নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
every year Bond listed company's like us need to complete audit but this year we have not done audit yet because of money. without money not possible to do Audit anymore. we are bound to pay it but this year till now hold the audit due to money issues.
ইলেকট্রনিকস পন্য কে অবৈধ পন্য বলে আটকে রেখেছিলো
আমাদের কোম্পানীর একটি আমদানীকৃত মেশিনারি আমদানী পযায়ে এইচএস কোড ভূল ভাবে মূল্যায়ন করে আমদানী টেক্স বাবাদ প্রায় ১৫০,০০,০০০/- দাবী করা হয়। যা শতভাগ অন্যায় ছিল। কিন্তু আমাদের কোম্পানী নিরুপায় হয়ে ১৬,০০,০০০/- ঘুষ প্রদান করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে বাধ্য হয়। তা না হলে আমাদের কোম্পানীর আর ও বড় ক্ষতি হত। হ্যাঁ আমরা স্বীকার করছি কাজটি অন্যায় কিন্তু এ ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় ছিল না। আমরা যদি কাস্টমস এর সঙে এই ব্যাপারে উচ্চতর আপিল করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে যেতাম তা হলে অনেক সময় লাগত। ততদিনে বন্দর এর ডেমারেজ এবং শিপিং লাইনের ডেমারেজ সহ উক্ত মেশিনারি দ্বারা যেই পণ্য উৎপাদন করা হবে তাও হত না। এসব কথা বিবেচনা করে আমাদের কোম্পনী ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়।
কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার — বিভিন্ন ফাইলে অর্থ দাবি করেন। অর্থ না দিলে সেবা প্রদানে বিলম্ব করেন। নানান অজুহাতে হয়রানি করেন। আমি প্রত্যাখ্যান করায় হয়রানির স্বীকার হয়েছি।
বিগত ৮-১০ বছর ধরে, শ্যামপুর সার্কেল অফিসে ভ্যাট রিটার্ন জমা এবং প্রয়োজনিয় চিঠি দিতে গেলে নগদ টাকা ছাড়া গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায়। এভাবে গত কয়েক বছরে প্রায় ৬-৭ লক্ষ ঘুষ দিতে হয়েছে।
annual audit purpose for export oriented bonded warehouse
Both customs officers and C&F agents contribute to the bribery and corruption in import clearance. C&F agents may mislead importers, while customs officials can create unnecessary delays, HS Code disputes, and extra tax burdens. These unofficial costs are ultimately passed on to consumers, making imported products unnecessarily expensive and hurting both businesses and the general public.
আমার ডেলিভারি গাড়ি আটকিয়ে রেখে বেটা অফিসের অতিরিক্ত টাকা না দিলে গাড়ি ছাড়বে না
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের OPM সহকারী কমিশনার — বিভিন্ন কাজের জন্য অর্থ দাবি করেন। অর্থ পরিশোধ না করলে দিনের পর দিন ফাইল ফেলে রাখেন। দ্রুত তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি।
কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের ডেপুটি কমিশনার — বিভিন্ন সেবা প্রদান করার আগে অর্থ দাবি করেন। অর্থ না দিলে সেবা প্রদানে বিলম্ব করেন। নানান অজুহাতে হয়রানি করেন। আমি প্রত্যাখ্যান করায় হয়রানির স্বীকার হয়েছি।
nana vabe hoirani suro korlo, pore dite badho holam.
আমার ২টা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে. যার জন্য প্রতিমাসে আমাকে ভ্যাট দিতে হয় . এর পাশাপাশি প্রতিমাসে এ ২ প্রতিষ্ঠান এ আলাদা করে ৯০০০টাকা ঘুষ দিতে হয় অফিস খরচ এর নাম এ. যে টাকা কোনো চালান ছাড়া অফিস এর লোক নিয়ে থাকে.যদি o আমাদের ভ্যাট অফিস এ যাবার কোনো প্রয়োজন নাই সব অনলাইন এখন কিন্তু আইন এর বেড়া জাল এ বন্দি . মাসিক টাকা না দিলে নানা রকম হয়রানি মামলা জরিমানা এর শিকার হতে হয় . এই রকম শুধু আমি না . সকল ব্যবসায়ী কে অফিস খরচ দিতে হয় . কারণ আমরা সঠিক পরিমাণ ভ্যাট দেই না . এইটা আইন এর জটিলতা. প্রতি বছর শুধু আমি দেই ১০৮০০০Tk. তাহলে সব ব্যবসায়ী কত দেই.
একটি ভ্যাট নিবন্ধন বন্ধ করার জন্য ৬-৭ মাস আগে দরখাস্থ করা হয়েছে । এই ঘুষ না দেয়ার কারনে বন্ধ করা হয় নাই এখন পর্যন্ত । যার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই নাই এখন, সে ভ্যাট দিবে আর কি ?
আমার কোম্পানি চায়না থেকে একটা ডিভাইস ইম্পোর্ট করে কিন্তু যতবারই প্রোডাক্ট রিসিভ করি ডিভাইস কম পাই আর এই বার ১২ পিছ কম পাইছি যার মূল্য ৩০০০০ টাকা । যার কারনে ডিভাইসের দাম বাড়াতে হয়ছে ফলে ডিভাইস সেল করতে কষ্ট হচ্ছে ।
আমার কোম্পানি একটা ডিভাইস ইম্পোর্ট করে থাকে যাতে প্রতিবার ডিভাইস কম পাওয়া যায় আর এবার ১২টা ডিভাইস কম পাইছি যার মূল্য ৩০০০০ টাকা যার কারনে আমার ডিভাইসের দাম বাড়াতে হইছে ।
আমার একটা পণ্যের স্যাম্প্ল এসেছিলো। সেটি বিএসটিআই এর যাচাই করে নাকি ঢুকতে হয় যেখানে সে পণ্যের আই এস ও সনদ রয়েছে। এতে বি এস টি আই কে নাকি ম্যানেজ করতে হবে। সুতরাং সেটি বাবদ ৪০০০ টাকা স্যাম্পলের জন্য চাওয়া হয়েছে। যেটি অন্যায়। আমি মনে করে কাস্টম বা পণ্য আনা, লাইসেন্সিং আরো সহজ হওয়া প্রয়োজন। ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন, তা নাহলে উদ্যোগতা সৃষ্টি হবেনা।
কিটনাশক আমদানীতে প্রতি ফাইলে ৪০০০+৪০০০ টাকা দিতে হয় RO+Aro এবং প্রতিটা ফাইলে একটা টাকা দেওয়া বাদ্ধতামুলক
আমার এই বছরের ট্যাক্স রিটার্ন এ ভুুল ধরা পড়েছিলো। যথাযথ কাগজ উপস্থাপন করার পরে সেটা নিষ্পত্তি না করে অন্য ভুল খুজে বের করা হয়। যেমন সরবরাহের ভ্যাট চালান। এরজন্য ২২ লাখ টাকা ভ্যাট ধার্য করা হয় এবং সেটা ১০ লাখ টাকায় সুরাহা করা হয়।
ফ্যাক্টরি তে হামলা করে,লোকজন এর সংগে খারাপ আচরন করে। প্রতি মাসে তাদের কে নিদিষ্ট পরিমান টাকা দিতে হয়।তার পর ও মাঝে মাঝে হামলা করে ১৫/২০ জন গিয়ে।
আমি হয়তো দেই নাই তাই আমার কাজ ও হয় নাই অনেক মানুষ দিয়ে তাদের কাজ করিয়ে নিচ্ছে