নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Bond license renewal korte taka
ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য গিয়েছিলাম, ১০ হাজার টাকা দাবি করে আমি ১০-১৫ দিন ঘোড়া ঘুরির পর ৭ হাজার টাকা প্রদান করি।
দুর্নীতি প্রতিরোধ করার জন্য, সরকার অনলাইনে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করেছে। তার পরেও সরাসরি গিয়ে দেখা করে ব্যবসা ভেদে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ,তাঁহার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে বিভিন্ন ভুল ধরার চেষ্টা করে। যদি কিছু নাও পায়, তখন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কত স্কারফিট আছে সেইটা মাপামাপি করে। যদি বাথরুমের কার্নিশ বাদ যার, তার জন্য বাড়ি ভাড়া ট্যাক্স ফকির মামলা দিবে। ঢাকাতে যত কাস্টমস অফিস আছে, ১-১৫ তারিখে গেলে বুঝা যায়। কি পরিমাণ ঘুষ খাচ্ছে তারা।
একটি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য ফাইল জমা করা হয়। লাইসেন্স শাখার জনৈক কর্মকর্তা ফাইল উপরে তোলার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় ফাইলটি ঝুলিয়ে রেখেছেন। আবেদন পত্রটি এখনো কর্তৃপক্ষের টেবিলে যায়নি তিন মাস হল। তিনি আমার প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।
আমার ইউটিউব মনেটাইজেশন হওয়ার পর, ইউটিউব থেকে ইন্টারন্যাশনাল পোস্টের মাধ্যমে অফলাইন কোড পাঠায়। কাস্টমস অফিসের একজন চিঠিটা খুলে আমার কাছে ৫০০ টাকা চায় কোড এর জন্য। পরে টাকা দিলে আমাকে কোড এর ছবি পাঠায়। চিঠিটা কখনোই আমার হাতে পৌছায়নি। কাস্টমস এ গ্রাহকের চিঠি এরকম অনুমতি ছাড়া খুলে দেখার ক্ষমতা দেখে আমি বিস্মিত হয়ে যায়। কোনো জবাবদিহি নাই।
অভিযোগ : ০১ আমদানিকৃত কাঁচামাল বন্দর থেকে খালাস করার জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি প্রয়োজন ছিল ব্যাংক গ্যারান্টি অনুমোদনের জন্য কাস্টমস (ঢাকা উত্তর) অফিসারদের (ARO, RO) কে টাকা দিতে হয়েছে। অভিযোগ : ০২ পুরাতন ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করার জন্য কাস্টমস (ARO, RO, A/C) অফিসারদের টাকা দিতে হয়েছে।
আমদানিকৃত কাঁচামাল বন্দর থেকে খালাস করার জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি প্রয়োজন ছিল এ জন্য টাকা দিতে হয়েছে। পুরাতন ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করার জন্য কাস্টমস অফিসারদেরকে (ঢাকা উত্তর) টাকা দিতে হয়েছে।
Taka cheyechiko directly
Direct taka cheyechilo
বিন বাতিল করার জন্য ২৫ হাজার টাকা নিয়েছিল। দুই বছর আগের করা আবেদনের ভোগান্তি, অবশেষে ২৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
প্রতিমাসে দিনাজপুর সদর ভ্যাট উত্তর সার্কেল ( বালুয়াডাঙ্গা) অফিসে দিনাজপুর সদরের প্রতিটি হোটেল এবং রেস্তোরাঁ থেকে ভ্যাটের চালান পোস্টিং দেয়ার সময় প্রতিটি হোটেল / রেস্তোরাঁর চালানের কমপক্ষে ৫০% ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ প্রদানের কোনো প্রকারের অপারগতা প্রকাশ করলেই, নানান অজুহাতে ভ্যাটের পরিমাণ ৩০০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করার মৌখিক অলিখিত কথা বলেন। এটি প্রতিমাসেই একটি চলমান প্রক্রিয়া।
IGM submission করতে গিয়ে BIN নাম্বার ভুল হলে সেটা পরিবর্তন করার জন্য চেষ্টা করি এবং অনেক টাকা জরিমানা চলে আসে সময় মত মালামাল খালাস করতে না পারার কারণে এবং অনেক চেষ্টা এবং অবৈধ ভাবে টাকা দিতে রাজি হওয়ায় তারপর এটি পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে।
UP, Bond Annual Audit, Any kind of service, Ghush start from Despatch, then Shaka, ARO, ARO, Sonic, PS, DC ...
২০১৬ সালে বন্দর সিকিউরিটি গার্ড এ আমি শারীরিক এবং মৌখিক এ উত্তির্ন হয়, চাকুরী নিশ্চিত করতে আমার কাছ থেকে ৬লাখ টাকা দাবি করে আমি দিতে পারিনি
Anual Bond Audit, wanted 12 lac, settlement 10.525 lac
অভিযোগের সারসংক্ষেপ চট্টগ্রাম ইপিজেড (CEPZ)-এ কাস্টমস বন্ড তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা,উপ-কমিশনার (DC), সহকারী কমিশনার (AC), রাজস্ব কর্মকর্তা (RO) এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (ARO)-দের বিরুদ্ধে বার্ষিক কাস্টমস অডিট ফাইল স্বাক্ষর ও বন্ড লাইসেন্স নবায়নে বাধ্যতামূলকভাবে ঘুষ আদায় এবং মানসিক হয়রানির অভিযোগ। দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র ও হয়রানির কৌশল বার্ষিক কাস্টমস অডিট অনুমোদন: অডিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নথিপত্রে শুধুমাত্র স্বাক্ষর প্রদান করার জন্য প্রতি বছর DC, AC, RO এবং ARO,এই চার স্তরের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট অংকের ঘুষ প্রদান করতে হয়। বন্ড লাইসেন্স নবায়ন: সাধারণ বন্ড লাইসেন্স নিয়মিত নবায়ন ও প্রশাসনিক অনুমোদনের সময় প্রতিটি ফাইলে সই আদায় করতে আলাদাভাবে অর্থ লেনদেন করতে
বিগত মাসের ভ্যাট রিটার্ন পোস্টিংয়ের জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবী করে,উপায় না দেখে দিয়েছি বিকাশে প্রমানও আছে।
Bond licences renewal
কাষ্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিস আজিমপুর সার্কেল এর সুপার দুইটি প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব আদায়ের নামে পরিদর্শনে যায়, পরে তার অফিসে ডেকে রাজস্ব ফাঁকির মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে, পরে সেটি আমি ৪৫,০০০ টাকায় দফারফা করি। উল্লেখ্য, সুপার সাহেব সরকারি অফিসে বসেই দেদারসে ধুমপান করে থাকে। আরও উল্লেখ্য, উক্ত সার্কেল অফিসে যারাই সুপার হিসেবে পোষ্টিং হয়ে আসে, তাদের এই ঘুষ খাওয়ায় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যেতে সাহায্য করে উক্ত সার্কেল অফিস এর পিয়ন কম্পিউটার অপারেটর — নামক ব্যক্তি, যে আউটসোর্সিং নিয়োগের মাধ্যমে অত্র সার্কেলে চাকুরী করে এবং অফিসারদের ঘুষ লেনদেনে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে থাকে, তার মোবাইল নাম্বার: [redacted]
ব্যাংকে ভ্যাটের টাকা জমা দিয়ে কর চালানপত্র মূসক ৬.৩ তে রাজস্ব কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিতে গেলে উনি প্রতিবার স্বাক্ষর দিয়ে সরাসরি ১০০০ টাকা দাবি করে বসে। এখানেই শেষ নয়, স্বাক্ষর দিলেও ভদ্রলোকের সিল দরজার সামনে পিয়নের কাছে থাকে, উনিও শুধু সিল দেওয়ার জন্য সমপরিমান টাকা চেয়ে বসে।