নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
“সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি পরিশোধ করার পরও প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হলেও সংশোধনের প্রক্রিয়ায় আমার নাম/সিরিয়াল না আসায় সিরিয়াল পাওয়ার বিষয়ে জানতে আমি বোর্ডে যাই। সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে আমাকে বলা হয় যে, নির্ধারিত পরিমাণ অতিরিক্ত টাকা প্রদান করলে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আমার নাম/সিরিয়াল আসবে এবং আমাকে বোর্ডে ডাকা হবে। সার্টিফিকেট সংশোধনটি আমার জন্য অত্যন্ত জরুরি হওয়ায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করার পরও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায়, উক্ত পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে আমি ওই অর্থ প্রদান করি। বিষয়টি আমার ইচ্ছাকৃত কোনো অনিয়মের উদ্দেশ্যে নয়; বরং জরুরি প্রয়োজনে সংশোধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার তাগিদেই আমি অর্থটি প্রদান করতে বাধ্য হয়েছিলাম।”
টাকা ব্যতীত কোন জরুরী কাগজপত্র দেয় না
সাময়িক সনদ ওঠানোর জন্য দুপুর বারোটায় গেলে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলে যে এখন উঠানো যাবে না আজকে আর সম্ভব না আপনাদের আগামীকালকে আবার আসতে হবে। আমরা ফিরে আসতে ধরলে একজন লোক অফিস থেকে এসে আমাদেরকে ডেকে বলে যে আপনারা যদি পনেরশো টাকা আমাকে দেন তাহলে আমি ব্যবস্থা করে দিতে পারব। সে সময় আমাদের সাময়িক সনদ অত্যন্ত জরুরী প্রয়োজন এবং আমরা অনেক দূর থেকে শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধ করার পরে যেই কর্মকর্তারা বলতেছিল যে দুপুর 12 টা বেজে গেছে আজকে হবে না তারা নিজেরাই সেখান থেকে সার্টিফিকেট বের করে যা যা করনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আমাদের সার্টিফিকেট দিয়ে দেয়।
বলে ফাইল হারিয়ে গিয়েছে কিন্তু বললাম ভাই চা খাওয়াবো ফাইল একটু খুজে দেন। ২০ মিনিট পরে বলে টাকা দেন ফাইল পেয়েছি।
আমার এস এসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেট এ বাবা ও মায়ের নাম এ ভুল ছিলো তা ঠিক করার জন্য আমি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড এ আবেদন করি । এবং পরবর্তীতে সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য। আর এই রিপোর্ট প্রদানের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করেন । এবং বলেন টাকা না দিলে রিপোর্ট খারাপ প্রদান করবেন। এবং আমি বাধ্য হয়ে ২০০০ টাকা প্রদান করি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অনার্স এর রেজাল্ট এ প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃত ফেইল করায়, শুধু খাতার নাম্বার গুনতিতে ভুল করে, এতে করে হয় কি রেজাল্ট পাবলিশ হওয়ার পড় পুনরায় খাতা দেখার এপ্লাই করা হয় প্রতি সাবজেক্ট ১২০০ টাকা, যার ফলে দেশে লক্ষ শিক্ষার্থীদের কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে জাতীয়বিশ্ববিদ্যালয় ও তাদের খাতা দেখা শিক্ষকেরা অতিরিক্ত আয়ের লোভে এই জঘন্ন কাজ করছে। মজার বেপার হলো যারা এই চ্যালেঞ্জ এপ্লাই করে তাদের অধিকাংশ পুনরায় পাশ করে ফেল করা সাবজেক্ট এ, তাহলে প্রথমে কেনো ভুল রেজাল্ট দিবে? কারন একটাই পাশের আশায় লক্ষ শিক্ষার্থী আবার চ্যালেঞ্জ এপ্লাই করবে আর শিক্ষকরা কোটি টাকা ইনকাম করবে। এটা ডিজিটাল ঘুষ বানিজ্য একটি নিয়মিত সিষ্টেম হয়ে গেছে প্রতিরোধ করার কেউ নাই।
উপজেলা শিক্ষা অফিসের ক্লার্ক ৮৬ জন সহকারী শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডের ফাইল রেডি করা এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা বাবদ এই টাকা দাবি করেন। আমরা এই টাকা পরিশোধ করি। যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিধি সম্মত না হওয়া ফাইলটি না মঞ্জুর করেন।
কিছু অর্থের লেনদেনে হাই স্কুলের সভাপতি বা কমিটি তৈরি করা হচ্ছে
আমি ২০২৭ সসচ এক্সামিনী আমার রেজিস্ট্রেশন সফল হয় নি । আমি ২০২৪ এ অসুস্ততার কারনে ক্লাস ৮ এর রেজিস্ট্রেশন তাহ করতে পারিনাই । কিন্তু ২০২৫ এ বোর্ড থেকে একটা নোটিশ আসে যে ২০২৪ এ যাদের ক্লাস ৮ এর রেজিস্ট্রেশন হয়নি তারা ওঁই সময়ে করতে পারবে । আমিও করলাম । কিন্তু রেজিস্ট্রেশন টা নাকি সফল হয় নাই দ্রফত এ আছে । যার কারনে ২০২৫ এ ও আমার ক্লাস ৯ এর রেজিস্ট্রেশন আটকে আছে । এখন ২০২৬ সেপ্টেম্বর আমার কাছ থেকে ৫০০০ থেকে ৭০০০ টাকা এর দাবি করা হচ্ছে । আর আতা না হলে তো আমি সসচ ২০২৭ এ পরীক্ষা দিতে পারব নাহ । I have to live in a corrupted country .....
🚨 ঘুষ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ 🚨 আমরা যারা সরকারি চাকরি করি, বিশেষ করে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক, আমাদের কি সরকারি দপ্তরে নিজের ন্যায্য কাজ করাতেও ঘুষ দিতে হবে? অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে বলতে হচ্ছে—রংপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করা, কোনো কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি অনুমোদন, একাডেমিক স্বীকৃতি, ছাত্র-ছাত্রীদের সার্টিফিকেট উত্তোলনসহ বিভিন্ন কাজে গেলে অফিসের পিয়ন-কর্মচারীদের টাকা দিতে হয়—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কখনো ৫০০ বা ১,০০০ টাকা, আবার কখনো ২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে কাজের ধরন অনুযায়ী আরও বেশি টাকা দেওয়ার দাবি বা চাপের মুখে পড়তে হয়—এমন কি দিতে হয়। ✊ ঘুষ বন্ধ হোক। হয়রানি বন্ধ হোক।
টিকাটুলি কামরুন্নেসা সরকারি স্কুলের অফিস সহায়ক কাজ করেন কম্পিউটারে ২০০ টাকার কাজ করতে নেয় ১৫০০ _২০০০ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে ঘুষ ছাড়া কোন চাকরি নাই। ডাবল মাস্টার্স, প্রচুর পাবলিকেশন থাকা সত্বেও চাকরিতে নেয়নি। বরং ঘুষের বিনিময়ে বয়স শিথিল করে নিয়োগ দিয়েছে।
Hsc পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রে থাকা বিভিন্ন মালামাল শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হয়।আমাদের কেন্দ্রের (গোপালগঞ্জ জেলার একটি কেন্দ্র) মালামাল জমা দেওয়ার পর ঢাকা বোর্ডের মালামাল বুঝে নেওয়ার দায়িত্বরত কর্মচারি ঘুষ দাবি করে এবং সবাই এটা দিতে অনেকটা বাধ্য। এটা দুই যায়গায় দিতে হয়-১. যেখানে অব্যবহৃত খাতা জমা দিতে হয়। ২.যেখানে শিক্ষার্থীদের সিগনেচার শীটসহ অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হয়। সেই মুহূর্তগুলো একসাথে প্রচন্ড বিব্রতকর এবং বিরক্তিকর। একজন সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হওয়ার পরও আমাদেরকে এগুলো ফেস করতে হয়। এখানে প্রথম যায়গায় ২০০ এবং দ্বিতীয় যায়গায় ৫০০ টাকা প্রত্যাশা করে।
NTRCA থেকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে সিলেক্ট হয়ে এমপিও করার জন্য শিক্ষা অফিসারের ফরওয়ার্ড লাগে। সে আমাকে দেয়নি। পরে ৮০০০৳ বিনিময়ে ক্লিক করে ঢাকায় ফাইল পাঠিয়েছে। বাধ্য হয়ে দিয়েছিলাম
৫ম গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগের সময় টাকা দিতে বাধ্য করছে এবং বিএড ফাইল এপ্রুভ করতে হেড টিচার সর্বমোট ৮০০০ টাকা দিতে বাধ্য করলো এবং যথাসময়ে কাজ করেনি। প্রতিষ্টান প্রধান খুব দুর্নীতির সাথে জড়িত। কিছু বললে খুব মানসিক ভাবে প্রেসারে রাখে।
শিক্ষা অফিসে যেকোন কাজে ঘুষ দিতে ৷ তার মধ্যে রংপুরের শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের সন্তুষ্ট না করলে হয়রানির শেষ থাকে না ৷ এই ভুল সেই ভুল, ফাইল হারায় যাওয়া কত কাহিনী ৷ এগুলো দেখার কেউ নাই…
আমি ১৮ তম নিবন্ধনে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে একটা স্কুলে যোগদান করি। যে খানে NTRCA আমাকে রিকমেন্ডেশন দিয়েছে সেখানে আমার MPO ফাইল এপ্রুফ করার জন্য আমার হেডমাস্টার আমি সহ আরো চার জনের কাছ থেকে ৩০০০০ করে মোট ১৫০০০০ টাকা নিয়েছিল। আমরা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম তারাতাড়ি বিল পাবার জন্য। আমরা এই টাকাটা দিয়েছিলাম হেডমাস্টারকে।। প্রতিটা MPO প্রতিসঠানের হেডমাস্টার যে কি পরিমান দুর্নীতির সাথে জড়িত , তা আমরা বুঝি।। এগুলো নিয়ে যদি সরকার সচেতন হত, এদের লাগাম টানা সহজ হত।।
বাবার মৃত্যর পর পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে ঘুস দাবি করে। এবং বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে তারপর সেবা নিতে হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক পদোন্নতির জন্য এসিআর সাইন দরকার ৫ কপি করে। প্রায় ১৫০ জন প্রধান শিক্ষক পদোন্নতির জন্য এসিআর নিচ্ছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার থেকে, জনপ্রতি ৫০০-২০০০৳ করে নেওয়া হচ্ছে সাক্ষর করার জন্য। ঘুষ লেনদেনের পরিমান প্রায় লাখ টাকা।
একজন অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকের কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা তোলার জন্য কতৃপক্ষ 50000 টাকা দাবি করেন। জরুরী প্রয়োজনে সেটা পরিশোধ ও করতে হয়। কিন্তু তার পরেও তার প্রাপ্ত টাকা সম্পূর্ণ পাওয়া যায় নি।।