এসএসসির সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
এসএসসির সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে, আমার সকল বন্ধুদের ও আমার কাছ থেকে। এর আগেও যখন মার্কসিট আনতে গিয়েছে তখনও। কারো কাছ থেকে আর বেশীও নেওয়া হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এসএসসির সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে, আমার সকল বন্ধুদের ও আমার কাছ থেকে। এর আগেও যখন মার্কসিট আনতে গিয়েছে তখনও। কারো কাছ থেকে আর বেশীও নেওয়া হয়েছে
আমার মেয়েকে অন্য স্কুলে ট্রান্সফার করার জন্য ট্রান্সফার সার্টিফিকেট চেয়েছিলাম, ৩০০০ টাকা প্রধান শিক্ষক চেয়েছিল, পরে দুই হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই , এই স্কুলের অনেক কিছুতে দূর্নীতি হয় সবাই নিরব, কারন প্রধান শিক্ষক খুবই প্রভাবশালী, অনেক নেতাদের চাঁদা দেয় ।
কলেজের প্রভাসক বেতন পাশ করার জন্য। আমি ফাইনাল অনলাইনে আবেদন করি। প্রোগ্রাম অফিস থেকে কল আসে। ফাইনালে সমস্যা।কি করিবো মিষ্টি খেতে টাকা দিন।তার পর টাকা পাঠিয়েছি
ফোন দিয়ে ঘুষ চাওয়া হয়েছিল।
Dhaka shiksha board a daily ghush newa hoy atar sathe onk a e jorito officer der piyon ra agula handle kore ,last 2022 shal a amar emergency certificate sottayon proyojon cilo jodi o sob kicu thik thak cilo takar jnno amake onk hoyrani kore last stage a jokhon ami taka ta dei tokhon kaj ta kore dey
আমি ১২০০০ হাজার দিয়েছি। এনটিআরসি মিরপুর (বাংলা কলেজের পাশে), শিক্ষকদের নতুন এমপিও, উচ্চতর গেড সহ বিভিন্ন আবেদনে ১০,০০০/- থেকে ২০,০০০/- হাজার পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ না দিলে কোন এমপিও শিক্ষক কোন কাজ করাতেন পারেন না। এই ঘুষ প্রায় ৯৫% শিক্ষককে দিতে হয়।
২০১৫ সালে একটি নতুন কিন্ডারগার্টেন স্কুল এর ৯ জন ছাত্র-ছাত্রী পিএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য চুয়াডাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা অফিসের টিইও মহোদয়ের নিকট তালিকা জমা দেয়া হলে তিনি উক্ত তালিকা ঢাকা অফিসে যেয়ে অনলাইন করতে হবে মর্মে ৫০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকার করি। পরবর্তিতে ইউএনও মহোদয়কে বিষয়টি জানালে তিনি ঐ অফিসারকে ফোন করে ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।
না দিলে ফাইল জেলা বিভাগ থেকে অনুমোদন করে না।
হাই স্কুলের এসএসসি সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য, আমার থেকে ৬০০ টাকা নেওয়া হয়। কালীশুরি এস এ ইনস্টিটিউশন (বাউফল পটুয়াখালী)
ফাইল ফরোয়ার্ড করা যাবে না ।গোপনে কিছু ফরোয়ার্ড করতে কিছু দিতে হবে
এমপিও আবেদন উপজেলা হতে ছাড়ার জন্য ৫০০ টাকা নিয়েছিল। বকেয়া বেতন পাওয়ার আবেদন ছাড় দেওয়ার জন্য ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
শিক্ষক বদলি থেকে শুরু করে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা অন্য যে কোন পাওনা পাওয়ার ক্ষেত্রে কামারখন্দ উপজেলা শিক্ষা অফিসে ঘুষ দিয়ে কাজ করতে হয়। তবে বর্তমানে নিযুক্ত থানা শিক্ষা অফিসার সৎ এবং ভালো মানুষ। নিচের দিকের কর্মচারীরা এবং ঘুষখোর।
তারাকান্দা উপজেলার তালদিঘি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আমরা ২০২৬ সালে পরিক্ষা দিয়ে পাশ করেছি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব গিয়েছিলাম প্রশংসা পত্র বা প্রত্যয়ন পত্র আনতে কলেজে ভর্তির জন্য তারা আমাদের কাছে ৫০০ টাকা চেয়েছে। আমরা কিছু বলি নাই সোজাসুজি চলে আসছি।
সাময়িক সনদ তুলতে গিয়েছিলাম, ১ দিনে দিয়ে দিলো, টাকা চাইলো, একটা নগদ নাম্বার দিলো, কয় এই নাম্বারে টাকা পাঠাইয়ো তারপর টাকা দিলাম ১০০, তারপর শিক্ষা বোর্ডে গেলাম, ১ ঘন্টার মধ্যে রেডি করে দিয়ে দিলো,। যে দেওয়ার কথা ছিলো ৩ দিনের বিতরে।
Paribarik pension ar jonno direck 3000 taka cheyeche
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান ট্রাস্ট এ সাধারণ চিকিৎসার জন্য আবেদন করতে বলেছিলাম।অফিস সহকারীকে বিনিময়ে ১০০০ টাকা নিবে।
উচ্চশিক্ষার জন্য সার্টফিকেট এটেস্টেশন করতে গেলে শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনের গার্ড ২০০০ টাকার বিনিময়ে ১ ঘন্টার বিনিময়ে সার্টিফিকেট এটেস্টেশনের জন্য অফার করে।
NRTCA এর মাধ্যমে কারগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর প্রিন্সিপাল এমপিও সিট করার কথা বলে ১ লাখ করে নিচে,এখন আমার পে স্কেলের কথা বলে ২ লাখ দাবি করছে,দিতে অস্বীকার করলে চাকরির ভয় ও,রাজনৈতিক পাওয়ার দেখাচ্ছে।নানা হুমকি ধামকি দিচ্ছে,পে স্কেল হলে বকেয়া বেতন তুলে ওনাকে দিতে হবে বলেছে,না দিলে এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে দিবে না।ওটা নাকি অনার বাবার সম্পত্তির ওপর গড়া , এটা নাকি তার হক।আরো কয়েকজনের সাথেও একই আচরণ করছে আমরা শিক্ষা অফিস,NTRCA,দুদক ও ম্যানিজিং কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি।রাজনৈতিক পাওয়ার থামানোর জন্য অনার বড় বাপের সাথে আলোচনা চলছে।এবার অনার মুখোশ উন্মোচন হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।স্যার রেডী হন
এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় বদলী জন্য আবেদন করতে গেলে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে ৩০০০০০ টাকা দাবি করে। ইতিপূর্বে অনলাইনের মাধ্যমে কোন ঘুষ লাগতো না। আমি তাদের দাবি সরাসরি প্রত্যাখান করেছি।
সরকারি বাঙলা কলেজ এর অফিস সহকারি আমার একটা কাগজ সিগনেচার করার জন্য ২ ঘন্টা বসিয়ে রাখে তারপর ৫০০ টাকা চায় পরে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এর একটা সিগনেচার করে নিয়ে আসে। আমি তো এই কলেজের ছাত্র ছিলাম তাহলে একটা সিগনেচার করার জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে কেনো?