নিয়োগ পত্র দেয়া
নিয়োগের পত্র আনতে গিয়ে দেখি কেরানী ড্রয়ার খুলে রাখছে।সবাই ৫০০,১০০০,২০০০ দিয়া সহকারী শিক্ষক এর নিয়োগপত্র নিচ্ছে।১৬ বছর আগের কথা।কিন্তু এখনো মনে পরে।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নিয়োগের পত্র আনতে গিয়ে দেখি কেরানী ড্রয়ার খুলে রাখছে।সবাই ৫০০,১০০০,২০০০ দিয়া সহকারী শিক্ষক এর নিয়োগপত্র নিচ্ছে।১৬ বছর আগের কথা।কিন্তু এখনো মনে পরে।
আমার পি এস সি এবং জেএসসি সার্টিফিকেটে বাবা এবং মায়ের নামের বানানে সামান্য ভুল থাকায় তা সংশোধন করার জন্য যাই,বিভিন্ন রকম ঝামেলায় পড়ে কোনো উপায় না পেয়ে ১৫০০০ টাকা চুক্তিতে কাজটি করে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।কিন্তু বাবার নাম ঠিক করলেও এখন পর্যন্ত মায়ের নাম ঠিক করেনি,এইসব অনিয়মে অতিষ্ঠ হয়ে আমিও আর যোগাযোগ করিনি।ঘটনা ২০২১ সালের।আজ০২-০৯-২০২৬
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ছিলেন, পেনশনের টাকা তোলার জন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে টিও অফিসের এক কেরানি এর কাছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে
রেজিষ্ট্রেশন কার্ড, এস এস সি নাম্বার পত্র, প্রসাংশা পত্র বাবদ প্রতি জন ১০০০ টাকা নিআ্চ
টাকার বিনিময়ে কম সময়ে কাজ করতে চাইছিলো
সহকারি শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডে বেতন উন্নিত করতে জন প্রতি ২০০০/- টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। বর্তমানে কাজ চলমান।
২০১৯ সালে ইউসুফপুর কৃষি উচ্চ বিদ্যালয় এ অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে প্রধান শিক্ষক উক্ত অর্থ গ্রহন করে । পরবর্তীতে ২০২৩ সালে উক্ত পদ থেকে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে অন্য চাকরি তে চলে আসে এতে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা হয় যে উক্ত অর্থের অর্ধেক এর একটু বেশি টাকা ফেরত দিবে । কিন্তু কিছু দিন অতিবাহিত হবার পরে শুধু ৫০ হাজার টাকা দিয়ে আর বাকি টাকা দেই নাই । কিন্তু প্রধান শিক্ষক উক্ত পদে আবার নিয়োগ দিয়ে ঠিকই আবারো অন্য ব্যাক্তি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহন করেছে ।
প্রতিবার আমার বাবার পেনশনে টাকা উত্তলন করতে গিয়ে ৫০ বা ১০০টাকা দিতে হইতো
রহমত পুর মাদ্রাসা সুপার অন্তত ১২ জন লোক কে ঘুষ দিয়ে চাকরি দিছে এক একজন কাজ থেকে পেরায় দশ লাখ টাকা ১২ লাখ করে টাকা নিছে এটা হলো উপজেলা আমতলী জেলা বরগুনা ইউনিয়ন কুকুয়া ওয়াড নং ০৯ মাদ্রাসা নাম রহমত পুর কিছুদিন আগে একজন লোক নিছে নাইট গাড তাও ১০ লাখ টাকা দিয়ে
আমি শিক্ষা বোর্ডে যায় মেসেজ আসার পর নাম কারেকশন এর সার্ভার কপি প্রিন্ট করে জমা দেওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি আমাকে এভয়েট করে। রিকোয়েস্ট করার পর তা নিল এবং বলল তাড়াতাড়ি করার ব্যবস্থা কর। পরে উনার মোবাইল নম্বর নিয়ে চলে আসি ।এখনো আমাকে মিটিং এ ডাকা হয়নি।
অন্ত উপজেলা বদলির জন্য। ঘুষ না দেয়ায় ১৫ বছর যাবত বদলি হতে পারছিনা। বদলি নীতিমালা অনুকূল হয়না। অথচ আমার স্কুল থেকে যারা ঘুষ দিচ্ছে তারা বদলি হয়ে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বর্তমান । ইনি স্কুল পদায়নের নামে বিভিন্ন নবযুক্ত এবং পূর্বের শিক্ষকদের কাছ থেকে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুষ নিয়ে থাকেন। উনি ঘুষ ছাড়া কিছুই বোঝেন না উনার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
উপজেলা শিক্ষা অফিস এিশালে ৫ম শ্রেণির সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম,কম্পিউটার অপারেট/পিয়ন হবে হয়তো , সংশোধনের ফর্ম জমা নিতে চায়নি, বলে ডিআর এর কপি ছাড়া জমা নিবো না। এছাড়া অন্য আরেকটি উপায় আছে ৫০০০টাকা দিলে ১ সপ্তাহের মধ্যে সংশোধন করে দিতে পারবে।, তারপর অন্য একজন শিক্ষা অফিসের কমকর্তাকে (ডিআর ছাড়া ফর্ম জমা নিচ্ছে না জানানোর পর) ওনার সুপারিশে ফর্ম জমা নেয়, কিন্তু প্রায় ৬ মাস পর সংশোধিত সার্টিফিকেট হাতে পায়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে যিনি ফর্ম বিতরণ করেন, ওই আংকেলটা ফর্ম তোলার জন্য সময় আমার কে বলে যদি আমি ফলাফলের তালিকায় না আসি তবে তার মাধ্যমে আমি ওইখানে ভর্তি হইতে পারবো। তারপর উনি ব্যক্তিগতভাবে উনার নাম্বারটা দেয়, এবং ওনাকে কল দিয়ে বললে বিকাশে বা নগদের টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলে আমাকে জানে। যদিও আমি এই অন্যায় পথ অবলম্বন করি নাই
আমি একজন এমপিও শিক্ষক। এমপিও ফাইল পাঠাতে দেরি করায় ৮ মাসের বকেয়া আটকে আছে। বকেয়ার আবেদন করতে হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে খুশী করা বাবদ ১২০০০ টাকা দাবি করছে। সেখানে আমাকে বলা হইছে উপজেলা শিক্ষা অফিস,জেলা শিক্ষা অফিস এমনকি বরিশাল বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট করবে। আমি নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। 😭 টাকা নিয়ে আমার কাজ করেনি প্রতিষ্ঠান প্রধান! এখন ইনিয়ে-বিনিয়ে আরো টাকা চাচ্ছে।
৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে একটি হাইস্কুলে একসাথে একাধিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছিলাম। এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য জন প্রতি ৫০০০ দিতে হয়েছে। এটা সারাদেশের শিক্ষা উপজেলা অফিসের চিত্র।
অনলাইনে আবেদন করার পর, সার্টিফিকেট এসেছিল ঠিকই তবে কখনো দিতো না। এইভাবে কয়েকবার শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ার পর একদিন এক দালাল ধরে। তারপর সে আমার থেকে ৫০০০ টাকা নিয়ে সার্টিফিকেটটি ম্যানেজ করে দেয়। তখন আমি কলেজ ১স্ট ইয়ারে পড়ি ।
বাবা মৃত্যুর পর বাবার পেনশনের টাকা উত্তলোন এর জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে শুরু করে জেলা শিক্ষা অফিস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সব মিলিয়ে ১.৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
If you goto bmdc , make sure you carry about 500000 . There are two office boys, 2nd floor in glass box with aircon . For any work in bmdc you need to goto them. They will not move a hair without some payment(at least 15000 taka) and won't even look at you, where their job is to look after your demands. Then in the third floor the assistant registrar who verifies documents of foreign students he will find out faults you will not believe are faults. He will scold you and will send you back and you must pay the two guys in the second floor a huge sum of money , I had to pay 50000 taka because I did mbbs from China and I was not able to produce online class make up certificate.
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড হল ঘুষের আকড়া। এমন কোন কাজ নেই যেটা টাকা ছাড়া হয়। পিয়ন, অফিসার মোটামুটি সবাই জড়িত। অফিসাররা একেকজন জমিদার। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি। প্রতি পদে পদে টাকা দিতে হবে। নইলে দূর দুরান্ত থেকে আসা ছাত্রদের ফিরে যেতে হবে। আমার অনেক টাকা খরচ হয়েছিল।