নতুন যোগদান
রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রায় সকল কাজেই ৫০০ থেকে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রায় সকল কাজেই ৫০০ থেকে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়।
টিসির কাজের জন্য দিতে হয়েছিলো।
নিবন্ধনে যারা স্কুল,কলেজ, মাদ্রাসায় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে, তাদের যোগদানের পর প্রথম মাসের বেতন চালু করতে উপজেলা বা জেলা শিক্ষা অফিসারকে তার চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করতে হয়। নতুবা ফাইল আটকে রাখে। আমিসহ যারা যোগদান করেছিলাম তাদের বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। জন প্রতি পাঁচ হাজার টাকা নিলে যদি এক প্রতিষ্ঠান থেকে দশ জন যোগদান করে তাহলে পঞ্চাশ হাজার টাকা। এরূপ সারাদেশে ১৮তম নিবন্ধনে প্রায় সত্তর হাজার শিক্ষক যোগদান করে। এর মূল্যমান কত দাড়ায় সহজেই অনুমান করা সম্ভব। সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও এই ধরনের দাবী সম্পূর্ণ অন্যায় এবং অপরাধ।
আমার বাবা চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অবস্থিত চারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এমপিও ভুক্ত শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০২০ সালের মার্চ অবসর গ্রহণ করেন। পরে ওনার কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা ও অবসরভাতার জন্য ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে আবেদন করি অবসরগ্রহণের পরপরই। কিন্তু অনেক দিন হয়ে যাবার পরও যখন টাকা আসেনা, যারা আগে অবসর নিয়েছেন তাদের মাধ্যমে জানতে পারি ঘুষ ছাড়া টাকা আসেনা। পরে অধিদপ্তরের আরেকজন দালালকে ২৫,০০০ টাকা দিলে ২০২৩ সালের শেষের দিকে কল্যাণট্রাস্টের টাকা ব্যাংকে আসে। পরে সেই একই প্রসেসে আরো একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে ২০২৪ সালে ৩৫,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া সহ অরিজিনাল সব কাগজপত্র দেওয়ার পরে ২০২৫ সালের শেষে অবসরভাতা আসে ব্যাংকে। টাকা দেওয়া ব্যতিত কারো টাকা গত একযুগে এসেছে বলে নজির নেই। অনেকে ঘুরতে ঘুরতে মারা গিয়েছে।
আমার মা একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ২০১৫ সালের দিকে তিনি রাঙ্গুনিয়া থানা থেকে ট্রান্সফার হয়ে রাউজান থানায় আসেন। যার জন্য আমার মায়ের ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। সম্প্রতি আমার মা একই থানার অন্তর্গত এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে ট্রান্সফার হতে চাইছেন, যার জন্যও শিক্ষা অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তাকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হবে। নাহলে ট্রান্সফার হবে না।
এমপিওভুক্তির জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ৫০০০ ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ২০০০ টাকা নিয়েছেন।
নাম সংশোধনকৃত সার্টিফিকেট আমার ব্যস্ততার কারণে ১ বছর দেরিতে উত্তোলন করতে যাওয়া হয়। সেখানে আমাকে বলা হয়, আপনি দেরি করে আসছেন, আপনাকে পুনরায় আবেদন করতে হবে। অথচ সেটি তাদের কাছেই ছিল। এরপর অন্য একজন এসে বললো আপনি ৩০০০ টাকা দিলে আমরা সময় নিয়ে খুজে দিচ্ছি, এরপর তারা সার্টিফিকেট দেয় আমাকে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলার শিক্ষা অফিসারের কেরানি আমার কাছে সরাসরি টাকা চাইনি কিন্তু অন্য একজন্য এর মাধ্যমে ১০০০ টাকা চেয়েছে উনি।
উচ্চতর ডিগ্রির অনুমতি চাইলে তা অনুমোদন এর জন্য এই টাকা চাওয়া হয়।
কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে সেবা প্রদান করতে গড়িমসি করায় পরবর্তীতে আমি নিজেই হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিয়েছি।
আমার ভাইয়ের চাকরির জন্য জরুরি ভিত্তিতে এইচএসসির সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিলো। তো তারা দিতে রাজি হয়নি শুরুতে এরপরে সারাদিন কাটানোর পর বলল টাকা লাগবে। এরপরে জিজ্ঞেস করলাম কত ? এরপরে বলল ৭০০০। তারপরে অনেক জোর করে ৫০০০ টাকা দেওয়ার পর দিয়েছে।
Primary school teacher er GP Fund & CPF er Taka tulte deoa lagse.
If I don’t pay, the MPO file will be rejected as giving the threat by Upazila Shikka officer. He didn’t directly tell me but one of my colleague was his mat and he managed everything. It was 2022.
আমার ৮ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে নামের বানানে ভুল এসেছিল এবং সেই ভুল নাম দিয়েই দাখিল পরীক্ষা দিই। পরবর্তীতে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দীর্ঘ তিন বছর ঘোরাঘুরি ও ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও সমাধান মেলেনি। দাখিলে ভুল থাকায় আলিম রেজিস্ট্রেশনেও ভুল নামটি চলে আসে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে দাখিলের মূল সনদ সংশোধন করাই। কিন্তু দাখিলের সনদ সংশোধন হলেও আলিমে সেই ভুল থেকেই যায়। নিয়মানুযায়ী অধ্যক্ষের স্বাক্ষর সম্বলিত আবেদনপত্র দিলে বোর্ডে তা সংশোধনের কথা। কিন্তু রেজিস্ট্রেশনের সময় যাওয়া সত্ত্বেও আমাদের ফর্ম ফিলাপের পর আসতে বলা হয়, যাতে অনৈতিকভাবে টাকা দিতে আমরা বাধ্য হয়। এটাকি ঘুষ নয়?? আল্লাহ বিচার করবেন এটার...
২০২৩ সালে আমার বাবা মারা যায়। তিনি প্রাইমারি স্কুল এর প্রধান শিক্ষক ছিলেন। উনি মারা যাওয়ার পর উনার প্রভিডেন্ট ফান্ড কল্যান এবং প্রভৃতি ফান্ড এর টাকা তোলার জন্য যখন শিক্ষা অফিস এ যায় তখন কাহারোল এর শিক্ষা অফিস এত ততকালিন কম্পিউটার অপারেটর আমি এবং আমার মায়ের সাথে ৮৫০০০ টাকার চুক্তি করে তারপর প্রসেস করে। তাকে আমরা সেই টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয় এমনকি ট্রেজারি অফিস এও পদে পদে ৫০০/১০০০ করে বেশ কয়েকবার ঘুষ দেয়া লাগে।
আমার পরিচিত একজনের পেনশনের টাকার জন্য আবেদন করতে গেলে ৫০০০ টাকা চাওয়া হয়, এখনও বুঝে উঠতে পারছিনা কি করা উচিত।
আমি ভৌত বিজ্ঞানের শিক্ষিকা হিসেবে দক্ষিণ গোড়ান "শান্তিপুর হাইস্কুলে" নিয়োগ পায়। এমপিও ভুক্তির জন্য ৭ মাস ঘুরিয়েছে। তারপর বলে একদিনের মধ্যে ১ লক্ষ টাকা ম্যানেজ করে দিতে। এখন যদি এই টাকা না দেওয়া হয় ,পরে এই বিষয়ে ১০ লক্ষ করে নিবে স্কুল কমিটির হাতে গেলে।তাই আমি বললাম চাকরি করবো না।
যে কোনো সরকারী বিল উত্তোলন করলে ৫% শিক্ষা অফিসে দিয়ে দেয়া লাগে।
বিএড স্কেলের জন্য একজন কম্পিউটার অপারেটরের কাছে যাই। সে তার পারিশ্রমিকের চেয়ে ২০০০ টাকা বেশি দাবি করে। কারণ জানতে চাইলে জানায় বাড়তি অর্থ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের হাদিয়া।
আমার ওয়াইফ একজন এমপিওভক্তি স্কুলের শিক্ষিকা। তার এমপিওভক্তি করার সময় 10000 টাকা নেয়।এবং পরবর্তী দুই বছর পর বিএড স্কেলের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি তা পরিশোধ করি।