নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে বলে আপনার দোকান অনেক আগে কিনেছেন, এখন কেনো লাইসেন্স করতে আসছেন, আপনার পুরোনো লাইসেন্স ছাড়া নতুন লাইসেন্স করলে পুলিশ ঝামেলা করতে পারে। আমাদের ৪০০০ টাকা দিন আমরা পুরোনো লাইসেন্স দেখিয়ে নবায়ন করে দিবো। পরে লাইসেন্স করার পর দেখি ৮০০ টাকা লাগছে টোটাল, বাকি টাকা ফাও খাইছে। কথা হচ্ছে আমি এখানে পুরোনো লাইসেন্স দেখিয়ে লাইসেন্স নিছি যেনো মনে হয় এটা আগে করা হয়েছিলো, কিন্তু সরকার কেনো এমন সুযোগ রাখলো। এটা তো দূর্নীতি করার অন্যতম মাধ্যম। লাইসেন্স কেউ পরে করলে বৈধ ভাবে জরিমানা করতে পারে, যেটা সরকারের খাতায় জমা হবে, কোনো কর্মকর্তার পকেটে যাবে না। উল্লেখ্য ওই কর্মকর্তার ছেলে/মেয়ে নর্থ সাউথে পড়ে।
Trade licences renew korte giye ekti bhul dhora pore ja thik kore dite 2600 taka dabi kora hoy
নামজারি কেস নম্বর অনুমোদন এর জন্য ৫০০০/- টাকা দাবি
ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দিয়েছি, তারপর রিনিউ করে দেইনি, বলে ফায়ার সার্ভিস সার্টিফিকেট লাগবে, অথবা টেবিলে নিছ দিয়ে 3000 দিলে কাজ হয়ে যাবে , পরে 3000 দিয়ে রিনিউ করা লাগলো ।
given to staffs of City corporation office in uttara for Trade license. Tells, you have lots of problem in application, do it again and again. then ask for money 2500/- to solve the problem. I got license a weeks before
পৌরসভার ট্যাক্স হোল্ডিংয়ের মালিকানা পরিবর্তন করতে হলে 2500 টাকা লাগবে তাহলে আগের মালিক এর নাম বাদ দিয়ে আপনার নাম এ ট্যাক্স এর পেমেন্ট রশিদ দিব । না হলে পরে আসেন যান । টাকা নাই অযুহাতে, বলছিল টাকা নিয়া আসেন ম্যানেজ করে । টাকা দিলে এখনই আপনার নামে ফাইল করব।
আমার পারিবারিক সনদ প্রয়োজন ছিল, যেটা ওয়ার্ড কাউন্সিল থেকে বিনামূল্যে দেয়ার কথা, কিন্তু তারা আমার কাছে ৮০০০ টাকা দাবী করে, এটা না দিলে নাকি ফাইল আটকে থাকবে সিটি কর্পোরেশন এ, অফিসার নাকি সাইন করবেনা। পরবর্তীতে অফিস সহকারী মহিলা আমার থেকে ৫০০০ টাকা নেয়, আমি প্রমাণ স্বরুপ বিকাশে দিতে চাইলে মহিলা বলে, বিকাশে দিলে স্যার কে দিব কিভাবে?
ট্রেড লাইসেন্স করতে উল্লেখ করা টাকার পরিমাণ ১৮০০ হলেও তারা ৩৫০০ টাকা রেখেছে চা পানির খরচা বাবদ।
একটা লাইসেন্স করতে গেলাম, ডক্যুমেন্টস এ অনেক ভুল ধরিয়ে দিলো। আর বলল ৬০০০ টাকা লাগবে। ক্যাশ দিলাম, ট্রাস্পারেন্সি ছিলনা না কোন। আমার লাইসেন্স এর টাকাটাও ওনি পেয় করে দিসে, ওইখানে ৩৪০০ সরকারি ফি ছিল।
সরাসরি পিয়নের মাধ্যমে আমার কাছে ৫হাজার টাকা দাবি করেছে।
টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন খুঁত বের করে ফাইল আটকে রেখে হয়রানি করে।
৩টি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০০/- ঘুষ চাওয়া হইছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের অনেক অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট কোনো online সিস্টেম না থাকা। আমরা আগে নিয়মিত প্রায় ২০,০০০ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ করে এখন আমাদের বাড়ির জন্য 5 লাখ টাকার বেশি দাবি করা হচ্ছে। অথচ আশেপাশের তুলনামূলক বড় বাড়িগুলোও বছরে ১০,০০০ টাকার কম ট্যাক্স দিচ্ছে। আরও দুঃখজনক বিষয়, ট্যাক্স কমানোর জন্য সংশ্লিষ্ট ট্যাক্স কালেক্টরের পক্ষ থেকে ঘুষের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে,ঘুষ দিলে নাকি “সিস্টেম করে” ট্যাক্স কমিয়ে দেওয়া সম্ভব। অনেক বাড়ি বছরের পর বছর হোল্ডিং ট্যাক্স দেয় না, অথচ যারা নিয়মিত ট্যাক্স দিয়ে আসছে তাদেরই যেন টার্গেট করা হচ্ছে।
খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা থানার মংলা ফেরিঘাট পার হওয়ার পর কিছু লোক পৌরসভার নাম করে চান্দা উঠায়। আসলে এরকম আমি আগে কখনো দেখিনি তাই আমার কাছে মনে হয়েছে এটা অবৈধ। আমার কাছে তার একটি স্লিপ আছে। স্লিপ আপলোড করার অপশন পেলাম না।
মিরপুর ১০ নাম্বারে অবস্থিত সিটি কর্পোরেশন অফিসে হোল্ডিং ট্যাক্স এর নাম্বার নেয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে। এই অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ করানো যায় না।
জন্মস্থান ঢাকা, শুধু এইটুকু সংশোধনের জন্য ১৪ নং ওয়ার্ডের অফিসে ১৭০০ টাকা দিতে হয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা হলেও, সংশ্লিষ্ট নারী কর্মকর্তা তাতে স্বাক্ষর করেননি। বরং, স্বাক্ষর দেওয়ার শর্তে অনানুষ্ঠানিকভাবে নগদ পাঁচশত টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, আমাকে স্বাক্ষরযুক্ত ট্রেড লাইসেন্সটি দেওয়া হয়নি। এরপর আমি দুইদিন পর গিয়ে ট্রেড লাইসেন্সটি সংগ্রহ করেছি।'
সিটি কর্পোরেশন হোর্ডিং ট্যাক্স এবং যাবতীয় কাগজপত্র ঠিক করে দেওয়ার জন্য সম্মানিত ফ্ল্যাট মালিকগন, ২২-০৮-২০২৬, ১০ ঘটিকার সময় সেলটেক সপ্তর্ষি কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার অফিস রুমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের একজন উপ কর কর্মকর্তার সাথে কমপ্লেক্সের কমিটির সম্মানিত সহসভাপতিসহ অনন্য সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রতি ফ্লাটের ট্যাক্স এর বিষয় বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই কাজের জন্য উনাকে ফ্ল্যাট প্রতি ১৫ হাজার টাকা ফ্ল্যাট মালিকগন এর দিতে হবে। এর পর উনি আমাদের সকল কাজ করে হোল্ডিং ট্যাক্স নিধারিত করে দিবে। বিল্ডিং এ মোট ১০০ ফ্ল্যাট রয়েছে। সবাই তাকে দিয়ে কাজটি করালে মোট ১৫,০০,০০০ টাকা আমাদের তাকে দিতে হবে। বিষয়টি দেখার অনুরোধ রইল।
পৌরসভার নামে পরিবহনের জন্য চাঁদার দাবিতে গাড়ি আটকে দেয়। টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে।
আমাদের পরিবারের প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বৈধ লিজ, মালিকানা ও দখলে থাকা জমি থেকে আমাদের উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার বাবার দীর্ঘদিনের ব্যবসা/স্টলও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে দখল ও সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং একটি পক্ষকে অবৈধভাবে সুবিধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সরকারি প্রভাব ও দুর্নীতির মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘদিনের লিজ ও দখলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।