নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য গিয়েছিলাম, ১০ হাজার টাকা দাবি করে আমি ১০-১৫ দিন ঘোড়া ঘুরির পর ৭ হাজার টাকা প্রদান করি।
এই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স দিয়ে পণ্য খালাসে কাস্টমস হাউসের সকল বিভাগ কে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে- যেমন কুরিয়ার ইউনিটে ডেলিভারি গেইট এসটি/ সিএফও এসেসমেন্ট টিম সকল, এসি —- এসি —, এসি —, ও সিপাই গুলো কোটি কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্যে লিপ্ত। তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডে জন্য রাষ্ট্র রাজস্ব আহরণে বর্থ হচ্ছে এই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স ১,- পলাশ এন্ড কোং ২,এম/ এস খান এন্ড কোং ৩,ইউনিভার্সেল এক্সপ্রেস এজেন্সী ৪,এম/এস এস বি খান। দিয়ে ঘুষ বানিজ্য হয় এবং সেই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স গুলো দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছে।
দুর্নীতি প্রতিরোধ করার জন্য, সরকার অনলাইনে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করেছে। তার পরেও সরাসরি গিয়ে দেখা করে ব্যবসা ভেদে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ,তাঁহার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে বিভিন্ন ভুল ধরার চেষ্টা করে। যদি কিছু নাও পায়, তখন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কত স্কারফিট আছে সেইটা মাপামাপি করে। যদি বাথরুমের কার্নিশ বাদ যার, তার জন্য বাড়ি ভাড়া ট্যাক্স ফকির মামলা দিবে। ঢাকাতে যত কাস্টমস অফিস আছে, ১-১৫ তারিখে গেলে বুঝা যায়। কি পরিমাণ ঘুষ খাচ্ছে তারা।
আমার ইউটিউব মনেটাইজেশন হওয়ার পর, ইউটিউব থেকে ইন্টারন্যাশনাল পোস্টের মাধ্যমে অফলাইন কোড পাঠায়। কাস্টমস অফিসের একজন চিঠিটা খুলে আমার কাছে ৫০০ টাকা চায় কোড এর জন্য। পরে টাকা দিলে আমাকে কোড এর ছবি পাঠায়। চিঠিটা কখনোই আমার হাতে পৌছায়নি। কাস্টমস এ গ্রাহকের চিঠি এরকম অনুমতি ছাড়া খুলে দেখার ক্ষমতা দেখে আমি বিস্মিত হয়ে যায়। কোনো জবাবদিহি নাই।
প্রতিমাসে দিনাজপুর সদর ভ্যাট উত্তর সার্কেল ( বালুয়াডাঙ্গা) অফিসে দিনাজপুর সদরের প্রতিটি হোটেল এবং রেস্তোরাঁ থেকে ভ্যাটের চালান পোস্টিং দেয়ার সময় প্রতিটি হোটেল / রেস্তোরাঁর চালানের কমপক্ষে ৫০% ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ প্রদানের কোনো প্রকারের অপারগতা প্রকাশ করলেই, নানান অজুহাতে ভ্যাটের পরিমাণ ৩০০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করার মৌখিক অলিখিত কথা বলেন। এটি প্রতিমাসেই একটি চলমান প্রক্রিয়া।
একটি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য ফাইল জমা করা হয়। লাইসেন্স শাখার জনৈক কর্মকর্তা ফাইল উপরে তোলার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় ফাইলটি ঝুলিয়ে রেখেছেন। আবেদন পত্রটি এখনো কর্তৃপক্ষের টেবিলে যায়নি তিন মাস হল। তিনি আমার প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।
বিন বাতিল করার জন্য ২৫ হাজার টাকা নিয়েছিল। দুই বছর আগের করা আবেদনের ভোগান্তি, অবশেষে ২৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমদানিকৃত কাঁচামাল বন্দর থেকে খালাস করার জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি প্রয়োজন ছিল এ জন্য টাকা দিতে হয়েছে। পুরাতন ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করার জন্য কাস্টমস অফিসারদেরকে (ঢাকা উত্তর) টাকা দিতে হয়েছে।
অভিযোগ : ০১ আমদানিকৃত কাঁচামাল বন্দর থেকে খালাস করার জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি প্রয়োজন ছিল ব্যাংক গ্যারান্টি অনুমোদনের জন্য কাস্টমস (ঢাকা উত্তর) অফিসারদের (ARO, RO) কে টাকা দিতে হয়েছে। অভিযোগ : ০২ পুরাতন ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করার জন্য কাস্টমস (ARO, RO, A/C) অফিসারদের টাকা দিতে হয়েছে।
Taka cheyechiko directly
Direct taka cheyechilo
IGM submission করতে গিয়ে BIN নাম্বার ভুল হলে সেটা পরিবর্তন করার জন্য চেষ্টা করি এবং অনেক টাকা জরিমানা চলে আসে সময় মত মালামাল খালাস করতে না পারার কারণে এবং অনেক চেষ্টা এবং অবৈধ ভাবে টাকা দিতে রাজি হওয়ায় তারপর এটি পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে।
২০১৬ সালে বন্দর সিকিউরিটি গার্ড এ আমি শারীরিক এবং মৌখিক এ উত্তির্ন হয়, চাকুরী নিশ্চিত করতে আমার কাছ থেকে ৬লাখ টাকা দাবি করে আমি দিতে পারিনি
Anual Bond Audit, wanted 12 lac, settlement 10.525 lac
অভিযোগের সারসংক্ষেপ চট্টগ্রাম ইপিজেড (CEPZ)-এ কাস্টমস বন্ড তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা,উপ-কমিশনার (DC), সহকারী কমিশনার (AC), রাজস্ব কর্মকর্তা (RO) এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (ARO)-দের বিরুদ্ধে বার্ষিক কাস্টমস অডিট ফাইল স্বাক্ষর ও বন্ড লাইসেন্স নবায়নে বাধ্যতামূলকভাবে ঘুষ আদায় এবং মানসিক হয়রানির অভিযোগ। দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র ও হয়রানির কৌশল বার্ষিক কাস্টমস অডিট অনুমোদন: অডিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নথিপত্রে শুধুমাত্র স্বাক্ষর প্রদান করার জন্য প্রতি বছর DC, AC, RO এবং ARO,এই চার স্তরের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট অংকের ঘুষ প্রদান করতে হয়। বন্ড লাইসেন্স নবায়ন: সাধারণ বন্ড লাইসেন্স নিয়মিত নবায়ন ও প্রশাসনিক অনুমোদনের সময় প্রতিটি ফাইলে সই আদায় করতে আলাদাভাবে অর্থ লেনদেন করতে
UP, Bond Annual Audit, Any kind of service, Ghush start from Despatch, then Shaka, ARO, ARO, Sonic, PS, DC ...
Bond licences renewal
ফ্রেইটের লাইসেন্স নবায়ন বাবদ পরিশোধ.. টাকার পরিমান কিছু কিছু ক্ষেত্রে কম হয় না বেশি হয়.. শাখার পিয়ন ফাইল খোজার জন্য, তারপরে কম্পিউটার অপারেটরে নোট করার জন্য, তারপরে শাখা সুপারিন্টেন্ডেন্ট, এআরও, এসিপি, এসিপি পিয়ন, এডিসি পিয়ন ও পিএ.. আল্লাহ রক্ষা করছে এডিসি স্যার এ বাবদ নেয় না.. ফাইল প্রসেসের সময় সব টাকা একসাথে দিয়ে দিতে হয়, তারপরে তারা ভাগ করে নিয়ে নেয় আর ফাইলের কাজ শেষ করে লাইসেন্স এনে দেয়.. নবায়নের ক্ষেত্রে এ অবস্থা নতুন দেওয়ার অবস্থা আশা করি রিপোর্ট পাবো, দেখার অপেক্ষায়..
ব্যাংকে ভ্যাটের টাকা জমা দিয়ে কর চালানপত্র মূসক ৬.৩ তে রাজস্ব কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিতে গেলে উনি প্রতিবার স্বাক্ষর দিয়ে সরাসরি ১০০০ টাকা দাবি করে বসে। এখানেই শেষ নয়, স্বাক্ষর দিলেও ভদ্রলোকের সিল দরজার সামনে পিয়নের কাছে থাকে, উনিও শুধু সিল দেওয়ার জন্য সমপরিমান টাকা চেয়ে বসে।
আমার সঠিক এইসএসকোড কে পরিবরতন করে জরিমনা আদায় করতে চেয়েছিল। ১৫ দিন পর ৫,০০,০০০ টাকা দিয়ে মালামাল ছাড় করিয়েছি।