ল্যাম্পগ্র্যান্ড,জিপিএফ ও আনুতোষিক
ফাইল অনুমোদন করার জন্য
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফাইল অনুমোদন করার জন্য
বুড়িচং উপজেলার ৭০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট হতে সিলেকশন গ্রেড বেতন স্কেল প্রাপ্তির শিক্ষক প্রতি ২৫০০ টাকা নিয়েছে।
মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদনের সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিভিন্ন টালবাহানা করতো।শেষ টাকা দিলে মাতৃত্ব কালীন ছুটিতে স্বাক্ষর করেন।
এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে কোন একটা বিদ্যালয়ে যোগদান করি। যোগদানের পরবর্তী ৩ মাসের বকেয়া বিল পাওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসের (রাংগামাটি)একজন চাকমা কর্মকর্তাকে ৩ হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে পেনশনের টাকা তুলতে দিতে হবে ঘুষ, যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তাহলে কাজ ধরা হবে না, টাকা কম দেওয়া হবে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয় দেখানো হয়ে থাকে। এ রকম প্রতিটি কাজের জন্য যদি ঘুষ দিয়ে কাজ করতে হয় কোন দেশে বসবাস করতেছি জানি না,এতো বছর কষ্ট করে একজন শিক্ষক -শিক্ষিকা যদি নিজের টাকার জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়, আর এই ঘুষের সাথে প্রতিষ্ঠানের ছোট বড় সকল কর্মকর্তা এই জড়িত,আল্লাহ জানে কবে এইসব দুনীতি বন্ধ হবে। যে কোনো কাজ করতে গেলে কম বেশি যদি ঘুষ প্রদান করা লাগে।
এমপিও বেতন/বকেয়া/বিএড স্কেল চালু।শিক্ষা কর্মকর্তার পছন্দের দোকান থেকে ৩০০০/- দিয়ে আবেদন করতে হয়।আবেদন ফরওয়ার্ড করতে ৫/৬ হাজার নেন।
সরকারি মুসলিম হোস্টেলে সিট দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে
মাতৃকালীন ছুটি অনুমোদন, পাসপোর্ট এর জন্য এনওসি অনুমোদন, মাতৃকালীন ছুটি পরবর্তী যোগদান বা কোন কাগজপত্র নথিভূত্তিকরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা অফিসের কেরানি বা শিক্ষা অফিসে কর্মরত প্রেশনে থাকা শিক্ষক, (যিনি লোকবলের অভাবে শিক্ষা অফিসে কাজ করেন), দুই হাজার, তিন হাজার, পাচ হাজার, ৫০০ টাকা না দিলে তারা উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোন কাজ করে দেয় না এবং কাজ ধরে রাখে। আমার মত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদেরকে টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়।
ঘুষ না দিলে তারা ফাইল ঢাকায় পাঠাবে না। তাই
আমরা যখন আমার বাবার অবসর ভাতা তুলতে যায় তখন ওরা বলে পয়সা ছাড়া আপনার অডিট হবে না তখন আমি অনেক অনুনয় বিনয় বললেও কোন কাজে আসে না আমরা এভাবে পাঁচ দিন যায় কিন্তু ওরা কোন কন্যপাত করে নি আমরা অনেক প্রতারণার শিকার হয়েছি এখন পর্যন্ত আমার বাবা মারা গিয়েছে আজ ছয় বছর আমরা টাকা উত্তোলন করতে পারিনি এ অবস্থায় আমাদের কি করনীয় আমরা জানি না
এমপিওভুক্ত হাইস্কুলে ৪মাসের বকেয়া বিল সাবমিট করে ফাইল রিজেক্ট আসার ভয়কে জিম্মি করে শিক্ষা অফিস ডিডি অফিসে টাকা নিবে বলে দাবি করে আপাতত ৫০০০ টাকা বলে
এরিয়ার/ বকেয়া টাকা প্রাপ্তির জন্য আবেদন করা হয়েছিলো, বারবার রিজেকশন হয় যদি আপনি মিষ্টিমুখ না করান।
টাকার বিনিময়ে সুপার আর শিক্ষা অফিস মিলে নিয়োগ কার্য সম্পুর্ন করতেছে ।
Mpo করার জন্য পরিশোধ করেছিলাম তার পর ও হয়নি এবং টাকা ও ফেরত দেয়নি।পরে অন্য জায়গায় নিয়োগ পাইছি।
সেবাগ্রহিতা তাঁর নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট ছুটি চাইলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপরে ভূক্তভোগী সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে উক্ত কর্মকর্তা তাঁর নিকট হতে প্রথমে 50000 টাকা ঘুষ দাবি করেন। এই পরিমাণ টাকা সেবাগ্রহিতা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উক্ত কর্মকর্তা তাঁর নিকট 35000 টাকা দাবি করেন, তবুও সেবাগ্রহিতা অস্বীকৃতি জানান এবং পরবর্তীতে তিনি আর ছুটি নেন নি। উল্লেখ্য যে, এই ভূক্তভোগীর বর্তমানে তিনটি সন্তান তবে তিনি পূর্ববর্তী দুই সন্তানের সময়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগ করেননি।
আমার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আমি বোর্ডে আবেদন করি । পরে শিক্ষা বোর্ডে গেলে সেখানে যে কর্মচারী ছিলেন , সে আমার থেকে 5000 টাকা দাবি করে । আমি জিজ্ঞেস করি সরকারি ফি দেওয়ার পরেও কেন টাকা দিতে হবে, পরে সে বলে, উপরের অফিসারদের খুশি না করলে কাজ পাওয়া যায় না।আমি পরে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে চাইলে তারা আমার সাথে দুর্ব্যবহার করে। পরে আমি বাসায় চলে আসি এবং বোর্ডের ওয়েবসাইট এ অভিযোগ করি কিন্ত এখনো কোনো রিয়াকশন পাওয়া যায় নি।
বেসরকারী স্কুল শিক্ষকের এমপিও আবেদন এপ্রুভ করার জন্য উজিরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে ২০০০ টাকা দাবি করে। ২০০০ টাকা প্রদানের পর এমপিও আবেদন এপ্রুভ করে। এই অফিসে টাকা না দিলে কারো এমপিও আবেদন ফাইল/বকেয়া ফাইল এপ্রুভ করেনা। এটা ঐ এলাকায় ওপেন সিক্রেট।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এর একটি প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে তারা নিজের ইচ্ছামত কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে। ২ বছর হলো সেই পনিবর্তনকৃত নাম তাদের কিছু সাইডে যেমন এমপিও শীটে, ইএমআইএস সেলে পরিবর্তনকৃত নাম সংশোধন করে নাই। আমারা পরিবর্তনকৃত নাম এমপিও শীটে এবং ইএমআইএস সেলে সংশোধনের জন্য একটি আবেদন করি। তখন তাদের মধ্যে একটি লোক সরাসরি ১০০০০ টাকা দাবি করে। বলে টাকা না হলে নাম সংশোধন হবে না। পরে আমি আবেদন দিয়ে আছি। তাদের সাথে পরে আর কোনো কথা বলি না টাকা দেওয়ার বিষয়ে।
২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে আমি যখন এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হিসাবে একটি দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ পাই তখন আমার বেতন করানোর জন্য ফাইল শিক্ষা অফিসে নিয়ে যাই। শিক্ষা অফিসার এর সাথে দেখা করলে তিনি আমাকে বলেন যে আমি ২০ হাজার টাকার নিচে কোন ফাইল ঢাকায় সেন্ট করি না এবং এটা এর কমে নিলে নাকি তার চেয়ারের সম্মান থাকে না। তারপর আমাকে বিশ হাজার টাকাই দেয়া লেগেছে। এভাবে প্রতিটি শিক্ষকই তাকে কমবেশি টাকা দিয়েছে। যাদের চ্যানেল আছে ভালো তাদের কম দেয়া লেগেছে আর যাদের চ্যানেল নাই তাদের কাছ থেকে যেভাবে যা পেরেছে তাই নিয়েছে।
বাবার পেনশনের টাকার জন্য, নরসিংদী ডিপিও অফিসে গেলে বার বার তারা আমাকে শুধু বলে সামনের সপ্তাহে আসো, এমন করে অনেকদিন চলতে থাকে তারপর একদিন আমাকে এক লোক বলে যে টাকা ছাড়া তুমি কোন ভাবেই এই কাজ করতে পারবা না। পরে আমি নিজে থেকেই লোকটাকে বললাম যে আঙ্কেল কত টাকা দিতে হবে তারপর তারা টাকার অংক বলার পর আমি পরের সপ্তাহে টাকা পরিশোধ করি।