চাকরি
উপজেলা আমতলী জেলা বরগুনা ইউনিয়ন কুকুয়া ওয়াড ০৯ মাদ্রাসা নাম রহমত পুর ওই মাদ্রাসা সুপার ব্যাপক দুর্নীতি করে সে অন্তত এলাকার ১০/১২ জন কে চাকরি দিছে প্রতিটা লোকের কাছ থেকে ১০/১২ লাখ টাকা করে নিছে ওনি এতো দুর্নীতি করে ছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উপজেলা আমতলী জেলা বরগুনা ইউনিয়ন কুকুয়া ওয়াড ০৯ মাদ্রাসা নাম রহমত পুর ওই মাদ্রাসা সুপার ব্যাপক দুর্নীতি করে সে অন্তত এলাকার ১০/১২ জন কে চাকরি দিছে প্রতিটা লোকের কাছ থেকে ১০/১২ লাখ টাকা করে নিছে ওনি এতো দুর্নীতি করে ছে
নিজ জেলায় বদলির জন্য ঘুষ।
চিকিৎসা ভাতা আবেদনে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাইন নিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল ফ
ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার শিক্ষা অফিসে ঘুষ ব্যতিত কোনধরনের ফাইল সামনে আগায় না। আমার বাবা মাদ্রাসার শিক্ষক থাকা কালিন দেখেছি এখনও আমাদের মাদ্রাসার কাগজপত্র ভাইয়া করে কিন্তু প্রতি ফাইলেই টাকা লাগে। আর এটির সাথে বিএনপির লোকজন জড়িত। আগে আওয়ামী লীগ জড়িত ছিলো।
টাকা না দিলে এমপিও ভুক্ত করবে না বলেছিল। প্রথমবার ফাইল রিজেক্ট হওয়ার পরে দ্বিতীয়বার টাকা দিয়ে ফাইল অনুমোদন করতে হয়েছিল।
বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন এ স্বাক্ষর করতে গিয়ে এমন হয়েছিল। একজন এটিও আমার কানে কানে ২ লিটার পেট্রোল এর দাম চেয়েছিলেন।
শিক্ষা অফিসে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা শিক্ষকদের যেকোনো কাজে গেলে যেমন জিপিএফ চালু, চাকরি স্থায়ী করণ, সন্তানের শিক্ষা ভাতা চালু, এলপিআর এর যাওয়ার সময়, পেনশন এর সময় সকল ফাইল এর সমস্যা দেখায় যা টাকা দিলেই ঠিক হয়ে যায়। ছোট কাজের ক্ষেত্রে ৫০০/১০০০. বড় কাজে ৫০০০-২০০০০ নেয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পরে এম্পিওভুক্তির সময় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের মাধ্যমে আমাদের কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমরা ২ জন যোগদান করি তাই (৫০০০*২) দুইজন মিলে পরিশোধ করি।
এ ধরনের নিয়োগের ক্ষেত্রে, বিদ্যালয় বা কলেজ কমিটি স্থানীয় রাজনৈতিক ও এমপি সহায়তায় শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের লিয়াজো করে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। আমার উপজেলায় আমার মত প্রায় ২০-৩০ জনের কাছে প্রত্যেকের সাথে ২০ থেকে ২২ লাখ টাকা করে ঘুষ নিয়ে আয়া,পিয়ন ল্যবএসিস্টেন্ট নাইট গার্ড নিয়োগ দেয়া হয়। আমি একজন ল্যাব এসিসট্যান্ট হিসেবে ২০০০০০০ ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে চাকরি করছি। আমার বেতন মাত্র ১৩ হাজার টাকা। জানিনা এই ২০ লক্ষ টাকা কবে খুলতে পারবো।
NTRCa এর মাধ্যম ১৮ তম নিবন্ধন এ সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে যোগদান করলাম। বেতন ধরানোর জন্য mpo করা লাগে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাইল সেন্ড করবে না টাকা ছাড়া। এ দিকে আমার বাসা থেকে ৩৫০ কিমি দূরে না আছে কোন আপজন আমার বেতন না হলে চলবো কিভাবে বাধ্য হয়ে ঘুষ ূদিতে হচ্চে
আমি নতুন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায় প্রথমে আমার তিন মাসের বেতন বকেয়া থাকে তা উত্তোলন করার জন্য ফাইল পাঠাতে গিয়ে আমার কাছ থেকে টাকা দাবী করে ৫০০০ টাকা
নয় ছয় বলে টাইম বাড়ানো।
নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত সকল শিক্ষকগণের নিকট হতে বাধ্যতামুলক ৫০০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য নেওয়া হয়। প্রতিবাদ করলে নানা রকম হয়রানী করা হয়।
০৯/০৬/২০২৬ থেকে ১৮/০৬/২০২৬ মন্ত্রণালয় থেকে এমপিও প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের জন্য আসে। শিক্ষকদের চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে ছয়টা প্রতিষ্ঠান থেকে 24 লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা সাথে করে নিয়ে ঢাকাতে গিয়ে পরিশোধ করা হয়।
MPO করার জন্য প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ্যাপরুভ করে না,পরে ৩০০০ টাকা দিলে এ্যাপরুভ করে, জেলা অফিস এ যায়, জেলা শিক্ষা অফিসার ভাল মানুষ উনি টাকা ছাড়া যথা সময়ে এ্যাপরুভ করে দেন, ঢাকা শিক্ষা অফিস ফাইল গেলে ৪ মাস ফাইল ঝুলিয়ে রেখে রিজেক্ট করে দেয়, পরে আবার আবেদন করলে উপজেলা শিক্ষা অফিস আবার ৩ হাজার টাকা নিয়ে ফাইল পাঠায়,এবার ঢাকা শিক্ষা অফিস এ আগের একই ফাইল একই কাগজ দিয়ে ১২০০০ টাকা দিলে ফাইল এ্যাপরুভ হয়,এই হলো আমাদের দেশের অবস্থা
Besi taka fees niche
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় নিয়োগ হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। আমাদের দুইজন শিক্ষক এর কাছে ৫০০০+৫০০০=১০০০০ হাজার টাকা দাবী করে।বলে থানা শিক্ষা অফিসার কে দেওয়া লাগবে।এবং আবেদন করতে লাগবে ৩০০০+৩০০০=৬০০০ এই মোট ১৬০০০ টাকা দিয়ে এমপিও আবেদন করতে।বর্তমানে সেই প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত।আমার কথা হলো ভবিষ্যতে যেন কেউ কোন প্রকার টাকা না দেয়।পরে জানি যে এতে টাকা লাগে না
ফুলছড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিসে আমার মায়ের পারিবারিক অবসরভাতা উত্তোলন করিবার জন্য ১৫০০০ টাকা দাবি করা হয় এবং সর্বশেষ ১২০০০ টাকায় কাজ করে দেয়।
High School er teacher 2021 sale koronai mara jai then pention er application kira hoi sep'2021. Ekgn porjonto sei tk paua jaini karon mul takar 10% dite hbe tai. But razi hoini tai month er por month ghurasse...
অনলাইনে সংশোধন এর জন্য আবেদন করার পরে শিক্ষা বোর্ডের সামনের কম্পিউটার এর দোকান থেকে মূলত ঘুষের সিন্ডিকেটটা রান করে। শিক্ষা বোর্ডের লোকজন তাঁদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করে।