কলেজ এর টিসি
এক কলেজ থেকে অন্য কলেজ এ যাওয়ার সময় টিসি এর আবেদন এর রচিদ দিতে ঘুষ দিতে হয়ছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এক কলেজ থেকে অন্য কলেজ এ যাওয়ার সময় টিসি এর আবেদন এর রচিদ দিতে ঘুষ দিতে হয়ছে
আমি নভেম্বরে 2025 সালে ssc and hsc certificate correction এর জন্য অনলাইন আবেদন করি পরে ২৬|৭|২০২৬ 2.15Pm এ মিটিং ডাকা হয় ঐখানে নিচে ফটোকপির দোকানে একজন আমার কাছে ঘুষ চায় আমাকে বলে ৪০০০ টাকা দেয়ার কথা এবং বোর্ড মিটিং এ উপস্থিত যারা আছে তাদের কাছে আমার id সিরিয়াল নাম্বার দেয়া আছে। আমি টাকা দেইনি। আমার কাগজপত্র সব জমা দিয়েছি বোর্ড রুমে।
আমার সার্টিফিকেট হাড়িয়ে যায, সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে গেলে ঐখানে কর্মরত এক জন আমার কাজ থেকে ১০০০/- টাকা ঘুস নেন।
প্রথমেই বলে নেই শিক্ষা অফিসে সরাসরি কোন টাকা দেই নাই।হেডমাস্টার বাধ্য করেছে। যেহেতু অপশন ছিলো না কাজেইএই অপশন চয়েস করেছি।হেড মাস্টার ম্যানেজিং কমিটির যে সমন্বয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে আছে তার জঘন্যতম আচরণের বহিঃপ্রকাশ হলো ঘুষ।এরা নিজেরা অযোগ্য বলে যোগ্য লোক কেন টাকা ছাড়া চাকরি পাবে, মানতে পারে না।একরকম ঘাড়ে পাড়া দিয়ে টাকা আদায় করেছে ম্যানেজিং কমিটি আর হেড মাস্টার।বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল কলেজগুলোতে এ অত্যাচার অসহনীয়।
একাডেমিক প্রশংসা পএ নেওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছিল
বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসর ও কল্যান এর ভাতার জন্য আবেদন করার পরে ৩০০০০ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে টাকা পেয়েছি।
উচ্চশিক্ষার জন্য সার্টফিকেট এটেস্টেশন করতে গেলে শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনের গার্ড ২০০০ টাকার বিনিময়ে ১ ঘন্টার বিনিময়ে সার্টিফিকেট এটেস্টেশনের জন্য অফার করে।
২.৫ বছর যাবৎ ১৫ থেকে ২০ বার স্বাভাবিক ভাবে আবেদন করে ও বদলি হতে পারিনি,,, শেষে বাদ্য হয়ে শিক্ষা ভবনের ডিজি এবং ডিডিরা,,, টিচারের মাধ্যমে,, পিউনের মাধ্যমে,, অন্যান্য শিক্ষক প্রতিনিধির মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয়,,, আমি ২.৫ লক্ষ টাকা দিয়ে বদলি হতে বাদ্য হয়েছি,,, কারণ আমার নিজ জেলা থেকে ৯ ঘন্টা লাগে কর্মস্থলে যেতে।
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান ট্রাস্ট এ সাধারণ চিকিৎসার জন্য আবেদন করতে বলেছিলাম।অফিস সহকারীকে বিনিময়ে ১০০০ টাকা নিবে।
এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় বদলী জন্য আবেদন করতে গেলে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে ৩০০০০০ টাকা দাবি করে। ইতিপূর্বে অনলাইনের মাধ্যমে কোন ঘুষ লাগতো না। আমি তাদের দাবি সরাসরি প্রত্যাখান করেছি।
পিটিআই জয়দেবপুর একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুল, সেখানে তাঁরা ১১২০ টাকা করে প্রাক প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষাথী থেকে নেয় আয়া- পিয়ন- ঝাড়ুদার এদেরকে নাকি বেতন দিতে হবে তাঁরা পরিস্কার এর কাজ করে এজন্য। সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ১২৫ টাকা করে নিচ্ছে আবারও নিচ্ছে, তাঁরা বলচে প্রজেক্ট শেষ সরকারি এটা বলে। অথচ পিটিআই সম্পুর্নভাবে সরকারি প্রাইমারি স্কুল।। আমরা অভিভাবক রা এ টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছি। এর সমাধান চাই আমরা।
আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষক বরমি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে রিটায়ার্ড হয়েছেন, তার পেনশনের টাকা উঠানোর জন্য বি এন পি নেতাকে ২ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হবে। স্যার বর্তমানে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ভর্তি আছেন,তাহার ওপেন হার্ট সার্জারী হবে। স্যার বললেন তিনি ঘুষ দিয়ে এই টাকা নেবেন না।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে টাকা ছাড়া কোন ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন হয় না। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফেলিয়া রাখে।
প্রথমে আমি আমার আবেদনপত্র জমা দিই এবং তারা আমাকে জানায় যে দুদিন পর তা সংগ্রহ করতে পারব। দুদিন পর আমি সেখানে যাই, কিন্তু তখনও সেটি যাচাই করা হয়নি; তখন আমাকে পরদিন আসতে বলা হয়। পরদিন গিয়েও দেখি কাজটির কোনো সুরাহা হয়নি এবং আমার ফাইলটি তার ডেস্কে আগের মতোই পড়ে আছে। আমি জানতে চাইলাম কেন আমাকে এভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এরপর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই যাচাই-বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন করার বিনিময়ে তিনি ১০০০ টাকা দাবি করলেন।
টাকা না দিলে কাজ হবে না,তাই এক প্রকার বাধ্য হয়ে দিয়েছি
আমার সন্তান এইসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। কর্তব্যরত স্যার আইসিটি প্র্যাকটিকেল পরীক্ষায় খাতা জমা দিলে ৩০০ টাকা আর খাতা না জমা দিলে ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে রাজি হইনি। স্থান- আবুজর গিফারী কলেজ, মালিবাগ, ঢাকা।
প্রাথমিক বদলি একই স্কুল থেকে অন্য স্কুলের ট্রান্সফারের জন্য আমার কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা চেয়েছিল আমি সেখানে ১০০০০ টাকা দিয়ে বদলির কাগজপত্র দিয়ে আসছি
দ্রুত সংশোধনী করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছিলো। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে।
অনলাইনে বিএড স্কেল এর জন্য আবেদন করেছিলাম, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ব্বেও ফাইল রিজেক্ট করেছিল, পরে টাকা নেয়ার পর আবার আবেদন করি এবং ফাইল ফরোয়ার্ড হয়। ২০২০ সালের ঘটনা।
একটা এইচএসসির নকল সার্টিফিকেট বানাতে অতিরিক্ত ঘুষ চাচ্ছে