বদলি বাণিজ্য
পিয়ন থেকে কেরানী বদলি, সহকারী শিক্ষক থেকে সিনিয়র শিক্ষক বদলিতে টাকা না দিলে বদলিই হয় না। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পিয়ন থেকে কেরানী বদলি, সহকারী শিক্ষক থেকে সিনিয়র শিক্ষক বদলিতে টাকা না দিলে বদলিই হয় না। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
পেনশনে যাওয়ার প্রাথমিক কাগজ জমা দেওয়ার সময় ফাইল পাঠানো নিয়ে।৫০০০০ হাজার টাকা না দিলে।ফাইল ছারবেনা।একজন শিক্ষিকা ৩৯ বছর চাকুরী শেষে ফাইল জমাদিতে গিয়ে।কলমাকান্দা ট্রেজারী অফিস।যে অফিসার টাকা ছেয়েছে তার বাড়ি দুর্গাপুর,নেত্রকোনা।
BMDC, Bangladesh medical and dental council, has to be the top 1 most corrupt organisation in the world. I was asking 3 lakh but because I did not have eligibility certificate as a foreign student for attending the RQE exam, which is not needed anymore. They will deny you services and bring out problems about you which really don't matter or aren't related. The person's occupying top position will question your document and your existence and until you pay the office boys sitting in second floor they will not clear you for exams or document approval . If my post reaches out to everyone who has faced BMDC, I am sure everyone would vote 100 times over to my comment.
নতুন চাকরিতে যোগদান করে বেতন চালু করতে প্রত্যেক নিয়োগপাওয়া প্রাইমারি সহকারী শিক্ষকদের থেকে জন প্রতি ৩০০০ করে টাকা দাবি,এবং বদলি চালুর জন্য ২০০০০ টাকা করে নেয় এবং পিটিআাই ট্রইনিং এ নাম দেওয়া কিংবা কাটানোর জন্য ৫০০০ করে টাকা নিয়ছে
I did my mbbs from krygzystan, I had every document needed but there was a medical gap between my SSC and HSC for 6 months more than 2 years. For this I had to pay 8 lakh ghush to be allowed to write the exam. This is not really not fair. This department is against the welfare of the citizens of this country , from the cleaner to the president. Nobody can tell you what's the power house of a cell. Doctors smd
মাউশি তে আমার একটি সংশোধনের ফাইল শুধু সহকারি পরিচালকের টেবিলে উঠাবে সেজন্য কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহায়ক মিলে ৮০০০ দাবি করে। পরের কাজের জন্য আবার পরে দিতে হবে। হলে কাজ করেন না হলে নাই এমন দাবি।
আমার ভেলিড বি.এড সার্টিফিকেট এপ্রোভ করে ১০ম গ্রেডে আবেদন করি,উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে আমাকে যোগাযোগ করতে বলা হয়,যোগাযোগ মানে হলো আবেদন তারা পরবর্তী ডিডি অফিস এ পাঠাবে যদি আমি যোগাযোগ করি,যোগাযোগ করি নি বিদায়, others coause লিখে ফাইল রিজেক্ট করে দিয়েছে। বি.দ্র: ফাইল সাবমিট করা হয় অনলাইন এ , এখানে সরাসরি কোনো অফিস এ যোগাযোগ এর দরকার নেই।
সার্টিফিকেট আর্জেন্ট এপ্লাই করি, ফি সরকারি ব্যাংকে জমা দিয়ে প্রয়োজনী কাগজ কর্তব্যরত অফিসারকে জমা দিলে তিনি চা নাস্তা খাওয়ার টাকা চায় আমার বাহিরে এপ্লাই করার ডেডলাইন আছে তাই আমি দামাদামি করি নাই যা চাইসে দিয়ে দিসি যাতে পেপার দ্রুত সময়মত পাই।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে সব কাগজপত্র ঠিক থাকা স্বত্বেও ফাইল রিজেক্ট করে দিয়েছিল। পরবর্তী মাসে ১৫০০০ টাকা দেওয়ায় পূর্বের কাগজেই ফাইল সেইভ হয়েছে।
বোর্ডের খাতা কাটার জন্য ১৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলো।
নাম পরিবর্তন করতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জমিতে 50টি দোকান বসিয়ে ভাড়া দেওয়া ঐ টাকা ভাগাভাগি করে নেওয়া বাচ্চাদের খেলার মাঠ দখল করা শ্যামকুড় প্রাথমিক বিদ্যালয় মহেশপুর ঝিনাইদহ
মারসিট তুলে কলেজে টাকা নিয়েছে
আমার স্ত্রী অন্তস্ত্যা থাকা কালিন, সরকারি জেই দুঘধ ভাতা দেয়া হয় সেটার জন্য আবেদন করি, সেখানে আমাকে ৩০০০ টাকা দিতে হয়।পরে তারা আমার ব্যংকের একাউন্ট নাম্বার ভুল করে সেটা ঠিক করার জন্য আবার ২০০টাকা নেয়
If you goto bmdc , make sure you carry about 500000 . There are two office boys, 2nd floor in glass box with aircon . For any work in bmdc you need to goto them. They will not move a hair without some payment(at least 15000 taka) and won't even look at you, where their job is to look after your demands. Then in the third floor the assistant registrar who verifies documents of foreign students he will find out faults you will not believe are faults. He will scold you and will send you back and you must pay the two guys in the second floor a huge sum of money , I had to pay 50000 taka because I did mbbs from China and I was not able to produce online class make up certificate.
বরিশালের গৌরনদীতে পেনশনের টাকা তুলতে দিতে হবে ঘুষ, যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তাহলে কাজ ধরা হবে না, টাকা কম দেওয়া হবে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয় দেখানো হয়ে থাকে। এ রকম প্রতিটি কাজের জন্য যদি ঘুষ দিয়ে কাজ করতে হয় কোন দেশে বসবাস করতেছি জানি না,এতো বছর কষ্ট করে একজন শিক্ষক -শিক্ষিকা যদি নিজের টাকার জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়, আর এই ঘুষের সাথে প্রতিষ্ঠানের ছোট বড় সকল কর্মকর্তা এই জড়িত,আল্লাহ জানে কবে এইসব দুনীতি বন্ধ হবে। যে কোনো কাজ করতে গেলে কম বেশি যদি ঘুষ প্রদান করা লাগে।
বেতন ফাইল ট্রান্সফার মানে ওকে করে বিভাগে পাঠতে হবে অর্থাৎ জেলা থেকে ফাইল বিভাগে যাবে। কিন্তু তারা বলে ফাইলে এই সমস্যা ওই সমস্যা। মানে টাকা না দিলে ফাইল বিভগীয় শিক্ষা অফিসে পাঠাবে না।
একটা সরকারি পিয়ন পোস্ট এর চাকরি ছিল, টাকা দিয়েছি কিন্তু চাকরি হয় নাই টাকা ফেরত পাইনি সভাপতি টাকাও দেয় নাই চাকরিও দেয় নাই
বছরের শুরুতে প্রতি মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের নিকট / কিছু প্রাইভেট স্কুল প্রধানের নিকট ১০০০/৫০০০/-করে নিয়ে থাকে নতুন বই প্রদানে অফিস খরচ বাবদ নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারি। দোহারের কোন স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রতিবাদ করেন না কারণ তার কাছে বার বার যেতে হয় বলে।
এমপিওভুক্ত করার জন্য, ইএফটি, বকেয়াসহ যেকোন ফাইল পাঠানোর পর উপজেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে টাকা না দিলে ফাইল ফেরত পাঠায় আর অফিসে গিয়ে টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই।যে কোন কাজে গেলেই টাকা দিতে হয়।