কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর - বদলি
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শাখা ০৪ এর — বদলি হতে টাকা চাই।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শাখা ০৪ এর — বদলি হতে টাকা চাই।
NTRCA এর মাধ্যমে সুপারিশকৃত শিক্ষকের নিউ এমপিও করার জন্য প্রতিষ্ঠান আমার থেকে ১০০০০৳ অনৈতিক অর্থ দাবি করে।অনিচ্ছা সত্ত্বেও টাকা দিতে হয়েছিল।
এসএসসি পরীক্ষায় আমার ছোট বোনের সবগুলোই এ প্লাস আসছিল কিন্তু আইসিটি সাবজেক্টে তার ফেল আসছিল কিন্তু রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে আমি যোগাযোগ করেছিলাম এক কেরানির সাথে সে বলেছিল যে এটা মনে হয় ভুলবশত আসছে তবে আপনি যদি আমাকে 50000 টাকা দেন আমি এটাকে প্লাস করে রেজাল্ট বানিয়ে দিব আমি বলেছিলাম যে বোর্ড চ্যালেঞ্জ করেছি এটা কি খাতা নতুন করে দেখবেনা...? সে বলল যে বোর্ড চ্যালেঞ্জার জাস্ট নমুনা লক্ষ লক্ষ বোর্ড চ্যালেঞ্জ করে এত খাতা দেখা কি সম্ভব এটা কোন সময় এত খাতা দেখে না জাস্ট দুই একটা স্কুলের খাতায় বের করে গণমাধ্যম ভিডিও করে বলে যে সব খাতা দেখা হয়েছে কিন্তু আসলেই ওইভাবে এত খাতা দেখা হয় না পরে ওর কথা মতো আমাদের কোন রেজাল্ট আসে নাই ফেল আসছে
কাজ শেষ করে টিইও অফিস থেকে কাজের প্রত্যয়ন ও চেক নিতে হয়। প্রত্যয়ন ও চেক নিতে টিইও বলেন ১০০০০/- দশ হাজার টাকা দিতে হবে অডিট আসলে আমাদের খরচ হয়।
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে আপনি দেখবেন যে পরিমাণ ঘুস লেনদেন হয় অবাক হয়ে যাবেন।
আমাদের বিয়ের দশম গ্রেড/বেতন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে নির্ধারিত নিয়মে অনলাইনে আবেদন দাখিল করা হয়। আবেদন দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে আবেদনটি যাচাই করে যথাসময়ে মূল সার্ভারে ফরওয়ার্ড করা সংশ্লিষ্ট অফিসের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমরা ১ তারিখে অনলাইনে আবেদন দাখিল করার পরও ৮ তারিখ পর্যন্ত আমাদের আবেদনটি ফরওয়ার্ড করা হয়নি। এর ফলে আবেদনটি যথাসময়ে পরবর্তী ধাপে না যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক এক মাসের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অন্যদিকে, আমাদের কাছে বিভিন্ন মাধ্যমে এমন তথ্য আসে যে, অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর কিছু আবেদনকারীকে দ্রুত ফরওয়ার্ড করে দেওয়ার জন্য 2000/3000
সার্টিফিকেটে নাম ভুল ঠিক করার জন্য তারা মিষ্টি খাওয়ার নামে টাকা দাবি করে। এছাড়া কোনো উপায় ছিলোনা
সহকারী প্রাইমারী শিক্ষক, লিখিত পরীক্ষা পাশ করার পর ভাইভার আগে চাওয়া হয়েছে। দেইনি।চাকরি ও হয় নি।
স্হায়ী করনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও অফিস সহায়ক
আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিছেলাম সকুল ডকুমেন্টস নিয়ে অন্য মন্ত্রনালয়ে ভাইভা পরীক্ষার অনাপত্তিপত্র এর জন্য। আমাকে ১০০০ টাকা চাইলো, আমি বললাম স্যার এত পারবো না, আমার কাছে এত টাকা নেই। আপনি ৫০০ টাকা রাখুন। কিছু দিন যখন ডকুমেন্টস আনতে গেলাম, তখন আমাকে আসার সময় ডাক দিয়ে আবার ৫০০ টাকা নিলো।। আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি....
প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষকদের ১৭ জনের এরিয়া বেতন বিল পাশ করতে জন প্রতি ১৬০০০ টাকা হিসেবে ১৭ জনে ২৭০০০০ টাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও ট্রেজারি কে দিতে হয়।
ঝিনাইদহ জেলায় অবস্থিত গান্না ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত কুটি দুর্গাপুর মাদ্রাসায় ল্যাব সহকারি পদে নিয়োগের জন্য আমি আবেদন করেছিলাম। পরবর্তীতে আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। বলা হয় ১০ লক্ষ টাকা দিলে কোন প্রকার পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না সরাসরি নিয়োগ হয়ে যাবে। ১০, ১২ হাজার টাকা বেতনের একটা চাকরির জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ । আমি সাথে সাথে প্রত্যাখ্যান করি।
আমার পিএসসি সার্টিফিকেটে মায়ের নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম, সেটা সংশোধনের জন্য কোনো টাকা লাগে নাহ। কিন্তু ওরা আমার কাছে ৪০০৳ দাবি করে, এবং সেই টাকা নিয়ে ৩ মাস পর সংশোধন করে দেয় । আমরা চাই আমাদের দেশ এই ঘুষ মুক্ত হোক। গড়ে উঠুক সকলের মাঝে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক।
সার্টিফিকেট নাম সংশোধন এর জন্য জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে ২ বছর হতে চললো। কিন্তু এখোনো তা সমাধান করেনি মধ্যমিক স্কুলে পরিদর্শন করে যাওয়ার পরেও সব ঠিক থাকা সাপেক্ষেও আমার ফাইলটার সমাধান না হওয়ায় জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো শিক্ষা অফিস ৫০০০০/- টাকা দাবি করে। এক্ষত্রে করণীয় কি?
Academic supervisor came to surprise visit. His assistant claimed Tk. 5000 for keeping good connection. After bargaining has been paid 3000 Tk.
অফিস সহকারি এবং উচ্চমান সহকারি সরাসরি টাকা দাবি করে ৯০০০ টাকা, টাকা না দিলে ওরা ফাইলের কোন কাজে হাত দিতে চাই না আর বলে আপনি নিজে নিজেই কাজ করে নেন পরে বাধ্য হয়ে আমার শ্বশুরের পিআরএল কাজের জন্য দিতে হয়েছে ৭৫০০ আর অবসরের কাজের জন্য দিতে হয়েছে ১১০০০টাকা।শুধু তাইনা যেকোন কাজ করতে হলে নূন্যতম ১০০ টাকা হলেও ওদেরকে টাকা দিতে হয় নতুবা কাজ করে দেয়না।
ভুল গুলো কারেকশন করার জন্য দিতে হয়েছিলো। এর আগে কয়েকবার মেনুয়ালি চেষ্টা করেছি, কিন্তু হয়নি। পরে টাকা দিয়ে করিয়েছিলাম।
কারেকশন এর জন্য দিতে হয়, ম্যানুয়ালি কয়েকবার চেষ্টা করছি।
লালবাগ থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে স্কুল থেকে পাঠানো যে কোনো এম পি ও ফাইলের অনুমোদন এর জন্য , অর্থাৎ থানা থেকে জেলা অফিসে ফাইল ট্র্যান্সফারের জন্য ফাইল প্রতি মিনিমাম ২০০০ টাকা না পেলে উনি ফাইল এপ্রুভ করেন না। নানা রকম টালবাহানা করে। ক্ষেত্রবিশেষ এ আরও বেশি দাবী করেন।
নিয়োগ বানিজ্যঃ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ন নিজেদের মত নিয়োগ দেওয়া হলো: ১. প্রশ্ন তারা নিজেরাই করলো, এবং আগে থেকে প্রশ্ন দিয়ে দিলো, কারণ BSC লেভেল এর প্রশ্ন কি ভাবে Diploma করা ব্যক্তি পারে। ২. একই ফ্যামিলির ২ ভাই, বড় ভাই JPO, ছোট ভাই ট্রেইনার পদে জব দেওয়া হলো। ৩. অযোগ্য লোক স্কিল সেক্টর এ ডুকে দেশটা শেষ করে দিলো