দুরত্ব সনদ
টাকা পরিশোধ না করলে কাজটা হচ্ছে না।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা পরিশোধ না করলে কাজটা হচ্ছে না।
আজকে আমি আমার স্কুলের এক সহকর্মীর এসিআর আনতে AUEO স্যারের কাছে যাই। ৪.১৫ বিকালের দিকে। উনি সাইন করে আমাকে বলে আমার ওই সহকর্মী নাকি বলেছে লাঞ্চ করাবে। আমি সহ শুক্রবার অথবা রবিবার লাঞ্চ করতে চায়। আমি বলি স্কুলে আসলে আমার ওই সহকর্মী ম্যাডাম লাঞ্চ করাবে। তারপর আমাকে বলে আচ্ছা ঠিক আছে তুমি আমার জন্য তিন সেট মূল্যায়ন নির্দেশিকা নিয়ে আসবে কম্পিউটার এর দোকান থেকে। আমি দোকানে এ গেলে তারা বলে প্রিন্ট করা নাই দেরি হবে। আমি স্যারকে ফোন করে বলি স্যার ফটোকপি এর দোকানে এ তো প্রিন্ট করা নাই আমি অর্ডার দিয়ে গেলাম ওরা আপনার কাছে পাঠিয়ে দিবে। উনি আমাকে বলে তুমি টাকা দিয়ে দিও। উক্ত তিন সেট মূল্যায়ন নির্দেশিকার দাম ৭০০ টাকার উপর। পরবর্তীতে ম্যাডাম অন্য কাজে তার কাছে গেলে ওই তিন সেট ফটোকপি করে দিয়েছেন।
জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে নিয়েছে। এভাবে অনেক টাকা নিয়ে থাকে শিক্ষকদের কাছ থেকে। শিক্ষকরা নিরুপায় তারা প্রতিবাদ করলে তাদের নানাভাবে হেয় করে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ এম পি ও পাওয়ার জন্য ফাইল ফরোয়ার্ড করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে টাকা চায়। পরে তার মাধ্যমে উপজেলায় ৫০০০ ও জেলায় ৩ হাজার টাকা দিতে হয়।
৫ম গন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পর ও জন প্রতি দশ হাজার করে দাবি করে উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার।
লালমনিরহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল বিদ্যালয়ে বাজে আসে লক্ষ টাকা তার হিসাব ৬ ৯ টিও এটিও ঘুষখোর এটিও টাকা ছাড়া কাজ করে না কাছে হাত এ দেয় না হেডমাস্টারের মন গড়া রুটিন
আমাদের KNGC তে প্রাকটিকাল পরীক্ষা ছিল। তো সেখানে আমাদের রসায়ন পরীক্ষা ছিল।পরীক্ষা যথাযথ ভাবে না নিয়ে তারা আমাদের থেকে ৩০ টাকা করে চাদা বা ঘুষ চায়।।।আমার সকল বন্ধু দিলেও আমি দেইনি।
বারবার ফাইল পাঠানোর পরও রিজেক্ট করে দিচ্ছিল এক লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর বেতনভুক্ত হতে পেরেছি
আমার সার্টিফিকেটে নামের বানান ভুল থাকার কারণে আমি প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে ঠিক করতে গেলে আমাকে নানান ভাবে হয়রানি করা হয় এবং পিয়ন আমার কাজ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে । পরবতীতে তা ২০০০ টাকা এবং একটি বেনসন সিগারটের দেওয়ার মাধ্যমে কাজ করাতে সক্ষম হই
আমি আমার রায়টুটী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আমার ৬ ষ্ট শ্রণি রেজিস্ট্রেশন কাড আনতে গেলে অফিসহকারী আমার কাছ থেকে ১০০ ঘূষ চায়। আমি যখন বলছি কেন টাকা লাগবে । এটা সরকারি কোনো ফি নেই। তিনি আমাকে রেজিস্ট্রেশন কাড দিতে চান নি।
প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্যাকডেটেড এসিআর নিতে চাইলে জনপ্রতি 500 টাকা করে এ টি ই ও কে দিতে হবে।
আমি একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।তাড়াশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের একজন টাকা ছাড়া কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায় পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। সে প্রায় সব শিক্ষকের কাছ থেকেই ঘুষ নিয়েছে। ঘটনা ২০২৩ ও ২০২৪ সালের
মেডিকেল লিভ কাটিয়ে বেতন চালু করতে টাকা চেয়েছিল। টাকা দিতে না চাওয়ায় বিভিন্ন কাজ দেখিয়ে বেতন চালু করতে দেরি করছিল। টাকা দেওয়ার পর দ্রুত কাজ করে দিয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও ফাইল উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ঢাকাতে পাঠাতে হয়। এই উপজেলা থেকেই ফাইলটা ঢাকা পাঠাতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রত্যেক শিক্ষককে প্রায় 5000+ টাকা করে দিতে হয়েছে। শুধুমাত্র ফাইলটা উপজেলা থেকে ঢাকাতে সাবমিট করবে। এই টাকা তারা সরাসরি নেন না, প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে নিয়ে থাকেন। আমি নিজেই এটার ভুক্তভোগী। মনে করেছিলাম ঘুষ ছাড়া চাকরি করব, কিন্তু এখানে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। শুধু এমপিও ফাইল নয়, আরো যত ফাইল আছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয়।
মেমিসে এমপিও ফাইল সেন্ড করাতে।
নিজের সার্টিফিকেট স্কুল থেকে না পেয়ে শিক্ষা বোর্ডে যাই তুলতে, তালবাহানা করতে থাকে, পরে ১০০০০ টাকা দিলে, সাথে সাথে সার্টিফিকেট বের করে দেয়।
অভিযোগটি তথ্যভিত্তিক, নিরপেক্ষ ও যাচাইযোগ্য ভাষায় লেখা ভালো—যাতে কারও বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়া সরাসরি ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ না দাঁড়ায়। “ঘুষ ডট কম”-এ দেওয়ার মতো করে সাজিয়ে দিলাম: কেরানীগঞ্জের কিন্ডারগার্টেন স্কুলের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ কেরানীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৩৫০টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আনুমানিক ৭–৮ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফাইল জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অভিযোগ উঠেছে, প্রতিটি নিবন্ধন ফাইল জমা ও প্রক্রিয়াকরণের
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে সার্টিফিকেটে নাম সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে প্রায় প্রতিটি কর্মচারি টাকা চায়। আমার চোখে দেখা সবচেয়ে বেশি ঘুষ বানিজ্যের জায়গা এটি। আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা। প্রায় প্রতিটি রুমের কর্মচারী এমন।
শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর এমপিও ফাইলে স্বাক্ষর করাতে।
দাখিল মাদ্রাসায় ইফটির কাজ চলমান। এজন্য এমপিও শীটের নানা তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন পড়ে। এসব সংশোধন আবেদনকারী আবেদন করার সাথে, বিনামূল্যে এবং বিনা ভোগান্তিতেই হওয়ার কথা কিন্তু মাদ্রাসা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এক অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছেন। যেসব আবেদনকারী ঘুষ দিচ্ছেন,,,তাদের কাজ হচ্ছে। আর যারা দিচ্ছেন না,,,তাদের সংশোধনী হচ্ছে না। ফাইল মাসের পর মাস,, ফেলে রাখা হচ্ছে।। আমার কাজটি হচ্ছে না দেখে,,, গত ১৫ দিন আগে অধিদপ্তরে যাই,,,,অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা দুজনের কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।।উনার কথায় এখনো সাড়া দেয়নি।।।