নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Retran joma neyar smy poti mase
কাস্টমস এর যে কোন কাজের নিমিত্তে টাকা পয়সা লেনদেনের জন্য দালান এর মাধ্যমে ঘুষ পরিশোধ করতে হয়। দালাল লাইসেন্স শাখায় কাজ করে। মানুষকে নানা রকম ব্লাক মিল করে টাকা আদায় করে থাকে। লাইসেন্স শাখার সবাই ঘুষ ক্যালেংকারি জড়িত।
ডুকুমেন্টস ঠিক থাকলেও তারা একটা না একটা সমস্যা বের করে।তারপর টাকা দাবি করে
মাসিক ভ্যাট রিটার্নের সময় প্রতিটা কর্মকর্তা কর্মচারী টাকা দিতে হয়।যাতে হয়রানি না করে।
এই টাকা প্রতি মাসেই চায় না দিলে বিভিন্ন রকমের দাফতরিক ভয়ভীতি দেখায়।
প্রতিমাসে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে দিতে হয়। অন্যথায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিবে বলে হুমকি দেয়।
মাসিক খরচ নাম করে টাকা দাবি করা
One year bond audit. Without payment file keep pending with thousand questions.
ভ্যাটের প্রিভেন্টিভ দিয়ে ভুল জাজমেন্ট উপস্থাপন করে এই টাকা ঘুষ দাবি করেছে। এই টাকা দিলে তারা আমাদের কাছ থেকে যে ডকুমেন্ট নিয়েছে সবকিছু দিয়ে দিবে। তা না হলে মিথ্যা মামলা দিবে।
একটি জাহাজ যাওয়ার সময় বন্ধর থেকে পোর্ট ক্লিয়ারেন্স নিতে হয় সেই দিনে আমাদের খুব ইমারজেন্সি প্রয়োজন তাকে বলার সাথে সাথে সে বুঝতে পেরে আমাদের থেকে টাকা দাবি করেন এবং আমরা কিছু করতে না পেরে তাকে পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি
বাংলাদেশের যে সকল জাহাজ আছে সে সকল জাহাজের জন্য সরকারি ফি আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হয়। এবং সেটি হওয়ার জন্য অধীনস্থ ওদেরকে এক হাজার করে দিতে হয়। এবং তাদের থেকে কোন ধরনের সাহায্য যেতে হয় প্রতিবার কমিশন দিতে হয়
For price Declaration approval
সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস স্টেশন এ একটি ফুড সাপ্লিমেন্ট এর পণ্য চালান ছাড় করতে আমার কাছে ততকালীন ডিসি — আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। না দেওয়াতে আমার চালান ৪মাস আটকে রাখে পরবর্তীতে নতুন সহকারী কমিশনার মহোদয় সানুগ্রহে চালান খালাস করি।
এই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স দিয়ে পণ্য খালাসে কাস্টমস হাউসের সকল বিভাগ কে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে- যেমন কুরিয়ার ইউনিটে ডেলিভারি গেইট এসটি/ সিএফও এসেসমেন্ট টিম সকল, এসি —- এসি —, এসি —, ও সিপাই গুলো কোটি কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্যে লিপ্ত। তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডে জন্য রাষ্ট্র রাজস্ব আহরণে বর্থ হচ্ছে এই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স ১,- পলাশ এন্ড কোং ২,এম/ এস খান এন্ড কোং ৩,ইউনিভার্সেল এক্সপ্রেস এজেন্সী ৪,এম/এস এস বি খান। দিয়ে ঘুষ বানিজ্য হয় এবং সেই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স গুলো দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছে।
ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য গিয়েছিলাম, ১০ হাজার টাকা দাবি করে আমি ১০-১৫ দিন ঘোড়া ঘুরির পর ৭ হাজার টাকা প্রদান করি।
Bond license renewal korte taka
দুর্নীতি প্রতিরোধ করার জন্য, সরকার অনলাইনে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করেছে। তার পরেও সরাসরি গিয়ে দেখা করে ব্যবসা ভেদে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ,তাঁহার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে বিভিন্ন ভুল ধরার চেষ্টা করে। যদি কিছু নাও পায়, তখন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কত স্কারফিট আছে সেইটা মাপামাপি করে। যদি বাথরুমের কার্নিশ বাদ যার, তার জন্য বাড়ি ভাড়া ট্যাক্স ফকির মামলা দিবে। ঢাকাতে যত কাস্টমস অফিস আছে, ১-১৫ তারিখে গেলে বুঝা যায়। কি পরিমাণ ঘুষ খাচ্ছে তারা।
লাইসেন্স শাখা , বিল অব এন্ট্রি এসেসমেন্ট টিম সকল, ও ডেলিভারি গেইট এসটি /সিএফও / সিপাই সহ প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হচ্ছে এতে রাষ্ট্রের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।। তদন্ত করা হলে সব উদঘাটন হবে প্রমান সহ।।
babar nam change korar jonno 1500 taka demand kore
বিন আবেদন সরকারিভাবে সম্পূর্ণ ফ্রি এবং অনলাইনে হয়। কিন্তু বাস্তবে দালাল বা টাকা ছাড়া হয় না। আমার আবেদনের সবকিছু ঠিক ছিল এবং কোন ভুল ধরতে পারতে ছিল না, শেষে কোন ভুল না পেয়ে লিখেছে অফিসে যোগাযোগ করুন। অফিসে যখন গেছে বসে অমুক কম্পিউটার ফোটার সাথে যোগাযোগ করুন। এগুলো অনলাইনে সম্পূর্ণ ফ্রি এমনি বলে যে কিন্তু এটা করতে গেলে বিভিন্ন স্যারের সাইন এর জন্য নাকি টাকা দিতে হয়।টাকা দিতে হয়, এখন আপনার প্রয়োজন হলে আপনি পড়ান না করলে আমাদের কিছু করার নেই