17,325 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বিগত মাসের ভ্যাট রিটার্ন পোস্টিংয়ের জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবী করে,উপায় না দেখে দিয়েছি বিকাশে প্রমানও আছে।
ert74567r5yrtyrtyyyyyyyyyyyyyyyyyyyyyyyy
কাষ্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিস আজিমপুর সার্কেল এর সুপার দুইটি প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব আদায়ের নামে পরিদর্শনে যায়, পরে তার অফিসে ডেকে রাজস্ব ফাঁকির মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে, পরে সেটি আমি ৪৫,০০০ টাকায় দফারফা করি। উল্লেখ্য, সুপার সাহেব সরকারি অফিসে বসেই দেদারসে ধুমপান করে থাকে। আরও উল্লেখ্য, উক্ত সার্কেল অফিসে যারাই সুপার হিসেবে পোষ্টিং হয়ে আসে, তাদের এই ঘুষ খাওয়ায় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যেতে সাহায্য করে উক্ত সার্কেল অফিস এর পিয়ন কম্পিউটার অপারেটর — নামক ব্যক্তি, যে আউটসোর্সিং নিয়োগের মাধ্যমে অত্র সার্কেলে চাকুরী করে এবং অফিসারদের ঘুষ লেনদেনে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে থাকে, তার মোবাইল নাম্বার: [redacted]
তাদের ঘুষ না দিলে তারা কাজ করতে চায় না সহজে সাহায্য করে না। ঘুষ না দিলে তা প্রতিষ্ঠানের নাম আলাদা জায়গায় লিখে রাখে।
Every UP korte lage TK7500 & Yearly Audit korte gush lage at least 10,000,00/- akhane ghus sara kaw e kaj kore na. Office peon & security proti UP purpose nay 500 kore, Inspector nay 1000 kore, DC bay 5000 kore & acara aya bua ra o taka sara kotha koy na... Every day kom kore 200 UP hoy 2 circle a, hisab korle 200x7500=15,00,000/- takar gush hoy sudhu UP sector a. License renewal a every day 50 ta hole 50x10,1000,00=5,00,00,000/- 5 crore takar ghus banijjo akha a hoy. dekhar kaw nai....er jonno garments er product price bare jacce amra worldwide market dhorte parsi na...goverment er onk loss hocce.. please oy office birodhe kisu action nan tara tari.....
ভ্যাট রিলেটেড সমস্যা ছিলো। আমার সব কিছু ভিক থাকার পরেও তারা আমাদের বিভিন্ন ভুল ধরে এবং ৪০ লাখ টাকা ঘুষ চায়। ডিসি তার চামচা দিয়ে এইটা চায় আমাদের কাছে। সাভার ভ্যাট অফিস
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট (উত্তর ও দক্ষিণ) এ প্রতিদিন গড়ে ৩৫০-৪০০ টি ইউপি (ইউটিলাইজেশন পারমিশন) হয়ে থাকে। সরকারি কোষাগারে ইউপি প্রতি ২০/- টাকা জমা পরে। বিপরীতে কাস্টমস কর্মকর্তারা ইউপি প্রতি প্রতিষ্ঠান ভেদে ৬,০০০/- টাকা নিয়ে থাকে। এছাড়াও উপ-কমিশনার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে মাসিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান প্রতি ২০,০০০/- - ৫০,০০০/- টাকা নিয়ে থাকেন। এছাড়াও বন্ড ক্লাবের নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লক্ষাধিক টাকা প্রতি মাসে চাঁদা নিয়ে থাকেন। এ বছর জানুয়ারী হতে অনলাইনে ইউপি সংক্রন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ফাইল অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হয় না। টাকা না দিলে ফাইল অনুমোদন হয় না।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের লাইসেন্স শাখায় আমার Freight Forwarding লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান যে, গত দুই মেয়াদে লাইসেন্স নবায়ন না করায় আমার কাছ থেকে ৫,০০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। তারা স্পষ্টভাবে বলেন, এই টাকা না দিলে আমার লাইসেন্স নবায়নের কাজ তারা করবেন না। পরবর্তীতে আলোচনার পর তারা ৪,৫০,০০০ টাকা চূড়ান্তভাবে দাবি করেন এবং জানান যে, এর চেয়ে কম টাকা দিলে তারা আমার লাইসেন্স নবায়ন করবেন না। আমি বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে চাই এবং অনুরোধ করছি, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
প্রতি মাসে রিটার্ন সাবমিট করতে গেলে কাস্টমস কর্মকর্তা কে ১৫০০ টাকা দিতে হই। এখন তার দাবি স কিছুর দাম বেরেছে তাই তার টাকা অ কিছু বাড়াতে হবে। অফিস এর পিওন ও টাকা চাই, যদি বলি কিসের টাকা , বলে সবাই তো দেই।
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ভ্যাটের জরিমানা হওয়ায় তা সেটেলমেন্টর জন্য পার্সোনালি ভয়ভীতি দেখিয়ে নেওয়া হয় প্রায় সবমিলিয়ে 1 লাখের মতো। অথচ কোষাগারে 1 টাকাও জমা হয়নি।