17,324 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হেড ক্লার্ক এর কাছে বদলির আবেদনের জন্য যায়। তিনি বলে বদলি করে দেবো ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা লাগবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।
ntrca থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের ফাইল পাঠানো হলে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস থেকে এমপিওর জন্য ২০০০০ আর এরিয়ার জন্য ১০০০০ ঘুষ চেয়েছিল। দুই ধাপে আমি ২৭০০০ টাকা ঘুষ পরিশোধ করেছি তারপর আমার ফাইল ঢাকা পাঠানো হয়েছিল।
২০২৫২৬ অর্থবছরে স্কুল মেরামতের দেড় লক্ষ টাকা দিনাজপুর খানসামা উপজেলা শিক্ষা অফিস হতে নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিকষা অফিসারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে
ঢাকা বোর্ড এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সার্টিফিকেট সত্যায়ন (attestation) করার সময় ২০২২ সালে নির্ধারিত ফি-র বাইরে ঢাকা বোর্ড আমার কাছ থেকে আনুমানিক ৫০০ বা ৬০০ টাকা নিয়েছিল। এছাড়া শিক্ষা বোর্ডের সামনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য 'জরুরি সত্যায়ন করে দেবে' বলে ১,০০০ টাকা নিয়েছিলেন।
সরকারি ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন করলে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, একজন প্রধান শিক্ষক, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর বাস হেলপার এবং একজন অফিস সহকারী মিলে ঘুষ এর বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন।
বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ প্রাপ্ত ও ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে বেতন/এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করলে সেই আবেদন অগ্রায়নের জন্য টাকা নিয়েছিল অথচ এক্ষেত্রে কোনো প্রকার টাকা লেনদেন করা বৈধ নয়।
১০ % হারে বকেয়া বেতন সহ যাবতীয় টাকা উওোলনের সময় কত্ননকরে রাখা হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিস
থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পাচলাইশ এর কেরানি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেন না। বার্ষিক জিপিএফ এর কর্তণের হার বৃদ্ধির জন্য আবেদন করলে অফিস খরচ বাবদ 500 টাকা নিয়ে নেয়।
বেতনের অনলাইন এমপিও ফাইল খুলার জন্য ৩০০০ টাকা চাইলে না দেওয়ায় এমপিও শীটে নাম আসে না। মাসের পর মাস বেতন আটকে যায়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে দাবিকৃত অর্থপ্রদান সাপেক্ষে কাজ সম্পন্ন হয়। মাঝখানে অতিরিক্ত সময়, শ্রম, অর্থ অপচয় হলো।
আমার বাবা ময়মনসিংহের একটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। উনার পেনশনের টাকা পেতে ঢাকার বেনবেইস অফিসে ২০১৬ সালে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষ ছাড়া চেষ্টা করেছিল। কিন্তু অফিসের সবাই এমন আচরণ করেছিল মনে হয় আমরা দানের টাকার জন্যে গিয়েছি। সেই অফিসের প্রত্যেকটা মানুষ একেকটা জানুয়ার।
এস এস সি এন্ড এইচ এস সি সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট এ মায়ের নাম সংশোধন প্রক্রিয়া টাকা ছাড়া করবেন না বলে জানায় , প্রথমে নিজে চেষ্টা করি হয় নাই , টাকা দেয়ার পরে সমাধান হয়
নামের ভুল ছিলো। কারেকশন করার জন্য নাস্তাপানির খরচ হিসেবে এই টাকা চার্জ করেছিলো।
মিষ্টি খেতে টাকা চেয়েছিলো।আমি এড়িয়ে চলে আসি।
হাইস্কুলে পিয়ন নিয়োগ দেওয়ার জন্য সভাপতি ১২ লক্ষ টাকা দাবি করেন। সেটা পরিশোধ করার পরও নিয়োগ দিতে টালবাহানা শুরু করেন। পরে আরও ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে নিয়োগ পাই।
EDC প্রকল্পে ATO, UEO সবাই টাকা খুঁজে। এই প্রকল্প নিয়ে অনেক দুর্নীতি হচ্ছে।
আমার বেতনের ইএফটি করাতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যাই।তখন কাগজটি জমা নিতে অফিসের সহকারী আমার কাছে মিষ্টি খেতে টাকা চায়।বলে যে চাকরি করবেন,কিছু খাওয়াবেন না? আমি এড়িয়ে চলে আসি, কথা বলি না।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ১২ লক্ষ টাকার মাধ্যমে হয়েছে।
সরকারি কলেজে শিক্ষকদের বদলী ও পদায়নে ঘুষ একটি ওপেন সিক্রেট বিষয়। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বদলীতে ২-৩ লক্ষ টাকা এবং ঢাকা মহানগরীতে ৫ লক্ষ টাকায় বদলী হয়। আমার নিজেকেও ৩ লক্ষ টাকায় এক সিটি কর্পোরেশন এর মধ্যে কলেজে বদলীর জন্য অফার করা হয়েছিল। এত টাকা আমার নেই। আর এখন টাকা দিয়ে বদলী হতেও চাই না। এই সিস্টেম বন্ধ হোক।
১০০০০ টাকা চায়, এত টাকা কিভাবে দিবো। টাকা ছাড়া কোনো ফাইল ছাড়েনা মাউসি।
নাম সংশোধন এর প্রকৃয়া ছিল। টাকা চায়নি কিন্তু এমন ভাবে ঘুরাচ্ছিলো ৩-৪ মাস ঘুরছি। পরে বুঝতে পেরে ৩০০ দিলে নিতে চায়নি বললো টাকা লাগবে না এমনি হবে। পরে ৫০০ দিলাম একদম সাথে সাথে কুত্তার মত ফাইল খুঁজে বের করে মিটিং লিস্টে নাম এন্ট্রি করিয়ে দিল। পরবর্তীতে কাজ হয়েছিল ২০২২-২০২৩ এর ঘটনা তারপর আর সামনাসামনি বা পাপ্য অধিকারের জন্য ঘুষ দেই নি।