নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চুনারুঘাট, হবিগঞ্জে গেলে তারা বলে হজ্জের জন্য অর্জিত ছুটি নিতে গেলে ৫০০০ টাকা না দিলে ছুটির কাগজপত্র হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ফরোয়ার্ড করবেনা। হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কেরানি সঞ্জিত নিছে আরো ৫০০০। সঞ্জিত বলেছে ৮০০০ টাকা না দিলে বিভাগীয় অফিসে কাগজ পাঠাবেনা। উপপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সিলেটের কেরানি নিত্য বাবু নিয়েছে ৩০০০ টাকা। তারপর ছুটি মঞ্জুর করে
আমার এক পরিচিত কলেজ শিক্ষকের বেতন গভর্ণিং বডি বন্ধ রেখেছিল। তাই কলেজ থেকে ইএফটির হাল নাগাদ তথ্য পাঠানো হয়নি। কিছু দিন আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ইএফটির তথ্য আপডেট করার জন্য আবেদন করে। এটার অনুমোদনের জন্য টাকা চাওয়া হয়েছিল।
জেলা অফিস হতে বদলির আদেশ অগ্রয়ণ করার জন্য উপজেলায় অফিস আদেশ আসে এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা — তা অগ্রায়ন করার জন্য ম্যাম — হতে ২৫০০০ টাকা দাবি করেন।ম্যাম ৫০০০ টাকার খাম দেওয়ার পরও তা প্রত্যাখান করে। ২৫০০০ টাকা না দিলে ফরওয়ার্ডিং দিবে বলে তার অফিস স—ারী — এর মাধ্যমে জানিয়ে দেন।
আমার আম্মুর নাম পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু শিক্ষা বোবোর্ডের কর্মকর্তা দের আচরণ দেখে মনে হয়েছে যে শিক্ষা বোর্ড তাদের পপৈতৃক সম্পত্তি। ঘুষ ছাড়া কিছু হয় না ওখানে। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে নিজ সার্থের জন্য টাকা দিতে বাধ্য হই।
প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার স্কুল ভিজিটে এসে সবাইকে উপস্থিত পেলেও অর্থ দাবি করেন ও ভয় ভীতি দেখান। টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেন না।
স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক তিনি স্টুডেন্ট দের অভিভাবকদের অফার করেন ২৫ হাজার টাকা দিলে ভালো রেজাল্ট নিয়ে দিবে। টাকা দেওয়ার পর ভালো রেজাল্ট হয়ে গেছে শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক দুর্নীতি হয় আমি চাই ভালো একটা তদন্ত হওয়া উচিত। এটা দুই বছর আগের ঘটনা আমার শালিকার জন্য ঘোষ দেওয়া হয়েছিল।
কারনিককে আংশিক পরিশোধ করে ধরা খেয়ে আছি। কাজ হয় নাই। 2 বছর হলো।
আমি ২০২১ সালে এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলায় নিদারাবাদ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়,হরষপুরে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি। আমার এমপিওভুক্তির জন্য প্রধান শিক্ষক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে চেয়ার বানিয়ে দিবে বলে ২০,০০০ টাকা দাবী করেন,,নইলে এমপিওভুক্তি হবে না,,পরবর্তীতে জেলা শিক্ষা অফিস ও আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে দিতে হবে বলে আরও ১০,০০০/ টাকা চান,,আমি ৩ ধাপে ৩০,০০০ টাকা পরিশোধ করলে আমার এমপিওভুক্তির আবেদন করা হয়,,এবং আমি এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। জেলা পরিষদ হতে ক্রীড়া সামগ্রী কেনার জন্য প্রধান শিক্ষককে ১,০০,০০০/ টাকা অনুদান দেওয়া হয়,এবং কিছ না কিনেই ভুয়া ভাউচার তৈরি করা তা আত্মসাৎ করেন, প্রধান শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
আমি দাখিল মাদ্রাসায় পরিক্ষা দিয়েছি। জেডিসি এখন আমার সার্টিফিকেট উওোলন করতে গেলে ১০০০ টাকা চাচ্ছে। থিকানা নরসিংদী জেলা রায়পুরা থানা বাঁশগাড়ি ইউনিয়ন রাজনগর জান্নাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা।
উপবৃত্তি পাইয়ে দিবে বলে ঘুষ চেয়েছিলেন।
আসসালামু আলাইকুম 'প্রথমে আমি আপনাদের "স্যালুট' জানাচ্ছি আপনার অনেক দৃর এগিয়ে যান, ভয় পাবেন না,জনগন আপনাদের পাশে আছে! আমার অভিযোগ ঢাকার অলিতে গলিতে প্রাইভেট স্কুল নিয়ে, তারা এক প্রকার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্কুল নির্মান করে, আর সব থেকে বড় কথা ঢাকায় কয়টা প্রাইমেরী আর মাধ্যমিক সরকারি স্কুল আছে, সবাই বাধ্য হয়ে প্রাইডেট স্কুলে ছেলে-মেয়েদের পড়াতে গিয়ে নিঃস হয়ে যাচ্ছে। কারন গ্রামে 5 to 10 পর্ডন্ত পড়াতে যত খরচ হয় তা এক ক্লাস পড়াতেই তার দ্বিগুণ খরচ হয়, আর রেজিষ্ট্রেশন ফি বানিজ্য, ফরম ফিলাম বানিজ্য, আর টেস্ট পরিক্ষায় ইচ্ছে পূর্বক ছেলে-মেয়েদের ফেল করিয়ে মোটা অংকের টাকার বানিজ্য, যা সরকারি ফি এর দ্বিগুণ, মানে মধ্যবিত্ত আর গরিব পরিবারের পক্ষে এতো খরচ বহন করা অসম্ভব,please do something.....!?
সার্টিফিকেট সংশোধন। তারা আমাকে বোঝায় অনেক জামেলা। কিন তু অনেক জায়গায় শুনছি কোন জামেলা নেই
বদলির জন্য আবেদন করেছিলাম। বর্তমানে বিদ্যুৎসাহী লোক কমিটিতে নিয়োগ পেয়েছে তারা দাবি করেছিল। বিএনপির দলীয় লোক সবাই।
রংপুরের আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে এসিআর ফরমে সিগনেচারের জন্য অফিসের লোক নিয়েছে।
উপজেলা প্রাথনিক শিক্ষা অফিসে বিভিন্ন বিল পাস করার জন্য বিভিন্ন সময় অর্থ ছাড়া পাস করা হয়না।
অসুস্থতা জনিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, বদলির আবেদন, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে চিকিৎসা সহায়তা আবেদন গ্রহণ ও অগ্রায়নের জন্য এবং জি.পি.এফ ফান্ড চালু ও মাসিক জমার পরিমান পরিবর্তন করার জন্য চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একটি সুপরিচিত সিন্ডিকেট শিক্ষকদের কাছ থেকে ৫০০ হতে ১৫০০ এবং ক্ষেত্র বিশেষে আরও বেশি টাকা দাবি করেন। না দিলে পরবর্তীতে নানান ধরণের হেনস্তা করেন।
আমি আমার সার্টিফিকেট তুলতে গেলে সরকারি ফি জমা দেবার পরও তাদের আলাদা ভাবে টাকা দিতে হয়েছে।
প্রকল্পে চাকরি করি বেতন তোলার সময় শিক্ষা অফিসার সরাসরি ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন।টাকা না দিলে বেতনের কাগজে সাইন করবে না সরাসরি তাই বলে।
আমার বাবার পেনশানের টাকা পাওয়ার জন্য শিক্ষা অফিসে গিয়ে সাইন করে ok করার কন্য গেছিলাম ওরা বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ৩০০০ tk খাইছে তারপর অফিসে এসে সাইন করে দিয়ে দিয়েছে.....
পেনশনের সময় ছুটির হিসাব ও মঞ্জুরী, লাম গ্রান্ট ও গ্রাচুইটি মঞ্জুরীর সময় উক্ত টাকা দেয়া লাগছে।