এমপিও ভুক্তি হওয়া
2022 সালে নতুন এমপিও করার সময় উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার ১০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে এমপিও এর ফাইল জেলাতে Send করেছিল, প্রথমত না দেওয়ার আমার ফাইলটি ১ম মাসে এমপিও হয়েছিল না! এর সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধানও জড়িত!
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
2022 সালে নতুন এমপিও করার সময় উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার ১০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে এমপিও এর ফাইল জেলাতে Send করেছিল, প্রথমত না দেওয়ার আমার ফাইলটি ১ম মাসে এমপিও হয়েছিল না! এর সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধানও জড়িত!
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস , পাকুন্দিয়া , কিশোরগঞ্জ । উনারা যেকেনো কাজে গেলে টাকা ছাড়া কিছুই করেনা । উপরন্তু টাকা দিলেও উনারা ব্যবহার খুব খারাপ করে শিক্ষকদের সাথে । মেডিকেল ছুটি নিলেও বলে অফিসারের সই লাগবে ৫০০ টাকা দেন । আবার ছুটি শেষে যোগদান করতে গেলেও বলে বিল ছুটাইতে ২০০০ টাকা লাগবে । কোনো শিক্ষক প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করা হয়।
দাখিল মাদ্রাসায় একজন অফিস সহকারি নিচ্ছে 15 লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে
নতুন জয়েনিং এ, সার্ভিস বুক, সেলারী চালু করার জন্য দাবী করেছিলো।
বেসরকারি এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী পদে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিয়োগ প্রাপ্ত হই। এমপিও ভুক্ত হওয়ার আবেদন করলে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসে অনলাইনে সাবমিট করা ফাইল আটকিয়ে দেয়। উনাদের কে খুশি না করলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। এভাবে সকল শিক্ষক ও কর্মচারীদের যত কাজ হয় , ততবার ই টাকা লাগে। এই কাজ গুলো আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি।
প্রতিটি ফাইল ডায়েরিতে নোট করে টাকা নেয়া হয়। জীবনে ১ম দেখলাম ডায়েরিতে নোট করেও ঘুষ নেয়া হয়।
সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সেই লেভেলের ঘুষখোর। টাকা ছাড়া কোন কাজই করেনা। সকল কাজে তাকে টাকা দেওয়া লাগে। সে এবং স্থানীয় বিএনপি নেতারা এসব করে যাচ্ছে। দেখার ও বলার কেউ নাই।
আমার সার্টিফিকেট সত্যায়িত করার পিয়নকে দিয়েছিলাম
এনএসডিএ অধীনে গ্রাফিক্স ডিজাইন ফর ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে এ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন হয়। অতিরিক্ত ১৫০০০/- টাকা দাবী করে না পেয়ে ১৬জন স্টুডেন্ট কে ফেক করে দিয়েছে। এনএসডিএ কিছু কিছু এ্যাসেসর আছে যারা অতিরিক্ত সুবিধা,যেমন এসি রুম,ভিআইপি খাওয়া, ট্রান্সপোর্ট, এবং অর্থ দাবি করে না দিলে এ্যাসেসমেন্ট এ স্টুডেন্ট দের ফেল করে দেয়।যা দেশের উদ্যাক্তাদের জন্য কষ্টকর হয়।
আমি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলা থেকে বলছি। গত 15 দিন পূর্বে বড় ভাইয়ের মাধ্যমে আমার কাছে একটা পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ চাকরির অফার আসে। সেখানে মাদ্রাসা পরিষ্কার ও দেখাশোনার জন্য 3/4 জন লোক লাগবে। এর জন্য চাকরিতে জয়েনিং ফি/বকশিশ জন প্রতি 3 লক্ষ টাকা দাবি করে, বড় ভাই জানাশোনা লোক হওয়ায় অংক কমিয়ে 150000 টাকা তে অফার করে, তারপরেও এতো টাকা দিয়ে চাকরি করার সামর্থ্য ছিল না । বয়স চলে ২৪, এখনো অকর্মার মতো বসে থাকি,চাকরিটা অনেক জরুরী হওয়ায় আমরা সর্বস্ব দিয়ে 1 লক্ষ টাকা দিতে চাইলাম। কিন্তু চাকরি টা 2.5 লক্ষ তে অন্য কাউকে দেওয়া হয়েছে। এতে কারা জড়িত সেটা পুরোপুরি জানতে না পারলেও কিছুটা জানতে পারি যে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল, উপজেলা কর্মকর্তা আর এলাকার নেতৃত্বাধীন ব্যাক্তি।
আমার নার্সিং এ রেজিস্ট্রেশন করার জন্য সার্টিফিকেট প্রয়োজন কিন্তু আমার কলেজে আসছিল না ,,,, তখন ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে গেলাম,,,, ওখানে গিয়ে কথা বললাম পরে বলল যে এক সপ্তাহ সময় লাগবে,, আমার কাছে এত সময়ও ছিল না শুধুমাত্র একদিন সময় ছিল,, সে বললো দেওয়া সম্ভব না,,,, আমি বললাম যে কোন কি উপায় নাই ?সে বলল যে আচ্ছা ঠিক আছে ৩০০০ টাকা দিয়ে বাহির থেকে একটু ঘুরে আসো,,,, পরে আমি বললাম আঙ্কেল আমি তো স্টুডেন্ট একটু যদি কম হতো ভালো হতো,,,,, কিছুক্ষণ ভেবে বললো ঠিক আছে ২০০০ টাকা দেও,,এরপর আমি তিন ঘন্টা পরে আসছি এবং সার্টিফিকেট দিছে,,,, আমার কথা হল যেই কাজটা ৩ ঘণ্টায় হয় সে কাজটার জন্য সাধারণ মানুষকে কেন এক সপ্তাহ টাইম দেওয়া হয়?😔 আমি জানি ,ঘুষ দেয়া এবং নেওয়া দুটাই খারাপ কাজ,, কিন্তু আমি বাধ্য হয়েছি!
আমি চাকুরীতে যোগদান করি ২০১০সালে। আমার ইউনিয়নে ৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। আমি ধারণা করেছিলাম আমার ইউনিয়নের যে কোনো একটি বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো আমাকে নিয়োগ প্রদান করা হলো আমার উপজেলার একেবারে শেষ সীমানায় অবস্থিত একটি বিদ্যালয়ে। আমার বাড়ীর নিকটতম বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলো।আমাকে এখানে নিয়োগ দেওয়া হলো না। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে যেতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে। আমি বদলী হয়েছি মোট দুই বার। টাকা দাবি করেছে শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসের ইউডি। জেলায় দিতে হয়েছে দুই বারে চার হাজার,উপজেলায় দুই বারে ষোলো হাজার টাকা।
সুনামগঞ্জ জেলার, দিরাই উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী শিক্ষা অফিসার টাকা ছাড়া কোনো লাজ করেন না! বিদ্যালয়ের যত বরাদ্দ আসে, সেখান থেকে উনাদের টাকা দিতে হয়! বদলী বানিজ্য সেটা তো ঈদের সমতুল্য! গত এক বছরে দিরাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ২/৩ কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্য করছেন! গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ৭০ টা বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য প্রতি বিদ্যায়লয়ে দেড়/ দুই লক্ষ আসে, কিন্তু প্রতি বিদ্যাকয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষা অফিস ৩০/৪০ হাজার টাকা ঘুষ নেন! প্রায় ২০/৩০ লক্ষ টাকা ঘুষ বানিজ্য হয়!
আমার একটি কলেজে ভর্তির জন্য যাবতীয় যত রিকোয়ারমেন্ট ছিল সবই আমি পূরণ করেছিলাম(মার্ক+gpa)।এখন আরেক কলেজ থেকে আমি ট্রান্সফার হয়ে এই কলেজে আসতে চাচ্ছিলাম।তবে সাধারণভাবে আসতে পারলেও এই কলেজের কিছু বা কোনো অফিস স্টাফ আমাদের থেকে এই টাকাটা চায়।আমি ছাড়াও বলতে গেলে যারাই টিসি নিয়ে এই "সরকারি" কলেজে ট্রান্সফার হয়ে আসতে চায় সবার থেকেই কমবেশি 12-30 হাজার পর্যন্ত টাকা দাবি করা হয়ে থাকে।শুনেছি এই টাকা না দিলে নাকি ট্রান্সফার করাবেই না,বা করালেও নানাবিধ সমস্যা করবে।তাই টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম,কেননা আমার জন্য এই কলেজে পড়া স্বপ্ন ছিল।
18 তম শিক্ষক নিবন্ধনে যখন আমি নিয়োগ পাই তখন এমপিওভুক্তকরণ করার জন্য আমার প্রধান শিক্ষক আমার থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং সে বলে এই টাকা শিক্ষা অফিসে দিতে হয় আমি বাধ্য হই সেটা পরিশোধ করতে এবং দুই মাসের এরিয়ার বিল বাকি ছিল সেটাও প্রধান শিক্ষক বলেন এটা তুলতে আপনার 5000 টাকা লাগবে সেক্ষেত্রে আমাকে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে।
আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। ২০১৯ সালে আমি অন্য একজন শিক্ষকের সাথে মিউচুয়াল বদলি হই। এতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে আমাকে ২০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
ব্যাংক থেকে ৫ লক্ষ টাকা লোন তুলার জন্য শিক্ষা অফিসারের অনুমোদনের দরকার হয়। এজন্য তিনি আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা ঘুষ নেন।
ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার শিক্ষা অফিসে ঘুষ ব্যতিত কোনধরনের ফাইল সামনে আগায় না। আমার বাবা মাদ্রাসার শিক্ষক থাকা কালিন দেখেছি এখনও আমাদের মাদ্রাসার কাগজপত্র ভাইয়া করে কিন্তু প্রতি ফাইলেই টাকা লাগে। আর এটির সাথে বিএনপির লোকজন জড়িত। আগে আওয়ামী লীগ জড়িত ছিলো।
শিক্ষক স্থায়ীকরন করতে জনপ্রতি ২৫০০টাকা চাওয়া হয়। দরকষাকষি করে শেষ পর্যন্ত জন প্রতি(১১জন) ২০০০টাকা ঠিক হয়। কিন্তু কোন খাতে খরচের জন্য এই টাকাগুলো নেওয়ার হয় তা শুধু TEAuo এরা জানে। এমকি উপজেলা শিক্ষা অফিসে কোন শিক্ষকের বকেয়ার বিল করতে গেলেও টাকা লেনদেন করতে হয়। কোন শিক্ষককে পিআরএল গেলেও প্রায় ৩০হাজার মত টাকা দিতে হয় উপজেলা শিক্ষা অফিসে আর ট্রেজারি খরচ বাবদ।মোট কথা ঘুষ ছাড়া শিক্ষা অফিসে কোন কাজ হয় না।
স্কুলের যৌথ একাউন্ট এ সরকারি বাজেট এসেছে, তা স্কুলের যৌথ একাউন্ট এ জমা না দিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক অবৈধ ভাবে স্কুলের নামে আসা বাজেট তুলে খেয়ে পেলে।