নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২৫ শত টাকা নবায়নের জন্য চাওয়া হয়। আমি শুধু সরকারি ফ্রি দিতে চাইলে অর্থাৎ ১৫০০ টাকা দিতে চাইলে তারা নানান অজুহাত সৃষ্টি করে এবং সময় অনেক বেশি লাগবে বলে জানায়। তাই আমি বাধ্য হয়ে ২৩০০ টাকা অর্থাৎ অতিরিক্ত ৮০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
If you want birth certificate then you have to pay extra money.For making them happy.
আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন খিলগাঁও-বাসাবো এলাকায় একটি বাড়ি নির্মাণ করেছি। বাড়িটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও আমি ২০২৩ সাল থেকে সেখানে বসবাস শুরু করি। যেহেতু আমি দেশের বাইরে চাকরি করি, সিটি কর্পোরেশনের কর সংক্রান্ত বিষয়টি আমার পরিবারের মাধ্যমে জানতে পারি। পরবর্তীতে আমার ছেলে সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র জমা দেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বাড়িতে বসবাস শুরু করার বছর ২০২৩ হলেও আমার ওপর ২০২০ সাল থেকে কর নির্ধারণ করা হয়। বিষয়টি সংশোধনের জন্য আমি একাধিকবার সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, ই-মেইল করেছি এবং ফোনে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাকে জানায় যে ২০২০ সাল থেকেই কর পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় প্রতি বছরের জন্য অতিরিক্ত ৫০,০০০
লাইসেন্স অনলাইনে নবায়ন করা যায়, গতো বছর করেছি যখন ইউনুস সরকার ছিল কিন্তু এই বছর আর ঐ নবায়ন লিংকে বার বার চেষ্টা করেও ঢুকতে না পেরে, সিটি কর্পোরেশনে গেলে সরাসরি বলে, আমি করে দিচ্ছি, ৩০০ টাকা লাগবে, আমি বললাম আমি কেন করতে পারছিনা, বলল তা তো জানিনা, অথচ পাসওয়ার্ড ও ইউজার নাম লাগে, কিছুই নিলোনা কিন্তু নবায়নের আবেদন করে দিলো, ৫০০ চেয়েছিল ৩০০ দিয়েছি।
টাকা না দিলে কাজ হবেনা বলে দিছে
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব শাখার কর্মচারী লিট* আর *ভ ২০২৫ সালে চা নাস্তার কথা বলে প্রায় ১৫০০০ টাকা নেয়। খুব সম্ভবত উপ সহকারী পরিচালক / সহকারী পরিচালক এর যোগসাজশে তারা এই দুর্নীতির উৎসব পালন করে।
ছেলেদের বার্থ সার্টিফিকেট করার জন্য গেলাম , ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ১৭ নাম্বার ওয়ার্ডে, টাকা চাইলো ৪০০০/= জন প্রতি । ভাবলাম ৮ হাজার টাকা দিয়ে এই বিনামুল্যের সেবা কেনো নেবো।
মুলত ট্রেডলাইসেন্স ডেট এক্সায়ার হইছে, তারা অভিযান এ এসে দোকানে তালা লাগাই দিছে পরে টাকা দিয়ে কাজ সারা লাগছে। তাও সরকার কে ঠকানো হইছে।
একজন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসাবে আমার কন্সুলেটেন্সি ফী এর টাকা উত্তোলন এর সময় বিভিন্ন দপ্তর যে এই অর্থ প্রদান করতে হয়েছে.
আমি আয়ডি কাডের ছবি তুলার জন্য গিয়েছিলাম আমার কাছে টাকা চাইছিল ২০০০ টাকা ৪ ঘন্টা ওয়েট করার পর ৪০০ টাকা দিয়ার পর ছবি তুলছে
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ও অনলাইন সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারি/নির্ধারিত ফি প্রায় ১,৫০০ টাকা হলেও সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মোট প্রায় ১১,০০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, এই অতিরিক্ত প্রায় ৯,৫০০ টাকা কোনো সরকারি ফি, কর বা বৈধ সার্ভিস চার্জ নয়; বরং অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘুষ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, অনলাইন ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থায় সাধারণ নাগরিকের জন্য সরাসরি “Renewal/নবায়ন” অপশন যথাযথভাবে পাওয়া যাচ্ছে না বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা সরিয়
ভার্সিটি তে দেওয়ার জন্য বাবার আয়ের সনদপত্র আনতে গেলে ১৫০ টাকা চায়, শুধুমাত্র একটি সাইনের জন্য। পরে এক বছর পর আবার একই জিনিসের জন্য গেলে ১০০ টাকা চায়। শুনেছি একেকজনের কাছে একেক আমাউন্ট দাবি করা হয়।
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেছিলাম আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
আমি ট্রেড লাইসেন্সের জন্য মোহাম্মদপুর শাখায় গিয়েছিলাম। সেখানে সরকারি/অফিশিয়াল কস্ট হিসেবে ৭,৮৭০ টাকা দেখাচ্ছিল। কিন্তু তারা জানিয়েছে, তাদের মাধ্যমে করাতে হলে ১২,০০০ টাকার নিচে করে দেবে না।
জন্ম সনদে বাংলা নাম যুক্ত করার জন্য আবেদন করার পর ২৪ নং ওয়ার্ডের, তেজগাঁও দাবি করেন ডিসি সাক্ষরের জন্য জনপ্রতি ১০০০। দুই জনের জন্য ২০০০।
For filing holding TAX for the first time 55% rebate with apile = 15000 Taka After that, last rebate 25% - 8000 Taka Total 23000 taka Dhaka City Corporation Onchol: 3, Mohakhali.
আমি ০৩/০৮/২০২৬ ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের খিলগাঁও তিলপা পাড়া অফিসে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে দেখলাম অনেক লোক ট্রেড লাইসেন্স রেনিউ করতে বা নবায়ন করতে এসে অফিসের দেয়া ডেট অনুযায়ী দুইবার তিনবার এসোও বারবার ফেরত যাচ্ছে। তারা বলে এখনো হয় নাই পরে আসেন। আবার কাউকে কাউকে দেখলাম সার্ভারের দোহাই দিয়ে বলছে আবার পরে আসতে। আমার জরুরী বিধায় তাদের সাথে কথা বলে অফিসের বাইরে একজন লোক গাছের নীছে দাঁড়ানো থাকে, তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে বললাম ভাই এখন তো সাড়ে দশটা বাজে আমাকে নবায়ন করে করে দেন। সে বলল বিকাল তিনটায় আসেন হয়ে যাবে। ঘুসের টাকা দেয়ার কারণে একদিনেই নবায়ন করে দেয় অথচ যারা ঘুস দেয় নাই তাদেরকে ১০ দিন ১৫ দিন পরে ডেট দিয়ে ঘুরাচ্ছে সার্ভার নষ্ট বা বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। ২/৩ বার না আসতে হয়।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে প্রতিটি কম্পানিকে অফিস খরচ দিতে হয় যার কোনো রশিদ নাই
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গেছিলাম। ফোন নম্বর আর কাগজ নেওয়ার পর ৫০০ টাকা দাবি করে ওখানকার কর্মী। দালাল আর কর্মীদের ঘুষ নেওয়ার দৌরাত্ম্য বেড়েছে অনেক। পরে ফিরে এসে ভালোভাবে ওয়েবসাইটে খোঁজ নিয়ে কাজ করেছি।
২৬ নং ওয়ার্ড,লালবাগ। সিটি কর্পোরেশন অফিসে আমি আমার নাগরিক সনদ নেটে গিয়েছিলাম তখন তারা আমার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে।