সরকারি বই গ্রহন
উপজেলা মাধ্যমিক এ্কাডেমিক সুপারভাইজার ভিজিটে আসেন। তার সহকারী ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। না দিলে সরকারি বই পেতে অসু্বিধা হবে হবে। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও ৪০০০ টাকা ঘুষ দেয়া হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উপজেলা মাধ্যমিক এ্কাডেমিক সুপারভাইজার ভিজিটে আসেন। তার সহকারী ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। না দিলে সরকারি বই পেতে অসু্বিধা হবে হবে। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও ৪০০০ টাকা ঘুষ দেয়া হয়।
আমার ৩জন এমপিও ফাইল অধিদপ্তরের জমা দিয়েছিলাম। ৭দিনপর কল দিয়ে টাকা দাবি করে। একে একে ৩জনকে কল দেয়। আমার কলিগ ৫হাজার টাকায় দিতে রাজি হয় কিন্তু আমাকে কল দিলে প্রচুর গালাগালি করি এবং বলি ফাইল ড্রেনে ফেলে দিতে। পরে কল দিয়ে সরি বলে এবং বিষয়টি কাউকে না বলতে নিষেধ করে। যদিও অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি। অবশেষে, ২জনের এমপিও হয়ে যায় কিন্তু ১জনের ফাইল আটকিয়ে প্রায় ৩০হাজার(আনুমানিক) টাকা ঘুষের মাধ্যমে এমপিও দিয়েছে। এটা শিক্ষাখাতের জন্য চরম আপত্তিকর ঘটনা। যা প্রতিনিয়ত ঘটছে।
এমপিওভুক্তি আবেদনে উপজেলা থেকে ফাইল ফরওয়ার্ড করতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সরাসরি ৩ হাজার টাকা দাবি করেন। এবং টাকা দেওয়ার আগ পর্যন্ত ফাইল আটকিয়ে রাখেন। এছাড়াও বকেয়া বেতন , বিএড স্কেল সংক্রান্ত কাজেও ২০০০ এর নিচে একটাকায়ও ফাইল ছাড়বেন না বলেও ঘোষণা দেন। আমি ছাড়াও শত শত শিক্ষক থেকে ফাইল আটকিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ একজন কম্পিউটার অপারেটর থেকে বর্তমানে সহকারী শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার) দূর্নীতি করছে তা অকল্পনীয় । ইউনও মহোদয় অনেক স্ট্রিক কিন্তু আজ উনাত চোখের সামনে এমন করছে যা উনার স্ট্রিকনেসকে উনি নিজেই হাসির পাত্র বানিয়ে ফেলছেন।
ঘাগড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী । ২০২০ সালের ঘটনা । জেএসসি ও এসএসসি সার্টিফিকেট আনতে গেলে স্কুল প্রধান আমার কাছে 1000 টাকা দাবি করে পরে আমি 500 টাকা দিয়েছিলাম।
তেজগাঁও মডেল হাইস্কুলের 2018 সালের ম্যনেজিং কমিটির সদস্য —, আমাকে চাকরি ফেরত দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে 200000 টাকা ঘুষ নিয়েছে। অবশ্য আমাকে চাকুরি ফেরৎ দিয়েছিল। পরবর্তীতে আমার টাইমস্কেল অনুমোদনের জন্য আমার কাছ থেকে 100000 টাকা ঘুষ নিয়েছে এবং 40000 টাকা মূল্যের একটি কম্পিউটার ঘুষ নিয়েছে। আমি তা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমি তেজগাঁও মডেল হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক ছিলাম। পরবর্তীতে তাদের অত্যাচারে চাকরি ফেলে রেখে চলে আসতে বাধ্য হই।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩ সালে আমার চাচতো বোন ১৫০০০০০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি চাকরি নিয়েছে। শিক্ষা অধিদপ্তরের ভেতরের কোন কর্মচারীর সাথে এ লেনদেন হয়েছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে।সকল কাজ করে দেন গোসাইরহাট উপজেলা নাগেরপাড়া ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক (......নাম....)তার মাধ্যমে। তিনি মূল হোতা। এই নিয়োগে আমার ইউনিয়নে অর্থের বিনিময়ে আরো কয়েকজনের চাকরি হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫। আমার চাচাতো বোনের ছেলের ১৫০০০০০টাকার বিনিময়ে চাকরি হয় ।
আমি প্রথমে দপ্তরি চাকরির জন্য আবেদন করি। তারপরে তারা আমার কাছে সাড়ে তিন লাখ টাকা চায় । আমি দিতে অস্বীকার করি কারন আমি ঘুষ দিয়ে কোন চাকরি নিব না।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে আসলে টাকা দিতে হয়। আমার এখানে সরাসরি চাওয়া হয়। কোন ফাইল (যেমন : এমপিও আবেদন কিংবা বকেয়া বিল প্রাপ্তির আবেদন) ফরোয়ার্ড করাতে টাকা ছাড়া উপায় নেই। দেখা না করলে কল করে। বিদ্যালয়গুলোর ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নেয়।
আমার নাম্বার ইমপ্রুভমেন্টের সার্টিফিকেট এর জন্য বোর্ডে যাওয়া লেগেছিল , ইমপ্রুভমেন্ট সার্টিফিকেট তোলার আগে আমার পূর্বে সার্টিফিকেট তোলার জন্য আমার কলেজে একবার বকশিশ দিতে হয়েছে এবং পরবর্তীতে শিক্ষা বোর্ডে যেও সেখানে আমাকে বকিস দিতে হয়েছে , ১০০ টাকা । তাদের দাবি আরো বেশি ছিল কিন্তু আমি অনেক কিছু বলে তাদেরকে কনফারেন্স করে ১০০ টাকা দিয়েছি । এছাড়া আমি সেখান থেকে আসার সময় শিক্ষকদের সাথে একই পরিবহনে উপস্থিত ছিলাম । তাদের শিক্ষকদের কথোপকথনের বুঝলাম তাদের পদোন্নতি এবং ট্রান্সফারের জন্য শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন অফিসারের কাছে টাকা দিতে হয় , মানে তাদের খুশি করতে হয় । একটি শিক্ষা বোর্ডে যদি এরকম হয় তাহলে ছাত্রছাত্রীরা শিখবে কি ।
govt officer under the table
বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনের অনুমতি নিতে ।
সব কিছু কাগজপত্র জমা দেয়ার পর ও কমিটি গঠন ও নবায়ন করা জন্য দিতে হয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৫ম শ্রেণি থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উর্ত্তীণ ৩৬ জন শিক্ষার্থীদের কাছে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্রের জন্য ২০০ টাকা করে দাবি করে। টাকা না দিলে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্র দিবে না। আমি বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দিয়ে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করি। এছাড়া ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে যারা ভর্তি হয়েছে তাদের কাছ থেকে গড়ে ১০০ টাকা ভর্তি ফি নিয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে প্রধান শিক্ষক আনুমানিক ৬০০০ টাকার বেশি ঘুষ নিয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পেনশনের ফাইলে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন শিক্ষক নেতার মাধ্যরম। আমার কাছে প্রথমে ২০ হাজার দাবি করলে পরে ৮ হাজার টাকায় দফা হয়। আমি টাকা পরিশোধ করেছি। কিন্তু আমার কাজটি এখনও শেষ হয়নি।
সহকারী শিক্ষকে(ইংরেজি) এর এমপিও করার জন্য আবেদন করেছিলাম। ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় ফাইল রিজেক্ট হয়। যোগদানের ৬ মাস পার হলেও এমপিও হয় নি।আমার কর্মস্থলের শিক্ষকদের অধিকাংশই বলেছিলো শরীয়তপুরে ঘুষ ছাড়া বেতন হয় না। পরে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
দাবি করেছিল, আমি পরিশোধ করেছি।
এমপিওভুক্তকরণের জন্য দাবি করেছিল এবং আমি পরিশোধ করেছি।
আমার একটি নাম সংশোধন করার জন্য শুধু একটা স্বাক্ষর করবেন তাতেই ২০০০ টাকা চেয়েছেন..
Borleka Upojela marito sutir jonno abedon joma dite taka disi 5000 aroyo onek bar jokhon kunu kajer jonno gesi taka dite hoise na dile kaj hoina
আমরা ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ জন ভুক্তভোগী শিক্ষক। বাড়ি থেকে অনেক দূরের স্কুলে ntrca এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ায় ব্যাপকভাবে হয়রানির শিকার হয়ে এসেছি। একপ্রকার আতঙ্কিত করে নানান ভয়ভীতি দেখিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের সিন্ডিকেট সদস্য যে নিজেই একজন শিক্ষক নাম —, টেকনাফে একটা স্কুলে চাকরি করে সে আমাদের কাছ থেকে এক লাখ আশি হাজার টাকা নেয়। শুনেছি তার মাধ্যম ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে ফাইল ফরওয়ার্ডিং এর কাজ সফল হয়। নিজের স্কুল, উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস সবজায়গার সিন্ডিকেট। আমার জানামতে আমরা ১২ জনে, জনপ্রতি এককালীন প্রতিজনে ১৫ হাজার টাকা করে দিলেও ভিতরে ভিতরে আরও টাকা নিয়েছেন সেই শিক্ষক। আমরা নিরুপায় ছিলাম। এই সিস্টেমের প্রতিকার চাই।