MPO file sent
এমপিও ফাইলের এক মাসের বকেয়ার জন্য শিক্ষা অফিসার যোগাযোগ করা হলে ফাইলটি ঢাকায় পাঠানোর জন্য ১০০০ টাকা দাবী করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এমপিও ফাইলের এক মাসের বকেয়ার জন্য শিক্ষা অফিসার যোগাযোগ করা হলে ফাইলটি ঢাকায় পাঠানোর জন্য ১০০০ টাকা দাবী করা হয়।
আমার স্ত্রীর এসএসসি সনদের নাম সংশোধন করতে সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রয়োজনীয় ফী দেওয়ার পর ও ৭০০০ টাকা দিতে হয়েছে নাম সংশোধন করতে।
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, এ ফরম ফিলাপের টাকা লাগবে ৬৩০০ এর মত,,অন্য টিচার্স ট্রেনিং কলেজ গুলো তে এমন পরিমাণ টাকা লাগছে,,কিন্তু ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এ ৭০০ টাকা বেশি লাগছে যা ঘুষের সমান।ক্লাস টিচার এবং প্রিন্সিপাল এই টাকা মেরে দিবে।
পোস্টিং বিদ্যালয়ে জেলা অফিসের কেরানির মাধ্যমে
ঘটনা ২০১৯ সালের আমি হটাৎ খেয়াল করি আমার এসএসসি সার্টিফিকেটে বাবার নামের কিছু অক্ষর ভুল আছে। সেটা সংসধনের জন্য আমি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে গেলে আমি সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ফরম পূরন করি ও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকড্রাফ করে করি প্রতি কাগজ সংসধনির জন্য সে পর্যন্ত সব ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু কাগজ জমা দিতে গেলে অল্প সময়ে কাজ করিয়ে দিবো বলে আমার কাছে অফিস সহকারী সে ৩০০০ টাকা দাবি করে নতুবা কাগজ জমা নিবে না বলে জানায়। পরে পরিচিত এক স্যার উনি নিশ্চিত ভালো মানুষ তার সাথে আমার পরিচয় হয় এবং উনাকে আমার সমস্যা কথা বললে সে নিজে গিয়ে ফাইল জমা করান এবং ওই অফিস সহকারী কে শাসান যাতে এধরনের কাজ না করেন পরি সঠিক সময়ে আমার কাজটি সম্পুর্ন হয়েছে আর কোন সমস্যা হয়নি।।।। ধন্যবাদ ওই অফিসার যিনি নিঃস্বার্থ রুপে তার কাজ করেছেন।।।
এটি বাংলাদেশ সচিবালয় এর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর কলেজ এর বিষয় অনুমোদন ফিন্যান্স , ব্যাংকিং ও বিমা বিষয়ের জন্য সিলেট শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু তারা বিষয় অনুমোদন এর জন্য ৫০০০০ টাকা দাবি করেন।
প্রাইমারি শিক্ষক হিসেবে বদলি হতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ১৫০০০ টাকা দাবি করেন। না প্রদান করতে চাইলে বদলি আবেদন বাতিল করে দেন
অফিস সহকারী ও হিসাবরক্ষক আমার কাছ থেকে ১০০০০ দশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ছে বিনিময়ে আমার বাবার পেনশনের কাজ করে দিয়েছে
আমি বদলীজনিত কারণে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ছাড়পত্র আনতে গেলে ৫০০ টাকা নিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
NTRCA কতৃক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে MPO শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর স্যালারির আবেদন শিক্ষা অফিসার (উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, বিভাগীয় অফিস) থেকে ফাইল এপ্রুভ করে ঢাকাতে পাঠাতে স্কুলের প্রদান শিক্ষকের মাধ্যমে টাকা চায়। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এ যেকোন ফাইল এপ্রুভ করে আনতে কমপক্ষে ৬ মাস- ১ বছর লেগে যায়। পুরো বাংলাদেশ সব শিক্ষা অফিসে কম/বেশি টাকা দিতে হয়।
যোগ্যতার মাধ্যমে NTRCA পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, গণ বিজ্ঞপ্তিতে সিলেক্ট হয়েও ফাইল রিজেক্ট হওয়ায় ২০১৯ সালে New MPO এর জন্য উপজেলা, জেলা ও ঢাকা DD অফিসে এই টাকা বাধ্য হয়ে দিতে হয়।
২০১৮ সালে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পরেও অনুমোদন কার্যকর করতে মিরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমরা ৬ কলিগ থেকে এই অর্থ নেন।
সাক্ষর নিতে হলে টাকা দেতে হয়। না হলে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়
গত ৭ম গন বিঙ্গপ্তিতে সুপারিশ পেয়ে আমার স্ত্রী ঢাকার একটি স্কুলে জয়েন করে। গত সাত মাস হলো তিন বার এমপিও এর জন্য আবেদন করা হয়েছে। তিনবারই রিজেক্ট করা হয়েছে। কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে ছাত্র সংখ্যা কম এবং ওই স্কুলে দুই সিফট্ চালু আছে কিনা এটার জানেন না তারা। এবিষয়ে থানা শিক্ষা অফিসারকে রিপোর্ট করতে বলা হয় জেলা শিক্ষা অফিসের ডিডি থেকে। কিন্তু তিনি সেটা করেন না।বল্লে বলেন স্কুলে দুইজন হেড মাস্টার আছে, দুই সিফট চলতেছে ১৯৯৮ সাল থেকে, এটা সবাই জানে। কেন দিচ্ছে না বুঝেন না। ডিডির কাছে গেলে কথাই বলেন না। মানুষের সাথে কেউ এমন ব্যাবহার করে না যা তিনি করেছেন। আর বলে আপনারা এখানে কেন আসছেন। হেড মাস্টারকে নিয়ে আসেন। এই দিকে হেড মাস্টার যান না। লাস্ট তিনি বল্লেন,হতে হলে টাকা লাগবে ১লক্ষ। টব টু বোটম সবাই খাবে।
পরীক্ষার্থীদের মালামাল সংগ্রহ করতে গেলে ২ জায়গায় টাকা দিতে হয় এবং বোর্ড পরীক্ষা শেষে মালামাল ফেরত দেওয়ার সময় ২ জায়গায় টাকা দিতে হয়। সবার চোখের সামনে ঘটছে কিন্তু তারপরেও সবাই নিরব কারণ আপনি ঝামেল করলে তারা আপনার সাথেও ঝামেলা করবে।
২০২৩ সালে আমার এমপিও আবেদন করা হয়। আবেদন ডিজিতে পাঠানোর জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রিন্সিপালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই
এমপিও ট্রান্সফার ফাইল এপ্রুভ করার জন্য ।
ছুটি কাটানোর পর বেতন হচ্ছিলো না, সেটা চালু করার জন্য টাকা দাবি করেছিলো
কুড়িগ্রাম জেলার ২০২৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ২৫, ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি কাগজপত্র জমা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়। চিলমারী উপজেলার কাগজ ২৫ জানুয়ারি জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন গাজীপুর থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে যাওয়ায় কাগজ জমা দিতে পারিনি। বিষয়টি আগে থেকেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ই-মেইলে জানালে তিনি জানান, কোনো সমস্যা হবে না, পরে এসে জমা দিতে পারবেন। ২৬ জানুয়ারি কাগজ জমা দিতে গেলে দুইজন অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কাগজ জমা নেবেন না বলে জানান। জেলা শিক্ষা অফিসারের ই-মেইল দেখানোর পরও তারা আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাগজপত্র জমা নেন।
ঘুষ গ্রহীতা: টাকা না দিলে ফাইল আগাবেনা, যারা টাকা দেয়নি তাদের ফাইল ৩ বছর ধরে পরে আছে আগামী ৩ বছরেও কেউ ফাইলে হাত দিবেনা।