম হায়িয়ে ফেলেছে। অনলাইন কপি দেখানোর পর পুনরায় ডেট দিয়ে করে দিয়েছে। এরপর বোন, বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করার জন্য গেলেও ৫০ টাকার সরকারি ফি ১০০ টাকা করে রেখেছে কিন্তু কোন রিসিট দেয়নি।
বাসার হোল্ডিং নম্বর পরিবর্তনের জন্য সিটি কর্পোরেশনে আবেদন করি। এর জন্য সরকারি ফি পরিশোধ করি ৫,৭৫০ টাকা। সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা অতিরিক্ত ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দিয়ে সেখান থেকে চলে আসতে হয়।
এক হাজার টাকা ছাড়া (অফিস বকশিস) আমার Trade Licence Renew করছে না, টাকা না দিলে আমার Sign bord Tax 1200 থেকে ৩০০০ করে দেওয়ার হমকি দিচ্ছে। ৩-৫ দিন গুরানোর পর 1000 টাকা সহ মোট ৯৮০০ টাকা দিয়ে রিনিউ করালাম। আমার সাইনবোড tax 1200 টাকাটাও অতিরিক্ত দিচ্ছি, কারন আগে জোর করে সাইনবোর্ড টেকস্ট 1200 করে দিছিলো।
যেখানে ফাইল জমা নেয় সেখান থেকে আমাকে বলেছিলো যে ২/৩ দিন পর আপনি পেয়ে যাবেন, আমি প্রায় ২০ দিন পর যোগাযোগ করার পরে আমাকে ডাইরেক্ট বলতেছে যে ১০০০ হাজার দিলে আমরা এখনি দিয়ে দিবো যদি না দেন তাহলে কবে পাবেন তা আমরা বলতে পারবো না , এখন আমার জরুরী লাগতো তাই আমার কিছুই করার ছিলো না তাই আমার ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।