নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অনলাইনে ট্রেইড লাইসেন্স করার জন্য বার বার চেষ্টা করে যখন দেখেছি হচ্ছেনা , তখন সেখানে থাকা কোন দালালের সাথে কথা না বলে সরাসরি ঢাকা দক্ষিণের এক কর্মকর্তার সাথে কথা বলি, তিনি প্রথমে ৬০০০ টাকা চাইলেন , ৫৫০০ টাকায় রাজি হলেন। পরের দিনই লাইসেন্স পেয়েছি।
আমার ওয়াইফ ভোটার আইডি এবং নিবন্ধন করতে ৯০০০ টাকা দিয়েছি
আমার বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এর বিপরীতে আমি হোল্ডিং ট্যাক্স কমানোর জন্যে আপিল করি। আমার সমসস্ত কাগজ ও দলিলাদি সব ঠিক থাকার পরও, আমার বাড়িতে সরে জমিনে এসে তদন্ত করে আমার আপিল অনুযায়ী সব ঠিক থাকার পরও আমার আপিল মঞ্জুর করার জন্যে আমার কাছ থেকে ৫০০০০ টাকা ২ ধাপ এ নেয়া হয়েছে। না দিলে আমার ফাইল আটকে আমার হোল্ডিং ট্যাক্স এর উপর জরিমানা আরপ করা হতো।
নিজের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে গিয়েছিলাম মিনিমাম ১ মাস লেগেছিল করতে... এখন আবার আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে হবে তাই আর অফিসে যাই নাই কারণ ১ মাস সময় দেওয়া সম্ভব নয় তাই বাইরের ফটোকপির দোকানে কথা বললাম ওরা বললো ওদেরকে ১৫০০/- টাকা দিলেই ২ দিনের মধ্যে পেয়ে যাবো তাই ১৫০০ টাকা দিলাম এবং ২ দিনের মধ্যে আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন হয়ে গেলো।
আমার মায়ের নামে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল বানান দিয়ে রাখে — আমলে। পরবর্তীতে এই বানান সংশোধন করতে দফায় দফায় অর্থ গ্রহণ, হয়রানি, কাগজপত্র নেয়া সহ বছরের পর বছর ঘুরতে হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে। প্রতি দফায় ২০০০, ২৫০০, এভাবে করে ঘুষ নিয়েছে।
নতুন লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম।
Trade license e 1000 taka bribe dite hoi
bith certifecet korta gala grayseba baja
২ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন দিয়ে দিছে। বাংলা এবং ইংরেজি।
birth certifet 1968 korbo dunir hyranii
মৃত্যু সনদ উঠানোর জন্য গিয়েছিলাম ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ধলপুর, সেখান থেকে জানানো হলো আপনি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড (৬০ নং ওয়ার্ড) এ যান সেখানে গিয়ে ওয়ার্ড সচিব থেকে ওয়ারিশ/পারিবারিক সনদ উঠিয়ে নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ধলপুর জমা দিবেন । ৬০ নং ওয়ার্ড গিয়ে ওয়ার্ড সচিব আমার , আমার মায়ের, আমার অন্য ভাই বোনের এন আই ডি কার্ড ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি চাইলেন ।পরে ২৫০০ টাকা চাইলেন ।আমি জিঞ্জেস করলাম কিসের টাকা দিব? বললেন , এটা সার্টিফিকেট উঠানোর খরচ ।পরে সকল কাগজ ও টাকা জমা দিয়ে তিনি আমাকে তার ফোন নাম্বরা দিয়ে জানালেন ফোনে যোগাযোগ রাখবেন । আপনার সার্টিফিকেট হলে তিনি ফোন দিবেন এটাও বললেন । কিন্তু তিনি কখনোই ফোন দেন নাই । দুই সপ্তাহ পর তিনি আমি ফোন দিলাম তিনি আমাকে ঘোরাতে লাগলেন ।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ঘুষ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। সার্কেল 6।
আমার এনআইডি সংশোধন করার জন্য আবেদন করেছিলাম, আমার বাংলাদেশি পাসপোর্ট, ইউরোপিয়ান পাসপোর্ট, ছেলেমেয়ের জন্মনিবন্ধন, কোর্টের এফিডেভিট সহ সব ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পর ও এক কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ১,৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল। গুষের কারণে আমার এনআইডি এখনো পর্যন্ত সংশোধন করতে পারি নি, প্রায় ৩ বছর হয়ে গেছে।
আমার বিল ৫০০০ ছিলো সায়হে আমার থেকে সরাসরি ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করসে। ১ম ২০০ দেয়ায় সে নিতে রাজি হয় নাই। বলে আপনি দেওয়ান হাটে গিয়ে দিয়ে আসেন। পরে ৩০০ দিসি আর নিসে।
১০০ টাকা দিয়ে চারিত্রিক সনদপত্রে শুধু জন্মতারিখ লিখিয়ে নিয়েছি। এটা তাদের দেয়া ফরম্যাটে ছিল না। চাইলে নিজেই লিখতে পারতাম, ভালো মানুষি করে তাদের কাছে গিয়ে টাকা দেয়া লাগলো।
To enroll Dhaka North City Corporation Holding Tax paid additional 50000 to adjust house rent evaluation and fixing yearly holding tax for a seven floor residential building.
প্রতিটি জাতীয়তা সনদের জন্য সরকারি ফি বাদে ১০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। যদিও টাকাটা নগন্য, তবে এটি হিসেবের বাইরের টাকা যে টাকার কোনো হিসেব অথবা বাবা মা নেই।
২০২৫ সালে ভোটার আইডি বানানোর জন্য নতুন যারা ছিলাম আমাদের প্রত্যেক কে বলা হয়েছিল নাগরিক সনদপত্র জমা দিতে। সনদ পত্র নেওয়ার জন্য আমার এলাকার এমন সব নব ভোটার দের থেকে ১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। না হলে দিবেনা বলেছিল। আমরা সবাই স্টুডেন্ট ছিলাম আবার অনেকে বাড়তি টাকাও নিয়ে যায়নি। যাদের কাছে টাকা ছিলো না তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছিল
Kisu khorcha den tahole 1 dinei hoye jabe.
কয়েক বছরের হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া থাকায় এবার অফারের কথা শুনে টাকা জোগাড়ের জন্য লোন করি। লোন হাতে পেতে পেতে ১৮ আগস্ট হয়ে যায়। সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে জানতে পারি, মোট বকেয়া ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। অথচ অফারের সময় শুনেছিলাম প্রায় ৭৮ হাজার টাকা লাগবে। তখন তারা বলে, “আমরা ব্যবস্থা করে দিচ্ছি, ১ লাখ টাকা দিন।” এত টাকা শুনে আমি চলে আসি। পরে তারা ফোন করে ৯০ হাজার টাকা দিতে বলে এবং জানায়, না দিলে জরিমানা বাড়তে থাকবে। এরপর গিয়ে সরকারি খাতায় কত টাকা রসিদ হবে জানতে চাইলে তারা ৮৫ হাজার টাকা বলে। আমি রাজি হয়ে কাজ করাই। কাজ শেষে টাকা দেওয়ার পর রসিদ হাতে নিয়ে দেখি সরকারি রসিদে ৮০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আর জিজ্ঞাসা করার সাহস হয়নি।