বকেয়া বেতন নেওয়ার জন্য।
আমি নতুন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায় প্রথমে আমার তিন মাসের বেতন বকেয়া থাকে তা উত্তোলন করার জন্য ফাইল পাঠাতে গিয়ে আমার কাছ থেকে টাকা দাবী করে ৫০০০ টাকা
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি নতুন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায় প্রথমে আমার তিন মাসের বেতন বকেয়া থাকে তা উত্তোলন করার জন্য ফাইল পাঠাতে গিয়ে আমার কাছ থেকে টাকা দাবী করে ৫০০০ টাকা
০৯/০৬/২০২৬ থেকে ১৮/০৬/২০২৬ মন্ত্রণালয় থেকে এমপিও প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের জন্য আসে। শিক্ষকদের চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে ছয়টা প্রতিষ্ঠান থেকে 24 লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা সাথে করে নিয়ে ঢাকাতে গিয়ে পরিশোধ করা হয়।
নয় ছয় বলে টাইম বাড়ানো।
MPO করার জন্য প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ্যাপরুভ করে না,পরে ৩০০০ টাকা দিলে এ্যাপরুভ করে, জেলা অফিস এ যায়, জেলা শিক্ষা অফিসার ভাল মানুষ উনি টাকা ছাড়া যথা সময়ে এ্যাপরুভ করে দেন, ঢাকা শিক্ষা অফিস ফাইল গেলে ৪ মাস ফাইল ঝুলিয়ে রেখে রিজেক্ট করে দেয়, পরে আবার আবেদন করলে উপজেলা শিক্ষা অফিস আবার ৩ হাজার টাকা নিয়ে ফাইল পাঠায়,এবার ঢাকা শিক্ষা অফিস এ আগের একই ফাইল একই কাগজ দিয়ে ১২০০০ টাকা দিলে ফাইল এ্যাপরুভ হয়,এই হলো আমাদের দেশের অবস্থা
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় নিয়োগ হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। আমাদের দুইজন শিক্ষক এর কাছে ৫০০০+৫০০০=১০০০০ হাজার টাকা দাবী করে।বলে থানা শিক্ষা অফিসার কে দেওয়া লাগবে।এবং আবেদন করতে লাগবে ৩০০০+৩০০০=৬০০০ এই মোট ১৬০০০ টাকা দিয়ে এমপিও আবেদন করতে।বর্তমানে সেই প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত।আমার কথা হলো ভবিষ্যতে যেন কেউ কোন প্রকার টাকা না দেয়।পরে জানি যে এতে টাকা লাগে না
Besi taka fees niche
ফুলছড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিসে আমার মায়ের পারিবারিক অবসরভাতা উত্তোলন করিবার জন্য ১৫০০০ টাকা দাবি করা হয় এবং সর্বশেষ ১২০০০ টাকায় কাজ করে দেয়।
High School er teacher 2021 sale koronai mara jai then pention er application kira hoi sep'2021. Ekgn porjonto sei tk paua jaini karon mul takar 10% dite hbe tai. But razi hoini tai month er por month ghurasse...
অনলাইনে সংশোধন এর জন্য আবেদন করার পরে শিক্ষা বোর্ডের সামনের কম্পিউটার এর দোকান থেকে মূলত ঘুষের সিন্ডিকেটটা রান করে। শিক্ষা বোর্ডের লোকজন তাঁদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করে।
নিয়োগের পত্র আনতে গিয়ে দেখি কেরানী ড্রয়ার খুলে রাখছে।সবাই ৫০০,১০০০,২০০০ দিয়া সহকারী শিক্ষক এর নিয়োগপত্র নিচ্ছে।১৬ বছর আগের কথা।কিন্তু এখনো মনে পরে।
আমার পি এস সি এবং জেএসসি সার্টিফিকেটে বাবা এবং মায়ের নামের বানানে সামান্য ভুল থাকায় তা সংশোধন করার জন্য যাই,বিভিন্ন রকম ঝামেলায় পড়ে কোনো উপায় না পেয়ে ১৫০০০ টাকা চুক্তিতে কাজটি করে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।কিন্তু বাবার নাম ঠিক করলেও এখন পর্যন্ত মায়ের নাম ঠিক করেনি,এইসব অনিয়মে অতিষ্ঠ হয়ে আমিও আর যোগাযোগ করিনি।ঘটনা ২০২১ সালের।আজ০২-০৯-২০২৬
টাকার বিনিময়ে কম সময়ে কাজ করতে চাইছিলো
২০১৯ সালে ইউসুফপুর কৃষি উচ্চ বিদ্যালয় এ অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে প্রধান শিক্ষক উক্ত অর্থ গ্রহন করে । পরবর্তীতে ২০২৩ সালে উক্ত পদ থেকে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে অন্য চাকরি তে চলে আসে এতে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা হয় যে উক্ত অর্থের অর্ধেক এর একটু বেশি টাকা ফেরত দিবে । কিন্তু কিছু দিন অতিবাহিত হবার পরে শুধু ৫০ হাজার টাকা দিয়ে আর বাকি টাকা দেই নাই । কিন্তু প্রধান শিক্ষক উক্ত পদে আবার নিয়োগ দিয়ে ঠিকই আবারো অন্য ব্যাক্তি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহন করেছে ।
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ছিলেন, পেনশনের টাকা তোলার জন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে টিও অফিসের এক কেরানি এর কাছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে
সহকারি শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডে বেতন উন্নিত করতে জন প্রতি ২০০০/- টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। বর্তমানে কাজ চলমান।
প্রতিবার আমার বাবার পেনশনে টাকা উত্তলন করতে গিয়ে ৫০ বা ১০০টাকা দিতে হইতো
রেজিষ্ট্রেশন কার্ড, এস এস সি নাম্বার পত্র, প্রসাংশা পত্র বাবদ প্রতি জন ১০০০ টাকা নিআ্চ
অন্ত উপজেলা বদলির জন্য। ঘুষ না দেয়ায় ১৫ বছর যাবত বদলি হতে পারছিনা। বদলি নীতিমালা অনুকূল হয়না। অথচ আমার স্কুল থেকে যারা ঘুষ দিচ্ছে তারা বদলি হয়ে যাচ্ছে।
আমি শিক্ষা বোর্ডে যায় মেসেজ আসার পর নাম কারেকশন এর সার্ভার কপি প্রিন্ট করে জমা দেওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি আমাকে এভয়েট করে। রিকোয়েস্ট করার পর তা নিল এবং বলল তাড়াতাড়ি করার ব্যবস্থা কর। পরে উনার মোবাইল নম্বর নিয়ে চলে আসি ।এখনো আমাকে মিটিং এ ডাকা হয়নি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে যিনি ফর্ম বিতরণ করেন, ওই আংকেলটা ফর্ম তোলার জন্য সময় আমার কে বলে যদি আমি ফলাফলের তালিকায় না আসি তবে তার মাধ্যমে আমি ওইখানে ভর্তি হইতে পারবো। তারপর উনি ব্যক্তিগতভাবে উনার নাম্বারটা দেয়, এবং ওনাকে কল দিয়ে বললে বিকাশে বা নগদের টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলে আমাকে জানে। যদিও আমি এই অন্যায় পথ অবলম্বন করি নাই