সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

২৭৬ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
কাস্টমস অফিস

ওভারলোড এক্সেল

গাড়িতে ওভারলোড হলেই ১০০ কেজি হোক বা ২০০ কেজি হোক ওভার একটু লোড হলেই ঝামেলা হয় ওইখানে অনেক গুলা দালাল আছে

ঘুষ দিয়েছি
দারোগারহাট ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

পণ্য ছাড় করতে

বন্ডের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য কাস্টমস ছাড় করতে সর্বনিম্ন ৩০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত লাগে (পণ্য ভেদে)। যেটা আমরা প্রতিনিয়ত করে থাকি। আমি পরিশোধ কেনো করেছি? টাকা পরিশোধ না করলে পণ্য ছাড় করানো সম্ভব না তাতে করে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাধাগ্রস্থহবে। বন্ডের পণ্য বাদে অন্য পণ্যের ফাইল ছাড়াতে টাকার হিসাব আনলিমিটেড।

ঘুষ দিয়েছি
যশোর, বেনাপোল ৳৩.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

দর্শনা বর্ডারে ঘুষ

আমরা ইন্ডিয়া মেডিকেল পারপাসে যাই। আমাদের ভিশা ওকে ছিল। দর্শনা ইমিগ্রেশনের পুলিশ আমাদের প্রফেশন নিয়ে জেড়া শুরু করে। আমাদের NOC ছিল না বিধায় আমাদের আটকে দেয়।। আমাদের আগে থেকেই কিছু দরবেশ দের সাথে। পরে দরবেশ এটার মধ্যস্থতা করে আমাদের ইমিগ্রেশান এর ক্লিয়ারেন্স নিয়ে দেয় আর ৩০০০ টাকা ঘুষ অফিসার দেয়া হয়। সেটা অফিসের ভিতরে না, পাশের দোকান গুলো তে দরবেশ রা থাকে। এখানে অফিসারেরা নিজেরা ঘুষ টা নেয় না। অদের সাথে দরবেশ দের ভাল কানেকশন থাকে। তারা ভিতরে গিয়ে অথবা সুবিধা মতন সময় তাদের উতকোচ সরবরাহ করে।। আপনি পরিচিত নিজে গেলে সেখানে হেরেজ হবে। একমাত্র দরবেশ ছাড়া দ্রুত ইমিগ্রেশান পার করা যায় না।। বাহিরে যেতে এত গুলা কাগজ লাগে। কোন না কোন কাগজে ঝামেলা থাকেই। এগুলা র জন্য আটকে এরা হেরেজ করতে থাকে।।

ঘুষ দিয়েছি
চুয়াডাংগা ৳৩.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

প্রতি মাসে রিটার্ন দাখিল করার পরে

প্রতি মাসে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার পরে বিভিন্ন কর্মকর্তাদের এই টাকা বন্টন করে দিতে হয়। না হয় অফিসে এসে নানান ধরনের হয়রানি করার হুমকি দেয়।

ঘুষ দিয়েছি
হবিগঞ্জ ৳৩০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

IRC

আমি আইআরসি করতে গেছিলাম পঞ্চাশ লাখ টাকার ডকুমেন্ট তৈরি করেছি যার সরকারি ট্রেজারি চালান ছিল 27500/ টাকা আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।

ঘুষ দিয়েছি
Rajshahi ৳২.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

VAT Return

এখানে এক বছরের হিসাব আছে, প্রতিমাসে ভ্যাটি টান সাবমিট করতে হলে প্রত্যেক কোম্পানিকে ভ্যাটি ARO কে ১৫০০ টাকা এবং অফিস খরচের জন্য সিল দিতে আরো ৫০০ টাকা দিতে হয় । এর আগে আমরা সাভার ভ্যাট অফিসে ভ্যাট জমা দিতাম সেখানেও একই সিস্টেম, প্রত্যেক রিটার্নের জন্য ২০০০ টাকা করে লাগে । টাকা না দিলে অডিটের ভয় দেখায় ।

ঘুষ দিয়েছি
আশুলিয়া ভ্যাট অফিস ৳৩০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

ইম্পোর্ট ডকুমেন্ট

একটা ইমপোর্ট ডকুমেন্ট, যেখানে একটা আইটেম উল্লেখ করা হয়েছে। কাস্টম অফিসার এটার ক্যাটালগ দাবি করেছিল। কিন্তু মূলত এই ক্যাটালগটা সহজে হয় না, কারণ এটা এমন কিছু কিছু অংশ বাইরে থেকে কিনে তারপর একসাথে করা হয়। অফিসার দাবি করছে এটা ডিউটি দিতে হবে যার মূল্য প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার মত। আবার ইমপোর্টার এই পণ্যটি শুল্কমুক্ত হিসেবে পায়। কোনভাবে কাস্টমার অফিসার কে বোঝানো যাচ্ছে না যে, যেভাবে ক্যাটালগ চাচ্ছে সেভাবে হয় না। তবে উনাকে একটা ক্যাটালগ বানিয়ে দিয়েছিল কিন্তু সেটাও মেনে নিচ্ছে না। যার কারণে দুই লাখ সত্তর হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳২.৭০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

পন্য আমদানি

কলকাতায় বেড়াতে গিয়ে, একটি নুডুলস মেকার এবং একটি মিট গ্রাউন্ডার মেশিন কিনে লাগেজে ভরে দেশে ফেরার পথে পেট্রাপোল কাস্টমস লাগেজ চেকিংয়ে আটকে দেয়, পরবর্তীতে দাবী বেশি থাকলেও রিকোয়েস্ট করে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে মেশিন দুইটা নিয়ে আসি।

ঘুষ দিয়েছি
যশোর ৳১.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

লোকাল গার্মেন্টস রপ্তানি অনুমতির জন্য প্রতি ডুকুমেন্ট এর জন্য দিতে হয়।

প্রতি ডুকুমেন্টস এর লোকাল গার্মেন্টস বিশেষ করে দুবাই বা মালয়শিয়ারবা আফ্রিকার গার্মেন্টস রপ্তানীতে এই টাকা দিতে হবে।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ইনকন্ট্রেড এবং নেমসন ডিপু ৳৭০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

বিল অফ এন্ট্রি

এখানে প্রতি বিল অফ এন্ট্রি করতে টাকা প্রদান করতে হয় ডাটা এন্ট্রি অপারেটর দের টাকা না দিলে তারা নানা ভাবে কাজের সময় খ্যাপন করেন ।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা কাস্টমস হাউজ DTI ৳৫০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

এক্সপোর্ট

আমি পঁচিশ বছরের পুরাতন মেশিনারি এক্সপোর্ট করতে চেয়েছি, যার আয়ুষ্কাল আর ও দশ বছর আগে শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু রপ্তানি নীতি অনুযায়ী এই পন্যের মূল্য নিশ্চিত করবেন একজন আন্তর্জাতিক মানের সার্ভে প্রতিষ্ঠান যারা বাংলাদেশে কাষ্টমসের অন্তর্ভুক্তি থাকুন। রপ্তানি নীতি অনুযায়ী, ব্যাবহার যোগ্য মেশিনারি এক্সপোর্ট এ কোন বাধা নেই, তারপর ও আই সিডি, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস এর অফিসাররা ছয় লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে আমার পন্য খালাশ এর অনুমতি দেন।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রামে ৳৬.০০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

চট্রগ্রাম কাস্টম হাউজের নিচে আমদানি শুল্ক পরিশোধকৃত পে-অডার সোনালী ব্যাংকে জমা

সোনালী ব্যংকে যখন কাস্টম শুল পরশোধের পে - অডার জমা করা হয়। ব্যাংক কমকর্তা ইইচ্ছাকৃত ভাবে সময় নস্ট করে। ১০০টাকা নগদ ঘুষ দিলে ১ ঘন্টার মধ্য দিয়ে দেয়,২০০টাকা দিলে ৩০মিনিট,টাকা না দিলে তাহাদের যখন খুশি

ঘুষ দিয়েছি
চট্রগ্রাম ৳১০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

মাসিক ভ্যাট রিটার্ণ জমা

প্রতি মাসে মাসিক ১৩,০০০.০০ টাকা করে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, রাজস্ব কর্মকর্তা ও অফিস সহকারীরা ঘুষ গ্রহন করে থাকে।

ঘুষ দিয়েছি
কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিস, গাজিপুর। ৳১৩.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

মাসিক রিটার্ন জমা

ব্যাংকে ভ্যাট দেওয়ার পরে রিটার্নের হার্ডকপি ভ্যাট অফিসে জমা দিতে হয়, সেটা রিসিভ করতে এআরওকে প্রতিমাসে ৪ হাজার টাকা করে দিতে হয়।৬০ মাসে ২৪০০০০ টাকা দিয়েছি।বর্তমানে অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ার পরেও তাদের হার্ডকপি দিতে হয়, মাসিক ঘুষও দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
Mymensingh ৳২.৪০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

ব্ল্যাকমেইল

নিয়মিত ভ্যাট প্রদানের পরও হটাৎ এআরও দোকানে এসে খাতাপত্র নিয়ে যায়,তারপর বলে আপনারা যে ভ্যাট দেন তার পরিমাণ কম আপনাদের ৫ লাখ টাকা আরও ট্রেজারী চালান করতে হবে।সন্ধ্যার পর দেখা করেন বিস্তারিত বলছি।সন্ধ্যার পর দেখা করলে ২লাখ টাকা ঘুষ চাই অন্যথায় মামলার ভয় দেখায় বাধ্য হয়ে ১৫০০০০ টাকা দেই।

ঘুষ দিয়েছি
Mymensingh ৳১.৫০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

Vat return submit to Noakhali sadar VAT office

প্রিয় স্যার, আসসালামু আলাইকুম! আশাবাদী ভাল আছেন। দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে ভাল রাখেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ পাই নি। তবে বিবেকের তাড়নায় লিখাটা লিখেছে বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষিতে। আপনার সুনজর একটি সুন্দর নিয়ম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিবে এই আশা করে লিখাটা লিখলাম। আপনার আশু ব্যবস্থা ও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য। NBR এর লোকজন প্রাইভেট কোম্পানি গুলোকে যেভাবে অভিযান পরিচালনা করে ঘুষ খাওয়ার জন্য অপ্রয়োজনীয় অফিসে হয়রানি করে যার ফলে কর্ম পরিবেশ নষ্ট হয়, তার বিরুদ্ধে সরকারকে নতুনভাবে নীতিমালা প্রনয়ণ করা উচিৎ। NBR এর অফিসার রা ডিসি সহ প্রাইভেট কোম্পানিতে অভিযান চালিয়ে অফিসের বিভিন্ন টেবিল থেকে নিজ হাতে কাগজপত্র এবং ডকুমেন্

ঘুষ দিয়েছি
Noakhali maijdee ৳২০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

EPZ

Epz কুমিল্লা, এখানে দুর্নীতির স্বর্গ রাজ্য বানিয়ে রেখেছে। বাহিরের কোন সাপ্লায়ার কাজ করতে গেলেই তাদের কে টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কিছু করা যায় না।

ঘুষ দিয়েছি
Cumilla ৳৪৭.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য