নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জীবনে ঘুষ দেওয়ার দুইটি ঘটনা ঘটেছে। ১/ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেছে এস আই ১০০০ টাকা ছাড়া দিবে না। আমার জরুরি দরকার ছিলো পরে দিতে হইছে। ২/ কাস্টম অফিসে Bin সার্টিফিকেট করতে গেছে ৩০০০ হাজার টাকা দিতে হইছে৷
প্রতিমাসে সকরকারী ভ্যাট অনলাইনে জমা দেওয়ার পর, ভ্যাট চালানে সাইন করার জন্য ১১০০০/- টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে। যা একটা কোম্পানীর জন্য খুব কষ্টের। শুধু আমি না, আমার মত হাজার হাজার লোক সরকারী লোকের কাছে জিম্মি।
লালবাগ কেল্লার সামনে ও আসে পাশে অনেক খাবার রেস্তোরাঁ আছে, এই সব প্রতিষ্ঠানের কিছু সংখ্যক রেস্তোরাঁয় সরকার কর্তৃক SDC অনলাইন ভ্যাট মেশিন দিয়েছে,,, কিন্তু এর কার্যকর ব্যবহার নাই বললেই চলে, শুধু আমি যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি সেই প্রতিষ্ঠানের থেকে লালবাগ কেল্লার সামনে ভ্যাট ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে প্রতিমাসে 18000 টাকা দিতে হয়,,, আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রতিমাসে সেল 30 লক্ষ টাকা সেখানে রেস্টুরেন্টে 5% হলে 1 লক্ষ 50 হাজার টাকা,, কিন্তু 18 হাজার ঘুষের কারনে সরকারকে 1 লক্ষ টাকা ক্ষতি হচ্ছে,, এইটা একটা প্রতিষ্ঠান আরো অনেক রেস্টুরেন্ট আছে,,
Vat দাখিলা দিতে গেলে পিয়নের কাছে প্রতি বার (প্রতিমাসে মাসে) ১০০-৫০০ টাকা দিতে হয়।ভনা হলে সরাসরি না চেয়ে পাঠিয়ে দেয় এখন কাস্টমস ইনেস্পেক্টরের কাছে,ভাপনার ভ্যাট জতই দিন না কেন, বা ব্যাবসা যেমনি হোক না কেন ইনেস্পেক্ট্র আপনাকে ২০০০-৫০০০/-(মাঝারি/ছোট ব্যাবসায়) জমা দিতে বলে ব্যাংকে অন্যথায় নানা ভয় দেখায়। কিন্তু পায়নকে ঘুস দিলে ২০০০/--৫০০০/- আর দিতে হয় না বা ইনেস্পেক্ট্রের কাছে যেতে হয় না!
প্রতি মাসে মাসিক ভ্যাট রিটার্ন বাবদ আমাদের তিন কোম্পানি কাছ থেকে ৩৪০০০ টাকা দাবি। সাভার আশুলিয়া সার্কেল কাস্টমস Revenue officer ১৫০০০৳, কাস্টমস Assistant revenue Officer ১৫০০০৳ এবং কাস্টমস কম্পিউটার অপারেটর ২০০০৳ আর কাস্টমস অফিস পিওন ২০০০৳। যা আমাকে প্রতি মাসেই তা প্রধান করতে হয়।
আই সি ডি কাস্টমস হাউজে পোর্টে চায়না থেকে Lug cap আমদানি করি যাহার custom value ছিল USD.2.10/kg. সেই অনুযায়ী আমি যাবতীয় ডকুমেন্ট সাবমিট করি এবং ডিউটি প্রদানের জন্য আবেদন করি। কাস্টমস হাউজের A to Z সকলের পক্ষে একজন ঘুষ দাবি করে 2.50 লক্ষ টাকা। এই টাকা দিতে আমি অপারগ হই তাতে অফিসার ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ডিউটির পরিমান তিন গুন বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ভয় দেখায়। আমি ব্যবসায়ি। এত বেশি ডিউটি প্রদান করলে আমার অনেক ক্ষতি হবে ওনাদের জানাই। ওনারা আমার কোন অনুরোধ রাখল না। আমি শুধু ওনাদের পা ধরতে বাকি ছিল। তাছাড়া সব ধরনের রেফারেন্স ও চুক্তি দেখাই কিন্তু কিছুতেই ওদের মন গললনা। সকল রেফারেন্স উপেক্ষা করে ওনাদের মন গড়া ডিউটি ধার্য করে ও 50000 টাকা নিয়ে আমার পণ্য ছাড়ের অনুমতি দেয়।
ইন্ডিয়া থেকে মাল আমদানি করার জন্য প্রতি কেজি ক্যাপসিকাম ও বীটরুট সবজি সাফটায় আনার জন্য ৩.৫ টাকা করে কাস্টম অফিসারদের দিতে হচ্ছে। না দিলে বর্ডারে গাড়ি আটকায়ে দিচ্ছে। বাধ্য হয়ে প্রতিদিন সি এন্ড এফ এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হচ্ছে এখনো। আমার প্রতি সপ্তাহে ১০ থেকে ১২ গাড়ি মাল হয়। গড়ে প্রতি সপ্তাহে ১২০০০০ কেজি মাল আমদানি করি ইন্ডিয়া থেকে। প্রতি সপ্তাহে ৪,২০,০০০/-থেকে ৫,০০,০০০/- পযন্ত কাস্টমস কে ঘুষ দেওয়া লাগে
I submitted all documents correctly, but custom office holds my application when I contacted them; they excused the officer change in the other zone, so it took time. its a emagine when I give 3000 BDT, I got it within the next day. It not only ended but also started to offer me to take gush. On the other hand, when I submitted my return, I missed my Dropbox, and it was when I got the certificate. Then again, I contract custom office; they offer gush to correction it wonnership for show up my Drop Box. I have no option but to give 3000 BDT to correct my ownership to show up my Dropbox.
কাস্টম 8D RO একটা কেমিক্যাল আইটেমে ২ লাখ টাকা নিয়েছে না হয় HS CODE change করে জরিমানা করে দিবে বলেছে।
এটি একটি কোম্পানি গামেন্টস সেক্টর এক্সসরিজ অডিট জন্য এই ২০ লক্ষ টাকা ঢাকা উওরা কাস্টমস এক অফিসার দাবী করে এবং এটা কোম্পানি থেকে পরিশোধ করা হয় টাকা না দিলে অডিট পাস করতে চায় না
কাস্টমস মেনিফিস্ট জমা দেওয়ার পরে সেখানে ইম্পোটারের এলসি সংক্রান্ত ইস্যু থাকায় তা সংশোধন এর প্রয়োজন পড়ে। এমতাবস্থায় আমরা যখন সংশ্লিষ্ট আমদানি শাখায় যোগাযোগ করি প্রথমে তারা নানাভাবে ডকুমেন্টসের জন্য হয়রানি করে।তারপর সব ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও তারা সময়ের অপচয় করে যার জন্য আমদানিকারকের শিপিং বিল এবং পোট বিল বাড়তে থাকে এর থেকে দ্রুত মুক্তির আশায় আমদানিকারক উনাদের সাথে কন্ট্রাক্ট করতে বাধ্য হয় যার ফলস্বরূপ ৪০ হাজার টাকা নগদ ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি ভারত যাচ্ছিলাম ঘুরতে , যশোর বেনাপোল সীমান্তে ইমিগ্রেশন পুলিশ, ইমিগ্রেশন সিল দেয়ার জন্য ১০০০ টাকা চেয়েছে, আমি ঐ সময় বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করলে আমার পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ ইমিগ্রেশন সিল দিয়ে দেয়।
বন্ড টু বন্ড ট্রান্সফার এর জন্য দিতে হলো গত ১৮/৮/২০২৬
4.3 declaration purpose tips
এইটা কমন খরচ না দিলে ডুকুমেন্টস এ দাড়ি,কমার কারনে আটকাইয়া রাখে যাত জাহাজীকরন আটকাইয়া যায়। এইটা প্রতি ডুকুমেন্টস খরচ।
ইমপোর্টার মাল ছাড়ানোর জন্য দাবি না দিলে হয়রানি হতে হবে
আমার আমদানী করা মালামালের কাস্টম দিতে গেলে সেখানে কাস্টম হাউজের অফিসার ঘুস চেয়ে বসে থাকে, কারন আমার মালামাল ছিলো ১২ থেকে ১৩ কেটাগরীর তাই এইচএস কোড ছিলো ১২/১৩ টা, তারা বলছে সর্বচ্চো ৩টা এইচএস কোড এর জন্যে ১০০% এক্সাম দিতে হয় না কিন্তু আমার বেলায় ১০০ এক্সাম দিতেই হবে আর আমিও জানি যে আমার যদি ১০০% এক্সাম করে তাহলে আমার মালামাল নষ্ট হয়ে যাবে কারন সেখানে অধিকাংশই ভঙুর টাইপের মালামাল ছিলো তাই ঘুস আমার দিতেই হয়েছে, কিছু দালাল থাকে যাদের সাথে কাস্টম কমিশনার থেকে শুরু করে সহকারী কমিশনার পর্যন্ত যাদের দৌড় থাকে, কমিশনারেরা ডাইরেক্ট ঘুস খায় না কিন্তু তাদের কিছু লেস্পেন্সার নিয়োগ থাকে যারা ঘুস নিয়ে তাদের দিয়ে আসে ও ছাড়পত্রে সাইন করে নিয়ে আসে, যাইহোক এর সমাধান করতে গেলে প্রধানমন্ত্রীর ও চেয়ার যাবে,
ভ্যাট regestration নাই। তাই ঘুষ দিয়ে সব ঠিক করতে হয়েছে।
টাকা না দিলে হয়রানির সম্মুখীন হতে হতো
কম্পিটিটরদের সাথে প্রাইস এডজাস্টমেন্ট করতে না পারলে মার্কেটে টিকা যাবে না তাই তাদের পদ্ধতি ব্যবহার করে সরকারি শুল্ক ফাকি দেয়ার জন্য এই ঘুষ দিতে হয়।