17,320 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি সার্টিফিকেট, এ্যাডমিট কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনে দেওয়া ছিল৷ তার জন্য সরকারি চার্জ অনলাইনে পরিশোধ করেছিলাম৷ কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংশোধন হওয়ার পরে তা নিতে গিয়ে চা নাস্তা বাবদ একশ টাকা দাবি করে ওই বিভাগের এক কর্মকর্তা। আমি ৫০ টাকা দিয়েছিলাম
ফাইল আটকে রেখে অর্থ দাবি করা
একজন শিক্ষকের আগে বেতন হতো একটি ব্যাংকে। এখন সে অন্য ব্যাংকে তার বেতন নিবে। তার জন্য তার কাছে ১০০০ টাকা চাইছে। আর কিছু বললে সে বলে এতো দিন চাকরি করেন এটা বুঝেন না যে এটা দিতে হয়।
আমার বেতন চালু করার সময় শিক্ষা অফিসের উচ্চমান সহকারী মৃদুল এই টাকা নিয়েছে
Bribe demanded for getting early dates for the equivalence of foreign certificates.
অডিট করতে এসে অহেতুক হয়রানি করবে বলে হুমকি দিয়ে সকলের এক মাসের বেতন নিয়ে গিয়েছে।
একটি প্রত্যয়ন নেওয়ার জন্য,সাইন দরকার। কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ এর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা একজন অফিসার আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়েছে জিপিএফ লোন এর প্রত্যয়ন দেওয়ার জন্য
চাকরী স্থায়ীকরণের জন্য উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দেওয়া লাগছে।
আমার নামের বানান ভুল ছিল ঠিক করার জন্য ২ জায়গায় প্রথমে বোর্ড মিটিঙে আপ্রভ করার জন্য ৫০০০ চেয়েছিল পরে তা ২০০০ টাকায় আমি ঠিক করি । তার পর প্রতি সার্টিফিকেট এ ১০০ করে চা পানির জন্য দিতে হয়েছিল যে প্রিন্ট করে দেয় তাকে । এর পরে আমি আমার এক বন্দুর ও কাজ সেইম ওয়েতে করে দিয়েছি ২৫০০ টাকায় ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মিরপুর-২, অর্থ শাখার অফিস সহায়ক হায়দার আলী। আমাদের গ্রুপের একটি কাজের জন্য সেন্ট্রাল ফর জেনারেল অডিট, সেগুনবাগিচায় ফাইল পাঠানোর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু উনি প্রতি ফাইল প্রতি ২০০০ টাকা না হলে কাজ করবেন মর্মে জানানা। আমাদের ১০ জনের ফাইলের জন্য টোটাল ২০০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছেন।
এমপিও ভুক্তির জন্য দাবি করা হয় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস (কোর্ট রোড এ অবস্থিত অফিস)থেকে। ৫৫০০ টাকা। অন্যথায় আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে জানানো হয়। বেতন চালু হওয়ার জন্য এটা অলিখিত নিয়ম মনে হয়েছিলো। ৫০০০ দিতে হয়েছিল বাধ্য হয়ে।
জিপিএফ(সাধারণ ভবিষ্য তহবিল) একাউন্ট খোলার জন্য অনেক দেরি করা হয়েছিল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, এবং টাকা ছাড়া কাজ হয়নি। দীর্ঘ ৪ বছর এর অধিক সময় পর জিপিফ একাউন্ট খোলা হয়েছে,তবুও শিক্ষা অফিস এর সহায়তা ব্যতীত। টাকা সবারই কম বেশি দিতে হয়েছিল জিপিইএফ একাউন্ট তাড়াতাড়ি খোলানোর জন্য।
সেবাটি ছিল প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের পেনশন ও জিপিএফ এর টাকা প্রাপ্তি জনিত, পেনশন ও জিপিএফ এর টাকা মঞ্জুরের করার জন্য পনের হাজার টাকা দাবি করে, পরিশোধে বিলম্ব হোয়াতে, জিপিএফ এর টাকা প্রদানে গড়িমসি ও পেনশন মঞ্জুরে দেরি করে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা প্রদান করতে হয়।
এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় আমার শিক্ষকেরা আমাদের প্রত্যেকের নিকট ৫০/১৫০ টাকা দাবি করেন এবং জানান, টাকা দিলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ভালো নম্বর দিবেন।
রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে mpo সংক্রান্ত প্রতিটি কাজে ঘুষ দিতে হয়।। অফিস স্টাফদের মাধ্যমে ঘুষ নেয়। হয়তো অফিসের উর্ধতনরা জানেই না বা তার আদেশে ছোট স্টাফরা ঘুষ আদায় করে। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যতবার গেছি টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না
পেনশনের জন্য উপজেলা থেকে জেলা শিক্ষা অফিসকে দুই লক্ষ টাকা দিয়েছি।
মোকামতলা মহিলা ডিগ্রী কলেজে (অনার্স) সৃষ্ট পদে নতুন শিক্ষক নিয়োগে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হচ্ছে। সভাপতি ও এমপি জড়িত। এছাড়া মীর শাহে আলম আব্দুস সাত্তার তালুকদার নামে নতুন একটি কলেজেও একই ধরনের অনিয়ম চলছে।
অযাচিত অপরিকল্পিত উন্নয়নের নামে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফান্ড খালি করে শিক্ষার্থিদের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট ও শিক্ষক কর্মকর্তাদের বেতন বকেয়া, কম বেতন ইত্যাদি সমস্যা জিইয়ে রাখা দেখতেছি। কিছুই করার নাই আমার। বিল আসে বিল পরিশোধ করি, এই দেখি ফান্ডে টাকা আছে এই দেখি আরেকটা উন্নয়ন বাজেট বেতন দেয়ার টাকা থাকে না। নতুন অবকাঠামো তৈরীর পরই তা ভেঙ্গে আরেকটা। বকেয়া বেতন যেখানে পাওয়া দুষ্কর সেখানে নতুন বেতন স্কেল দাবি নিয়ে চাকুরী করছি।