সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১,০২২ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
শিক্ষা অফিস

শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর MPO ও স্যালারির আবেদন।

NTRCA কতৃক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে MPO শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর স্যালারির আবেদন শিক্ষা অফিসার (উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, বিভাগীয় অফিস) থেকে ফাইল এপ্রুভ করে ঢাকাতে পাঠাতে স্কুলের প্রদান শিক্ষকের মাধ্যমে টাকা চায়। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এ যেকোন ফাইল এপ্রুভ করে আনতে কমপক্ষে ৬ মাস- ১ বছর লেগে যায়। পুরো বাংলাদেশ সব শিক্ষা অফিসে কম/বেশি টাকা দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চুয়াডাঙ্গা ৳৬০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক এর এমপিও এর জন্য

গত ৭ম গন বিঙ্গপ্তিতে সুপারিশ পেয়ে আমার স্ত্রী ঢাকার একটি স্কুলে জয়েন করে। গত সাত মাস হলো তিন বার এমপিও এর জন্য আবেদন করা হয়েছে। তিনবারই রিজেক্ট করা হয়েছে। কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে ছাত্র সংখ্যা কম এবং ওই স্কুলে দুই সিফট্ চালু আছে কিনা এটার জানেন না তারা। এবিষয়ে থানা শিক্ষা অফিসারকে রিপোর্ট করতে বলা হয় জেলা শিক্ষা অফিসের ডিডি থেকে। কিন্তু তিনি সেটা করেন না।বল্লে বলেন স্কুলে দুইজন হেড মাস্টার আছে, দুই সিফট চলতেছে ১৯৯৮ সাল থেকে, এটা সবাই জানে। কেন দিচ্ছে না বুঝেন না। ডিডির কাছে গেলে কথাই বলেন না। মানুষের সাথে কেউ এমন ব্যাবহার করে না যা তিনি করেছেন। আর বলে আপনারা এখানে কেন আসছেন। হেড মাস্টারকে নিয়ে আসেন। এই দিকে হেড মাস্টার যান না। লাস্ট তিনি বল্লেন,হতে হলে টাকা লাগবে ১লক্ষ। টব টু বোটম সবাই খাবে।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳১.০০ লাখ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি বোর্ড পরীক্ষার মালামাল নেওয়া এবং জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া

পরীক্ষার্থীদের মালামাল সংগ্রহ করতে গেলে ২ জায়গায় টাকা দিতে হয় এবং বোর্ড পরীক্ষা শেষে মালামাল ফেরত দেওয়ার সময় ২ জায়গায় টাকা দিতে হয়। সবার চোখের সামনে ঘটছে কিন্তু তারপরেও সবাই নিরব কারণ আপনি ঝামেল করলে তারা আপনার সাথেও ঝামেলা করবে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা। ৳৪.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

নতুন এমপিও

২০২৩ সালে আমার এমপিও আবেদন করা হয়। আবেদন ডিজিতে পাঠানোর জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রিন্সিপালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

এমপিও আবেদনের ফাইল উপজেলা হতে ছাড়

আমি ৪র্থ গণবিজ্ঞতিতে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি স্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি এবং আমার এমপিও করানোর জন্য যথারীতি আবেদন করি। ফাইল উপজেলাতে গেলে প্রধান শিক্ষক বলে টাকা ছাড়া ডুমুরিয়া শিক্ষা অফিসার ফাইল ছাড়বে না তখন প্রধান শিক্ষককে নিয়ে থানা শিক্ষা অফিসে যাই। প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দিলে তিনি ফেরত দেন এবং বলেন ৫০০০ টাকা দিতে।আবশেষে ৫০০০ টাকা দেই এবং তারপর সেইদিন রাতে ফাইল জেলায় ফরওয়ার্ড করে দেয়। আর কোথাও কোন টাকা দেয়নি

ঘুষ দিয়েছি
ডুমুরিয়া শিক্ষা অফিস ৳৫.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

বেতনের বকেয়া বিল প্রস্তুত করে হিসাবরক্ষন অফিসে প্রেরন

জুলাই-২০২৫ সালে একজন প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন এর ৫% ইনক্রিমেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি হয় নাই। ফলে সে ৮৭৯ টাকা কম পায়। পরবর্তীতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে সেই বকেয়া বিল প্রস্তুত করে উপজেলা হিসাবরক্ষন অফিসে দরখাস্ত দেয়া হয়। আজ ১৩ মাস অতিক্রান্ত হলেও সেই বকেয়া পাওয়া যায় নাই। কিছুদিন অফিসে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ফোন দেয়া হয়। সে ইনিয়ে বিনিয়ে ঘুষ দাবি করে। অফিস প্রধান টাকা ছাড়া এইসব সাইন করে না নাকি! অধীনস্থ শিক্ষকদের বেতন বিলেও ঘুষ ছাড়া এরা কাজ করে না। ধিক্কার এদেরকে।

ঘুষ দিইনি
নকলা,শেরপুর ৳৫০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

প্রাইমারী শিক্ষক ভাইভা দেওয়ার আ‌গে জেলা শিক্ষা অ‌ফি‌সে কাগজ জমা দি‌তে গি‌য়ে‌ছিলাম

কুড়িগ্রাম জেলার ২০২৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ২৫, ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি কাগজপত্র জমা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়। চিলমারী উপজেলার কাগজ ২৫ জানুয়ারি জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন গাজীপুর থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে যাওয়ায় কাগজ জমা দিতে পারিনি। বিষয়টি আগে থেকেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ই-মেইলে জানালে তিনি জানান, কোনো সমস্যা হবে না, পরে এসে জমা দিতে পারবেন। ২৬ জানুয়ারি কাগজ জমা দিতে গেলে দুইজন অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কাগজ জমা নেবেন না বলে জানান। জেলা শিক্ষা অফিসারের ই-মেইল দেখানোর পরও তারা আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাগজপত্র জমা নেন।

ঘুষ দিয়েছি
কু‌ড়িগ্রাম ৳৫০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

নামের বানান সংশোধন

ঘুষ গ্রহীতা: টাকা না দিলে ফাইল আগাবেনা, যারা টাকা দেয়নি তাদের ফাইল ৩ বছর ধরে পরে আছে আগামী ৩ বছরেও কেউ ফাইলে হাত দিবেনা।

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳৪.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

প্রভিডেন্ট ফান্ড, কল্যান টাস্ট ও পেনশনের টাকা উত্তোলন

আমার বাবা একজন প্রাইমারি স্কুল এর শিক্ষক ছিলেন তার lpr চলতেছে বাবা যখন প্রভিডেন্ট ফান্ড, কল্যান টাস্ট ও পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য ময়মনসিংহ উপজেলা শিক্ষা অফিস এ যায় তখন বাবা জানতে পারে এই খানে ঘুষ সারা কোনো কাজ হয়না কিন্তু বাবার হাতে টাকা ছিলো না টাকার খুব প্রয়োজন তারপর ওইখানে এক কর্মকর্তা বাবকে বলে আপনার কাজ করে দিব কিন্তু ধাপে ধাপে আমাদের টাকা দিতে হবে যখন যেখানে লাগে। পরে বাবা বাধ্য হয়ে রাজি হয় বর্তমানে বাবা বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা দিতে হচ্ছে যখন যেখানে লাগতেছে😰

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ উপজেলা শিক্ষা অফিস ৳২.০০ লাখ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

সহকারী মৌলভী হিসেবে চাকরির প্রথম এমপিও ভুক্ত করুন

আমাদের তিনজনের একসাথে চাকরি হয়েছিল কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছিল। সমস্ত কাগজপত্র রেডি করে ঢাকায় জমা দিতে যাওয়ার পরে সেখানে অফিসে ফাইল জমা দেই। পরে একজন কেরানী আমার সাথে যোগাযোগ করে এবং দেখা করতে বলে। দেখা করার পরে প্রতি ফাইল এর জন্য ১০ হাজার টাকা করে দাবী করেছে এটা পরিশোধ না করলে এমপিওভক্তি সহজে হবে না। কারণ ফাইল তাদের কাছে থাকে। পরের প্রিন্সিপালের সাথে পরামর্শ করে ১০ হাজার টাকা করে জমা দেই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

উচ্চতর স্কেল

১০ বছর শিক্ষকতা পূর্ণ হওয়ার পরে আমার উচ্চতা বেশি আবেদন করা হয়। প্রিন্সিপাল সাহেবের মাধ্যমে কাজটি সম্পাদন করেছিলেন তিনি বলেছেন শিক্ষা অফিসার কে ৪ হাজার টাকা দিতে হবে। আমি দিতে না চাইলে আমার উচ্চতার স্কেল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। পরে আমি টাকা দিয়েছি তারপরে স্কেলে শিক্ষক অফিসারে ওকে করে সাবমিট করে দিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
রামগতি, লক্ষ্মীপুর ৳৪.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে প্র্যাকটিক্যাল/ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য নির্ধারিত মালামাল , সামগ্রী।

আমি ঢাকা সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি (১ম শিফট)-এর একজন শিক্ষার্থী। আমাদের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে প্র্যাকটিক্যাল/ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য নির্ধারিত মালামাল ও সামগ্রী শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে না দিয়ে এবং প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস সঠিকভাবে না করিয়ে, তা অবৈধভাবে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এই কাজের সাথে সরাসরি জড়িত এবং দায়ী ব্যক্তি হলেন: পদবি: চীফ ইন্সট্রাক্টর (টেক/কম্পিউটার) ও বিভাগীয় প্রধান (কম্পিউটার), ১ম শিফট প্রতিষ্ঠান: ঢাকা সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিক্রি করে দেওয়া চরম দুর্নীতি ও অনিয়ম।

ঘুষ দিয়েছি
আগারগাঁও ৳৫০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

মৃত ব্যক্তির পেনশন উত্তোলন প্রসঙ্গে

আমার আন্টি প্রাইমারি স্কুলে চাকরিররত অবস্থায় মারা যান l তার স্বামী সন্তান কেউ নেই l ওয়ারিশান হিসাবে আমরা পেনশনের টাকা উঠাতে গেলে ৪০ লক্ষ টাকায় ৩০% এর উপরে গোশ দাবি করে বসে ত্রিশাল প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার l যদিও আদালত তা কোর্টের মাধ্যমে আমাদের ভাগ করে দিয়েছেন l তারপর দাবি কৃত টাকা আমরা আদায় করতে পারি নাই বিদায় এখনো বন্ধ হয়ে আছে পেনশনের টাকা উত্তোলন ২০১৩ সালে আমার আন্টি মারা গিয়েছেন l

ঘুষ দিইনি
Trishal ,Mymensingh ৳১০.০০ লাখ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

কল্যাণ তহবিল এর জন্য।

টাকা না দিলে কাজ অনেক দেরি হয়।বার বার অফিসে আসতে হয়।পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়।যেতেতু আমাদের উপজেলা হাওর উপজেলা। অনেক দুর্গম এলাকা।

ঘুষ দিয়েছি
খালিয়াজুড়ি ৳৫০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য