ট্রেড লাইসেন্স
আমি ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে সবকিছু (ব্যাংক টাকা জমা) করার পরেও তারা আমাকে বলে ট্রেড লাইসেন্স নিতে ১ সপ্তাহ পরে আসা লাগবে। তারপরে একজন এসে আমার কানে কানে বললো ৫০০ টাকা দিলে আজকেই নিতে পারবেন না হলে তারা আপনার আবারও ঘুরাবে।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে সবকিছু (ব্যাংক টাকা জমা) করার পরেও তারা আমাকে বলে ট্রেড লাইসেন্স নিতে ১ সপ্তাহ পরে আসা লাগবে। তারপরে একজন এসে আমার কানে কানে বললো ৫০০ টাকা দিলে আজকেই নিতে পারবেন না হলে তারা আপনার আবারও ঘুরাবে।
আমার জন্ম নিবন্ধন এর স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করব আমার সব কাগজ ঠিক আছে অ্যাপ্লাই করে সিটি কর্পোরেশনে যখন যাই তখন তারা সরাসরি আমার কাছে ২০০০ টাকা চাই যেখানে সরকারি ফি ২০০ টাকা আমি আমি তখন তাও প্রত্যাখান করি চলে আসি
নতুন সিটিতে হোল্ডিং ট্যাক্স এর ট্যাক্স পরিশোধ বাবদ ৮০০০ টাকা নিয়েছে
রিনিউ করতে এক্সটা টাকা দিতে হবে এটা কমন কাজ নাকি তাদের
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন সনদ দুই বছর আগে ( —ের জমানায়) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন হতে গ্রহণ করেছিলাম। পাসপোর্ট অফিসে এটি দাখিল করা হলে সেটি প্রত্যাখান করে। কারণ সনদটি পাসপোর্ট অফিসের সারভারের সাথে কানেক্টেড নয়। ফলে অন লাইনে সনদটি দৃশ্যমান নয়। যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট শাখা জানায়, " আরো সময় লাগবে। এ কারণে আমার ছেলের পাসপোর্ট করা সম্ভব হয় নি। মাস খানেক পূর্বে সিটি করপোরেশন একজন মশক নিধন কর্মী জানায় ২০০০ টাকা দিলে সে অন লাইন সনদ এনে দিতে পারবে। বাধ্য হয়ে আমি তাকে ২০০০ টাকা দিই। এক সপ্তাহ পর সে আমাকে অন লাইন সনদ বাসায় পৌঁছে দেয়। র
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ণ করতে বিল্ডিং মালিকের বিল্ডিং কর পরিশোধের কপি বাধ্যতামূলক ।মালিক এটা না দিয়ে আমাকে একজন সৎ (অসৎ) অফিসারের নাম্বার দেন উনাকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা প্রদান করে খুব সহজেই হ্যাসেল ফ্রি সেবা পেয়েছি তবে দুঃখজনক হলেও সত্য আমি এ সেবা চাইনি। আমি যেখানে অফিস নিয়েছি এটা নির্মাণাদিন কিন্তু উনি ৪/৫ টা ফ্লোর ইতিমধ্যে ভাড়া দিয়েছেন পাশাপাশি বিল্ডিং এর কাজ ও চলমান
আমি জন্মনিবন্ধনের সংশোধনের আবেদন জমা দিতে গিয়ে এক্সট্রা ৫০ টাকা দাবি করে।
সংশোধ ফি ৫০টাকা ৯০০টাকা চেয়ে ছিল আমি ৮০০টাকা দিয়েছি। কুকুরের বাচ্চারা এখন ও কাজটি করে দেয়নি।
পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড নবনির্মিত বাসার পৌরকর নির্ধারণ করতে বছরে 1,35,000/ টাকা কর আসবে ক্যালকুলেটরে গাণিতিক হিসাব কষে জানান। ৫০ হাজার টাকা খরচ দিলে, ৫০,০০০ টাকার মধ্যে সিটি কর্পোরেশন কর নির্ধারণ করে দেবে জানান।
প্রথম কথা হচ্ছে। বাড়ি বানানোর জন্য রাজউকের অনুমতি নিতে গেলে মোটা অংকের ঘুষ দিতে হয়। ২০০৯ সালের পর থেকে অকপেসি সাটিফিকেট নিতে গিয়ে ২০১৭ সালে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা দালালের মাধ্যমে রাজউকের উধধতন অফিসারকে ঘুষ দিতে হয়েছে। আইন যত বেশি হবে, ঘুষ তত বাড়বে। এবার আসি সিটি করপোরেশনের ঘটনায়। আমার বাড়ির হোন্ডিং ট্যাক্স কমানোর জন্য প্রতি ফ্ল্যাটে ১০ হাজার করে। আবার আপিলের টাকা কমানোর জন্য ৭ হাজার করে ঘুষ দিতে হবে। এর আগে আরেকটা অফিসারকে ৪০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল। সরকার পরিবর্তন হওয়ায় তিনি বদলী হন। এখন টাকা তো ফেরত পাইনি আবার নতুন করে ঘুষ দিতে হচ্ছে।
নাগরিক সনদ ও ওয়ারিশান নিতে টাকা দিতে হয় টাকা ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৬নং ওয়ার্ড সচিব কোন কাজই করেন না। বিষয়টি কেবল আমার সাথেই নয়, ৯৫শতাংশ সাধারণের সাথে ঘটে অতএব যাচাই করা অতি সহজ
আমাদের বাসার হোল্ডিং টেক্স এর নোটিস দেয়ার জন্য।
আমার জমি সংক্রান্ত কাগজ দরকার হলে ওয়ার্ড সচিব আমাকে বাঁধ্য করে ১০হাজার টাকা চাইলে আমি ৬হাজার টাকা দিতে ওয়ারিশ সনদ গ্রহন করি
Tk chara renewal korbe na
Flat er holding number and holding tax er Jonno city corp er protinidhi eshe janay je ei amount extra Dile holding tax reg Kore debe ebog poriman o kome Hobe. Na hole previous somoy tene onek fine kora Hobe. Baddya Hoye amra 25 floater Malik protteke extra 10kx25 prodan Korte baddya hoi. Ekhon Abar apil er Jonno flat proni 6k demand korece, na hole tax value kombe na. Ekhon BDT6060 ebong apil o extra 6k Dile Hobe BDT4500. I don't know is this site secure or not. Hope we will not face any haragement or any
নতুন করে ফ্ল্যাটের টেক্স নির্ধারণের প্রক্রিয়া
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ওয়ার্ডগুলোতে জন্ম নিবন্ধন নাগরিক সনদ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার জন্য সব সময় টাকা দিতে হয় টাকা ছাড়া কোন কাজই হয় না , তাছাড়া করতে যাবেন আপনার এই কাগজ নাই ওই কাগজ নাই কত সমস্যা দেখাবে , টাকা দিলে সব সমাধান , উদাহরণস্বরূপ আমার থেকে টাকা নিয়েছে ওয়ার্ড 32 অঞ্চল ৫ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন একজন আউটসোসিং মশক কর্মী যে কিনা ওয়ার্ড অফিসে দালালি করে নাম — আমার কাছে ১৫০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল আমি ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি কারণ ভাই টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না এই দেশে ।
টাংগাইল শহরে বাড়ির কাজ শুরু করি। কাজ শুরু হলে আশে পাশের নেতাদের চাঁদা দাবী শুরু হয়। বাসার কাজ নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। কমিশনার এসে ঝামেলা করে। তারপর তার লোকজনের মাধ্যমে তার অফিসে গিয়ে ৩০,০০০ চাঁদা পরিশোধ করে ঝামেলা বন্ধ হয়।
আমাদের হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করার জন্য ইন্সপেক্টর এসে অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য করার ঠান্ডা হুমকি দেয় এবং প্রস্তাব দেয় যে যদি আমি ২৫০,০০০ টাকা তাদের 'অফিস প্রসেসিং' এর জন্য দেয়, তারা সেটি কে ন্যায্য যেটা হয়, সেটা ধার্য করবে যেটাকে তারা একটি অনুগ্রহ বা উপকার হিসাবে উপস্থাপন করে। এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩ (রিসিজিয়ন-৩) এবং ওয়ার্ড নম্বর ২১ এর অন্তর্ভুক্ত।
বাচ্চার জন্ম নিবন্ধনের জন্য ঘুষ হিসাবে ২০০ টাকা চাওয়া হয়। অফিস বসে থাকা দায়িত্বশীল ব্যক্তি ওই টাকা ঘুষ হিসাবে দাবি করেছেন।