প্রশংসা পত্র তোলার জন্য ঘুষ
১৮ জন ছাত্র/ছাতীদের প্রশংসা পত্র তুলতে গেলে জন প্রতি ৫০০/= করে টাকা দাবি করে
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
১৮ জন ছাত্র/ছাতীদের প্রশংসা পত্র তুলতে গেলে জন প্রতি ৫০০/= করে টাকা দাবি করে
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বরিশাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ স্টাডি সেন্টারে M.ed প্রথম সেমিস্টারের ভাইবে ছিল। ভাইবা চলাকালীন সময়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমের সামনে বসে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নিয়েছি যা নিয়ম নীতি বহির্ভূত।
NTRCA কর্তৃক ৭ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ লাভ করি ফেব্রুয়ারি মাসে। মার্চ ও মে মাসে বেতন চালুর জন্য ফাইল পাঠিয়ে প্রথমবার জেলা ও পরে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস থেকে ফাইল প্রত্যাখাত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে আবার ফাইল পাঠালে প্রথমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে গড়িমসি করে এবং পরে ৩k টাকার বিনিময়ে ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়। এখান থেকে পরে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে ফাইল সেন্ড করে। পরে আমি এই মাসের ১৮ তারিখে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে যাই খবর নিতে যে আমার ফাইল কবে নাগাদ মাউশি তে পাঠাতে পারে জানার জন্য (যদিও এটা স্কুল থেকেই জানা যায় কিন্তু প্রধান শিক্ষক জানাতে চায় না বা তথ্য দিতে চায় না। ফাইল পাঠাতে প্রধান শিক্ষক নিজেও ২০k টাকা নিয়েছেন)। সেখানে কম্পিউটার অপারেটর ১৫k টাকা দাবি করেন
বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে লেইট করে তাই টাকা দিতে বাদ্য হইছি।
জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর বিনামূল্যে সরবরাহ কৃত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রনের দরপত্রে সকল যোগ্যতা আছে ও আমি লোয়েস্ট হয়েছি তারপর তারা ১৮ লক্ষ টাকা দাবি করে না দিলে কাজ দিবে না।
আমার বিদ্যালয় নিম্ন মাধ্যমিক এমপিও হয় ভুক্ত শিক্ষকদের এমপিও করানোর জন্য উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর ঢাকা অঞ্চলের অফিস সহকারি আমার কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিল যার মাধ্যমে এমপিও করে
প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেছেন এলাকার কমিটির মাধ্যমে শিক্ষকের বদলি অনুচিত। তাও মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের বাধ্য করছে এলাকার লোকাল কমিটির কাছে আবেদন জমা দিয়ে বদলি হতে কারণ সেখানের পার্সেন্টিজ সোজা সারা বাংলাদেশ থেকে ঐ ডিজির কাছে পৌঁছে যায়। মিরপুর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ঐ মহিলা ডিজি বদলির অর্ডার করা বন্ধ করে দিয়েছে। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন অধিদপ্তর থেকে কোন বদলির অর্ডার হচ্ছে না। কারণ ডিজি চায় এলাকা থেকে হোক এবং তার কাছে কমিশন পৌঁছে যাক। আপনারা দ্রূত ব্যবস্থা নিন যাতে মিরপুর অধিদপ্তর থেকে বদলির আদেশ জারি করা হয়। এবং ঐ মহিলা ডিজির সারা বাংলাদেশের লোকাল কমিটি থেকে পার্সেন্টিজ নেয়ার পথ বন্ধ হয়। প্রাথমিক শিক্ষকরা এই লোকাল কমিটির ফাঁদে পড়ে অসহায়ের মত হয়ে আছে।
সার্টিফিকেটের ভুল সংশোধন করতে গিয়ে যেখানে সরকারিভাবে ৩০০ টাকা নেওয়ার কথা সেখানে আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছিল ৮০০ টাকা অর্থাৎ ৫০০ টাকা তার নিজেরা খেয়ে নিয়েছে। যা রাজশাহী গভর্নমেন্ট সিটি কলেজ সহ অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এমন হয়ে থাকে বলে আমার ধারণা। যেসাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য দুর্ভোগময়। ধন্যবাদ।
জিপিএ ফান্ডখোলা নিয়ে বলেছিল যে দেরি।হবে ওয়েট করতে হবে।তারা অনেক গড়িমসি করছিল। তাই আগে যারা জিপিএফ ফান্ড খুলেছিল তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা বলেছে টাকা দিলে আপনাদের কাজ করে দিবে। তাই বাধ্য হয়ে ৮০০ টাকা তাকে দিয়েছিলাম যাতে করে আমাদেরকে কষ্ট করে আর শিক্ষা অফিসে যেতে না হয়। কারণ আমাদের যাতায়াতে খরচ হয়ে যায় ১০০ টাকার বেশি সেখানে আমরা আটজন শিক্ষক ১০০ করে ৮০০ টাকা দিয়েছিলাম জিপিএফ ফান্ড খোলার জন্য। এছাড়া শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা পাবার জন্য আমরা ১০০ টাকা করে দিয়েছিলাম 63 জন শিক্ষক। এভাবে শিক্ষা অফিসে যেকোনো কাজ করতে যাক না কেন কম্পিউটার অপারেটর যারা আছে তারা বিভিন্নভাবে টাকা আদায় করে থাকে। এগুলো থেকে আমরা প্রতিকার চাই।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতা প্রাপ্তিতে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রতি শিক্ষক থেকে সর্বনিম্ন ৩০০০ থেকে ৭০০০ টাকা নেয়া হয়,টাকা না দিলে বিভিন্ন অযুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয়। এগুলো করা হয় নাকের ডগায়। দেখার কেউ নেই, সারা বাংলাদেশের একই চিত্র। এর থেকে পরিত্রান উপায়ে সরকার ব্যার্থ। বরং সরকারের সহযোগিতা আছে বলে এমন হয়, হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয় প্রতি বছর, উপজেলা থেকে শিক্ষা অধিদপ্তর মন্ত্রনালয়,সব দূর্নীতিবাজ বসা।
স্কুলে যোগদানের পর সরকারি ভাতা(বেতন ) করতে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা তাদের উপরী চাওয়ার কারণে আমি ও আমার সহকর্মী এই পরিমাণ অর্থ উৎকচোন দিতে হয় যেটা খুবই খারাপ কাজ।
নিয়োগপত্র পাওয়ার পর হাতিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ইএফটি ও অন্যান্য অফিসিয়াল কার্যক্রমের জন্য উক্ত অফিেসর উচ্চমান সহকারী ১৭০০ টাকা এক প্রকার বাধ্য করে নেয়। বলে যে এখানে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস এবং অন্যান্য পার্টিদের অংশ আছে৷
Taka na dile testimonial dibe na bolche, tai porisodh kora lagche.
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ।ওনার পেনশন উঠাতে গিয়ে কিশোরগঞ্জে শিক্ষা অফিসার ইউডি পদে আছে — ওনি প্রায় ৫০০০০ টাকা ঘুষের বিনিময়ে আমার পেনশন উত্তোলন করার সময় নেয় ওনি ও ওনার স্টাফ ।টাকা না দিলে অনেক সমস্যর কথা বলে যার কারণে দিতে হয় এমন কি হিসাবরক্ষক অফিসেও টাকা নেয় আমাদের কাছ থেকে।
গাইবান্ধা জেলার, নলডাংগা ডিগ্রি কলেজ ৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণি নিয়োগ প্রসঙ্গে। আমি নলডাংগা ইউনিয়ন বাসিন্দা, নলডাংগা ডিগ্রি কলেজ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে একটি দৈনিক পত্রিকা নিয়োগ কমিটির একজন আমাকে ডেকে নিয়ে বলল কলেজে তো নিয়ত চলতেছে তুমিও এপ্লাই কর। আমি বললাম করবো, কিন্তু তার পর সে বললো একটি পোস্ট জন্য ১৫০০০০০ টাকা দিতে হবে, কলেজের প্রিন্সিপাল এবং ম্যানেজিং কমিটিকে, আসলে আমার টাকা দাওয়ার ক্ষমতা নাই তাই আমি সেটাকে প্রত্যাখ্যান করি, কিন্তু নিয়োগ বানিজ্য হচ্ছে সেটা অনেকেই বুঝতে পারতেছে, কেউ কিছু বলে না
শিক্ষকগণ সমাজের মানুষ গড়ার কারিগর। কিন্তু শিক্ষকদের বেতন পেতে অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়। অন্যান্য সরকারি শিক্ষকদের চলতি মাস থেকেই বেতন পেয়ে থাকে কোন ধরনের হ্যাসেল ছাড়াই। কিন্তু শিক্ষকের MPO সাবমিট করতেই ৩/৪ মাস সময় লেগে যায়। তার উপর টাকা ছাড়া থানা শিক্ষা অফিস থেকে ফাইল ছাড়ে না।MPO সাবমিট হতে যে কয়টি মাস চলে যায়, সে মাসের বেতনের জন্য আবার আবেদন করতে হয়, যাকে Arrear বিল বলে। Arrear বিল থানা অফিস থেকে ছাড় করতে আবার টাকা পয়সা দিতে হয়। এই হলো শিক্ষকদের বেতনের অবস্থা। শিক্ষার অবস্থা এর থেকে ভাল কিভাবে আশা করা যায়।
২০২২ সালে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য ফরওয়ার্ডিং পেতে ঘুষ চেয়েছিল।।
গন্ডা ডিগ্রি কলেজ, কেন্দুয়া, নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ বিভাগ, বাংলাদেশ(Gonda Degree College, EIIN 113077) HSC-2026 পরীক্ষায় প্রত্যেকটি ব্যবহারিক খাতায় শিক্ষকের স্বাক্ষরের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জানানো হয়, টাকা না দিলে খাতায় স্বাক্ষর করা হবে না এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে দেওয়া হবে। প্রত্যেক খাতার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আদায় হয়েছে। অনুগ্রহ করে বিষয়টি যাচাই করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ ধরনের অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ এবং দায়ীদে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক।
একটি নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির জন্য রাজশাহী বোর্ড থেকে তদন্ত দিয়েছিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ধামইরহাট উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত ভার দিয়েছিলেন। আইনগত সঠিক প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও তিনি নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটি কে চাপ প্রয়োগ করেন ২ লক্ষ টাকা ঘোষ প্রদান করার জন্য। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে রিপোর্ট বিপক্ষে দিবে বলেছিল। বিদ্যালয়ের স্বার্থে সেদিন ম্যানেজিং কমিটি বাধ্য হয়েছিল তাকে টাকা দিতে।
৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে ১৫০০০০ টাকা করে ক্ষুদ্র মেরামতের টাকা বরাদ্দ হয় এবং ৭৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে কিছু বিদ্যালয়ে ৭৫০০ ও বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে ১৫০০০ টাকা করে SLIP(School Level Improvement Fund) বরাদ্দ হলে উক্ত ফান্ড থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার — মেরামত থেকে ১৫০০০ ও SLIF থেকে ৫০০ টাকা করে ঘুষ দিতে বাধ্য করেন।