নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফাইল সাইন করার জন্য পিওন, হিসাব রক্ষক কর্তৃক টাকা চাওয়া হয়। অফিস প্রধান টাকা খেতে না পেরে ফাইল ১ মাসেও সাইন করেনা!
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হওয়ার পর, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে পিয়ন বলে পছন্দের স্কুলে চাকরি করতে পারবো, দিতে হবে ৪০০০০ টাকা। পরে শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলি, উনি আরও কয়েকজন কে নিয়ে বসে, এবং বলে কোন স্কুল তোমাদের পছন্দ দেখ। বেশ কিছুতে দাগ দেওয়া ছিল বললো, এগুলো Already booking, বাকি যেগুলা আছে সেগুলো choice কর। অনেক বলাবলির পর ৩০০০০ হাজারে রাজি হল। এর আগের বছর এক ভাইয়ের চাকরি হয়েছিল, অনেক দূরে চর অঞ্চলে তার posting দেওয়ার সে কিছুদিন Absence ছিল, তারেও বলছে ২ লাখ দিলে সে চাকরি করতে পারবে নইলে তার নাম এ বিশাল মামলা হবে.. টাকাই যেন সব সমস্যার সমাধান
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, বড়লেখা, মৌলভীবাজার। এই অফিসের ছোটবড় সবাই ঘুষের সাথে জড়িত। অফিসের হিসাব সহকারী একজন সহকারী ও সাবেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মত ঘুষখোর খুব কম আছে। প্রতিটা ছুটির আবেদন, নতুন শিক্ষকদের বেতন তুলতে গেলে উপজেলা অফিসের হিসাব সহকারী —কে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে কাজ আগায় না,বেতন হয় না। কত লোককে যে হয়রানি করেছে এটা নিয়ে তা বলার বাইরে। অবশ্য তার ছেলেমেয়ে হয়েছে, যতটা কষ্ট আমার স্যালারি নিয়ে দিয়েছে তার হিসাব খোদার কাছে রইলো। এই অফিসের সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার — মোবাইলের ফ্লেক্সিলোড পর্যন্ত ঘুষ নিতো। প্রতিটা স্কুল ইনশপেকশনে গেলে নেগেটিভ রিপোর্টের ভয় দেখিয়ে স্কুল প্রতি পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা আদায় করতো।
আমি ওমরা করার জন্য ছুটির আবেদন করতে গিয়েছিলাম। এর জন্য আমাকে সরাসরি টাকার দাবি করা হয় প্রথমে আমি ২০০০ টাকা দেই কিন্তু পরে উনি আরো এক হাজার টাকা দাবি করেন।
বিল নিছি আমাকে এখন পর্যন্ত চাপ দিচ্ছে টাকা দেওয়ার জন্য না হলে ফাইনাল বিল দেবে না ডিসেম্বরে।
একটি কিন্ডারগার্টেন এর রেজিষ্ট্রেশন করতে শিক্ষা অফিস এ গিয়েছিলাম। কথা বলার পর জানান যে 2000টাকা লাগবে
স্কুল হেডমাস্টার দিতে বলেছিল কিন্তু আমি প্রত্যাখান করি।আমি দেই নাই।
প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিস, সদর লক্ষীপুরের অফিস-কাম কম্পিউটার অপারেটর নাসিম, আমার একটা এপ্লিকেশন TO স্যার কে ফরওয়ার্ড করতে ২০০০ টাকা চাইছে।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য চেয়েছিলেন উপাচার্য।
শিক্ষকদের নতুন বেতন, প্রত্যয়ন পত্র, বেতন বিবরণী, সার্ভিস বুক লিখন, চাকুরী স্থায়ীকরণ, বিভিন্ন বিল, শিক্ষা অফিসে যত ধরনের সেবা দেয়া হয় সবগুলোতেই, জন প্রতি ১০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা, বড় বিল হলে ১০% পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না
আমার BEd scale প্রাপ্তির জন্য স্কুল থেকে ফাইল অনলাইনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর পাঠিয়েছিলাম। সাথে এমপিও এর অনুমোদনের জন্য আমার ২ জন কলিগও তার বরাবর ফাইল পাঠায়। তিনি টাকা না দেওয়ায় ফাইল আটকে রাখেন। পরে ৬০০০ টাকা দিলে সবার ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর ফরোয়ার্ড করেন। জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারিকে টাকা না দেওয়ায় সেসব ফাইল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ফরওয়ার্ড করা হয়নি। পরে ঐ কর্মচারিকে ৫০০০ টাকা দিলে ফাইল ফরওয়ার্ড করা হয়।
Greese এ আবেদনের জন্য bd appostile হয় না। বলাতে তালবাহানা করে অনলাইন করতে হবে, মিনিস্ট্রি এটাসটেসন করে তারপর নবাব জাদার কাছে নিয়ে যেতে টাকা দিয়েছি সব ঠিক। হারামজাদা দের জন্য দেশ ছাড়তেছি
shorkari bhabe bola hoyeche je practical e kono otirikto tk neoa hobe na, kintu thik e college shikkhok abar board exam e obbhontorin sikhok bolen je mama(khata collect koren jini) tader beton deoa hoy na... tarpor mama ra shobar kas theke tk nen. ami boli je eita bhaddota mulok kina? tarpor uni janan je na dile shomossha nei kintu onnanno college e 180tk/200tk prottek practical exam e ney amra tao to 50 tk nicchi. benefit: so called practical exam e deikha lekhte dey+viva te jigash kore tumar nam ki, gramer bari koi, etc. and onk time e teacher porichito hoile gan gaiteo bole ar oporichito hole tough viva nen.janina na eta ghush kina but amar mone hoise tai bollam.
আমার মাধ্যমিক(২০২২) সমমানের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি টাকা আদায় করতে গিয়েছিলাম যেটা উচ্চ মাধ্যমিক এর ২ বছরে পাবার কথা।এখনও ১ টাকাও পাইনি।সব কাগজপত্র উচ্চ মাধ্যমিক এর প্রথম বর্ষে ঠিক সময়ে সঠিক তথ্যে জমা দেওয়া ছিল।আজ পর্যন্ত টাকা পাইনি।ওইখানে একজন ভদ্রলোক বলেছিল সরকার টাকা দিয়ে দিবে। পেলাম না টাকা। কেও যদি পারেন আমার মতন আরও ১০ টা ছেলের টাকা আটকায় আছে আমি চিনি।চিনি না এমন অহরহ তো আছেই।কি উদ্যোগ জানি না তবে টাকা পেলে উপকার হয় নাতো আমি তাদের মাফ করে দিলাম।আমার সামান্য টাকার জন্যে তাদের স্বর্গে যাওয়া থেকে বঞ্চিত করলাম না আর। আগায় যাক আমার দেশ।
প্রত্যয়ন পদ নিতে হলে ১০০ টাকা দেওয়া লাগবে
যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি সার্টিফিকেট, এ্যাডমিট কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনে দেওয়া ছিল৷ তার জন্য সরকারি চার্জ অনলাইনে পরিশোধ করেছিলাম৷ কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংশোধন হওয়ার পরে তা নিতে গিয়ে চা নাস্তা বাবদ একশ টাকা দাবি করে ওই বিভাগের এক কর্মকর্তা। আমি ৫০ টাকা দিয়েছিলাম
ফাইল আটকে রেখে অর্থ দাবি করা
অনলাইনে এইচএসি সার্টিফিকেট সংশোধনের আবেদন করার পর দীর্ঘদিন আমার ফাইলটি আটকে ছিল, সংশোধন হচ্ছিল না। এরপর আমি ঢাকা বোর্ডের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করি এবং সেখানে থাকা উপসচিবের সহকারী আমাকে আলাদা রুমে নিয়ে যায়, আমার তথ্য দেখবে বলে। রুমে তিনি আমাকে এবং আমার সঙ্গে থাকা আরেকজনকে কিছু টাকা চায়। তিনি এক হাজার টাকা এবং তার সঙ্গে থাকা দুইজন মোট ১,৫০০ টাকা প্রদান করে এবং আমাকে জিজ্ঞেস করেন, “এই কাজের জন্য ৫০০ টাকা দিতে পারবেন কি?” আমি বলি, “না, আমার কাছে টাকা নেই; গাড়ি ভাড়া ছাড়া আর কিছু নেই।” এরপর তিনি বললেন, “আচ্ছা, অপেক্ষা করুন,”। পরে আমি সরাসরি উপসচিবের সঙ্গে কথা বলি, যদিও আমি এই বিষয়টি তাকে না বলি। উপসচিবকে অনুরোধ করি। এরপর তিনি আমার অনুরোধে রাজি হয়ে নাম সংসোধন করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এর অফিস সহকারী নিলুফা টাকা ছাড়া কোন ফাইলের কাজ করেন না। টাকা দিলে সব কাজ হবে না দিলে ফাইনাল হারিয়ে যায়।।
এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বদলী সংক্রান্ত ঘুষ বাণিজ্য