ওভারসিজ ছুটি
অভারসিজ ছুটি মঞ্জুরের জন্য মিনিস্ট্রির কেরানী ফাইল আঁটকে বিশ হাজার টাকা নিয়েছে।নইলে ফাইল ছাড়বে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অভারসিজ ছুটি মঞ্জুরের জন্য মিনিস্ট্রির কেরানী ফাইল আঁটকে বিশ হাজার টাকা নিয়েছে।নইলে ফাইল ছাড়বে না
আমার পেনশনের কাগজ ঠিক করতে ১০০০০০টাকা দিতে হবে,ভবিষ্যতে আরও টাকা দেওয়া লাগতে পারে আগে অন্যান্য কাগজের জন্য টাকা দিতে হইছে টাকা না দিলে সঠিকভাবে কাজ করা হবে না বলছে,তারা অন্যভাবে টাকা কেটে রাখতে পারে, কেউ জানলে ঝামেলা হবে এ রকম হুমকি দেওয়া হয়েছে।অফিসটি বরিশালের গৌরনদীতে এই ঘুষের সাথে অনেক উচ্চ পযার্য়ের অফিসার জড়িত থাকার জন্য তারা যা বলে তা মানতে হয় না হলে দিনের পর দিন দৌড়াতে হয় তারপর ও সমাধান হয় না। তারা যে পরিমাণ অর্থ দাবি করে তা না দিয়ে কোনো ভাবে কাজ করা যায় না,প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হয়।
বেলকুচি উপজেলা শিক্ষা অফিসের আওতাধীন যাদের 2023 সালে প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ হয়েছে তাদের বলে চাকরি স্থায়ীকরণ করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম লাগবে সেই ব্যক্তিদের সবাইকে অর্থাৎ ১৩০ জন এর মত শিক্ষক অফিসে ডেকে প্রত্যেকের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা দাবি করছে টাকা না দিলে চাকরি স্থায়ীকরণ হবে না
ইন্টার্নশীপ শেষে বিএমডিসি সার্টিফিকেট পেতে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও ডকুমেন্টস নিতে স্পিড মানি নামে প্রতি ইন্টার্ন হতে নেওয়া হয়।না দিলে ঘুরানো হয়।অনলাইনে এসব আবেদন না থাকাকে বড় সুযোগ হিসেবে নেয়।
আমার বাবার অবসর এর টাকা তুলতে গেলে তাদের কর্মচারী র মাধ্যমে সামনের চায়ের দোকানে নিয়ে বলেন ওমুক স্যারকে ৫০০০০ টাকা দিলে পুরো টাকে ১ মাসের মধ্যে চলে যাবে। টাকা না দেয়ায় ২০২২ সালের টাকা আজো (১/৯/ ২০২৬) পর্যন্ত ১ টাকাও পাই নাই।
আমার বাবার নাম ঢাকা বোর্ড এ ১ বছর এ ও সংশোধন হচ্চিল না কিন্তু ৫০০০ টাকা ঘুস দেওয়ার ১ সপ্তাহে মধ্য কাজ হয়েছে
আমার বাবা ২০২৪ সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। উনার মৃত্যুর পরে উপজেলা ট্রেজারী অফিসে যোগাযোগ করলে আমাদের সাথে তারা চুক্তি করে ঘুষের (তাদেরকে বললে এটা তো ঘুষ তারা বলে আমরা তো কাজের বিনিময়ে টাকা নিচ্ছি)। পেনশনের টাকা কয়েক ধাপে উত্তোলন করি। প্রতিবার টাকা আসার পূর্বে তারা আমাদের সাথে চুক্তি করে যে এবার দু'লাখ টাকা আসবে এটার জন্য বিশ হাজার দিতে হবে। আবার এবার আসবে এতো লাখ এজন্য এত হাজার দিতে হবে। এইভাবে প্রায় ১৮ লাখ টাকা উঠাতে আমাদের ১ লাখ টাকার মতো ঘুষ দিতে হয়েছে। ঘুষ না দিতে চাইলেও তাদের কথা আমরা কাজ করবো না আপনি কিভাবে টাকা উঠাবেন উঠান।
আমরা ছিলাম ৬ জন,আমাদের নিয়োগ ntrca এর থেকে সুপারিশ পেয়ে হয়েছে।সম্পুর্ন মেধার ভিত্তিতে।সব কাগজ পত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও ঘুষ না দেয়াতে ২/৩ বার করে রিজেক্ট হয়ে যায়।কখনো থানা শিক্ষা অফিস রিজেক্ট করে, কখনো জেলা শিক্ষা অফিস রিজেক্ট করে আবার মাউশি থেকেও রিজেক্ট করেছিলো। শেষ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক আমাদের এমপিওর ব্যবস্থা করে দিলেন কিন্তু জন প্রতি ১০ হাজার করে দেয়া লেগেছিল। ২০২২ সালের কথা।
আমার সন্তান ৫ম শ্রেনীর সমাপনী পরীক্ষায় ৯৮% নম্ব্রর পেছিল কিন্তু ৪র্থ শ্রেনিতে কিল্ডার গার্টেন স্কুলে পড়েছিল বলে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ দিবে না।পরে UNO এর কাছে অভিযোগ দেওয়ার পরে বাধ্য হয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু আমাকে বলা হয় যে কি ভাবে বৃত্তি পায় দেখে নেব। আমার সন্তান বৃত্তি পায় নাই।আমার সন্দেহ সে এমন কিছু করেছে যে কারনে আমার সন্তান বৃত্তি পায় নাই।
আমি শিক্ষক।প্রতি বছর খাতা মূল্যায়ন করি , যথারীতি মেসেজ আসে, নির্দিষ্ট তারিখের সময় অনুযায়ী নিয়ম মেনেই খাতা মূল্যায়ন করি কিন্তু এবার আলিম(এইচএসসি সমমান) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করার জন্য মেসেজ না পেয়ে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের একজনকে ফোন করি তিনি বাড়তি টাকা দাবি করেন কিন্তু আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। এখন ভবিষ্যতে আর খাতা মূল্যায়ন করতে পারবো না বলে হুমকি দিয়েছেন। আমার আসলে কি করা উচিত? কয়েকজনের সাথে যখন বিষয়টি শেয়ার করলাম তারাও একই ভুক্তভোগী! এখানেও দুর্নীতি ভাবতেও লজ্জা লাগছে!
সরকারি কলেজের শিক্ষক (প্রভাষক) হিসেবে কর্মরত আছি। বদলির জন্য চেষ্টা করলে জানানো হয় যে, কাঙ্ক্ষিত কলেজে যেতে চাইলে ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে। গোপন সূত্রে জানতে পারি শিক্ষামন্ত্রী অধীনে মাউশির মহাপরিচালক এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন।
পিরিজপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একজন পরিদর্শক আছেন। উনি মূলত উনার কাছে এমপিও ভুক্ত বার শিক্ষা দের যত ফাইল আছে তিনি উনি ছেড়ে থাকেন। উনার কাছে ফাইল যাবার পরও উনি তার লোক সেট করা আছে তার মাধ্যমে টাকা দাবি করে থাকেন। ওনাকে পিরিজপুর জেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের যত লোকজন আছে এমপি ভুক্ত তারা সবাই এক নামে চিনে। উনি প্রথমে এমপি ভক্তের জন্য আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল পরবর্তীতে বকা এফাইলের জন্য টাকা নিয়েছে এবং এরপর এ বছর যারা এসেছে তাদের যে কোন ভুলের জন্য উনি এক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন।
আমার আব্বা প্রাইমারী স্কুলে হেডমাস্টার হিসেবেই রিটায়ার্ড করার পর মঠবাড়ীয়া টিও অফিস উক্ত টাকা নিয়ে আমার বাবার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করে।
MPO করতে লাগইবেই লাগবে
আমার বোনের হাসবেন্ড প্রাইমারি শিক্ষক, সে ৩ বছর যাবত বাড়ি থেকে অনেক দূরের একটি চরে চাকরি করছে,তার প্রতিস্থাপনের ভিত্তিতে বদলির অর্ডার হয়ে আছে, খোঁজ নিতে গেলে সেখানের কর্মচারী নতুন নিয়োগের কাউকে দিয়ে বদলি করার জন্য ঘুষ দাবি করে, অথচ বদলিটা এমনিতেই হওয়ার কথা
মাদ্রাসা শিক্ষক হিসেবে নিজের এমপিও ফাইল জেলা অফিস থেকে ছাড়করণের জন্য মিষ্টি খাওয়া বাবদ টাকা ছেয়েছিল জেলা শিক্ষা অফিসার। ১০০০ টাকা দিলে সে আরো দাবি করে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি মনোনয়নের জন্য জেলা শিক্ষা অফিস ও ডিসি অফিসের শিক্ষা শাখায় খরচপাতি কিছু দিন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫০০৳ করে ১০০০৳ দিতে হয়েছে।
এমপিও ফাইলের এক মাসের বকেয়ার জন্য শিক্ষা অফিসার যোগাযোগ করা হলে ফাইলটি ঢাকায় পাঠানোর জন্য ১০০০ টাকা দাবী করা হয়।
আমার মা র বদলিটা খুব দরকার ছিলো, বলা হয়েছিলো আপনার হাতে আর ১ মাস আছে না হলে আর বদলি হবে না, দিতে মন চায় নি কিন্তু বাধ্যে হয়ে দেওয়ার প্রয়োজন পরলো। তারপর নিজেকে আপরাধী মনে হয়।
ফাইল হারিয়ে গিয়েছে বলার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে বিভিন্ন বার মিলিয়ে ৩ লাখ টাকা নিয়েছে।