change spelling of certificate
আমার নামের বানান এটা ভুল ছিল আমার কাছে ১০০০০ টাকা চায় ইটা ঠিক করতে আমি কিছু বলি নি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার নামের বানান এটা ভুল ছিল আমার কাছে ১০০০০ টাকা চায় ইটা ঠিক করতে আমি কিছু বলি নি
প্রথমে বেতন করানোর জন্য উপজেলা অফিস থেকে ফাইল ছেড়ে দিলেও জেলা অফিসে ফাইল আটকে রাখে। ২০২৩ সালের শেষের দিকে আমি জয়েন করি কিন্তু আমার বেতন হয় ৬ মাস পরে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ঢাকার ডিডি স্যারকে।
আমার মা ২০২৪ সালে সরকারি কলেজ থেকে দীর্ঘ ২৬ বছর চাকরি করার পর retired করেছেন। ওনার পেনশনের টাকা আজ অব্দি আমরা সংগ্রহ করতে পারিনি। এর সাথে এডিশনাল যে বকেয়া টাকা ছিল টা আদায় করার প্রক্রিয়ায় এখন অব্দি অর্ধ লক্ষ এর মতন টাকা দিতে হয়েছে। কদিন আগেই ২৫০০০ টাকা দেওয়ার পর কল্যাণ ভাতা পেয়েছেন। টেনশন হচ্ছে যে পেনশনের জন্য কতোনা টাকা দাবি করে বসে।
আমার পেশনের জন্য টাকা দাবি করছে
টিসির কাজের জন্য দিতে হয়েছিলো।
কাশিপুর মুহাম্মদীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী, নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া পদে এমপিওর কাগজপত্র জমা দিতে প্রতি জনের জন্য ১০,০০০/- করে শিক্ষা অফিসারের সহকারী দাবী করে।
বহিঃবাংলাদেশ ছুটি নিতে হলে উপজেলা, জেলা, বিভাগ সকল কার্যালয়ে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ১০০০ টাকা করে দিতে হয়। নতুবা ছুটির কাজ হবেও না আর ছুটি পাওয়া ও যাবে না। আমি ছুটি পাওয়ার জন্য দিতে বাধ্য হয়েছি। ব্যক্তিগত যেকোন কাজ করতে সকল স্বাক্ষরের জন্যই টাকা লাগে। তাছাড়া কাজ হয়না। জিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতেও উপজেলা কার্যালয়ে অর্থ দিতে হয়েছে। চাকুরী স্থায়ীকরণেও টাকা দিতে হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন কার্যালয়ে।
আমার এক বন্ধু চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনে উচ্চমাধ্যমিক (ইন্টার) এর সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়েছিল। চট্টগ্রাম বোর্ডের লোকজনই এই ঘুষ দাবি করে। প্রায় ১৫ দিনের ভেতর হয়ে গিয়েছিল কাজ। এফিডেভিড ইত্যাদি কোন কিছুর জন্য তার থেকে দৌড়াদৌড়ি করতে হয় নাই। যে জায়গায় হাজার হাজার স্টুডেন্ট আছে যারা সার্টিফিকেট সংশোধন এর জন্য বোর্ডের রেগুলার সিস্টেম অনুযায়ী আবেদন করে এবং সংশোধনের আশায় বসে আছে বছরের পর বছর। আর এদিকে ১৫ দিনের ভিতর সংশোধিত সার্টিফিকেট হাজির। এগুলো কি আদৌ বাংলাদেশে কোনদিন ঠিক হবে?? এগুলোর সাথে সরকারের দলের লোক আমলারা জড়িত। প্রতিটা সেক্টরে পদে পদে রয়েছে হাজার হাজার দালাল।
basically amar cerificate er name change er time e pray 6 month dhore dhaka board e giyechilam, and amar sms eshechilo je name change done, shekaronei giyechilam, but jawar pore bolto je ashenai ekhono. then ekdin amar uncle amar shathe jay, pore jokhon unara same bhabe bole je still ashenai tokhon uni 1000tk offer korate instant amake amar name changed certificates and admit card marksheet shob diye dey.
রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রায় সকল কাজেই ৫০০ থেকে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়।
বদলি আবেদন করতে DG অফিস ৩০০০০০ টাকা ঘ্বস ছেয়েছে।
আমার বাবা চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অবস্থিত চারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এমপিও ভুক্ত শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০২০ সালের মার্চ অবসর গ্রহণ করেন। পরে ওনার কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা ও অবসরভাতার জন্য ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে আবেদন করি অবসরগ্রহণের পরপরই। কিন্তু অনেক দিন হয়ে যাবার পরও যখন টাকা আসেনা, যারা আগে অবসর নিয়েছেন তাদের মাধ্যমে জানতে পারি ঘুষ ছাড়া টাকা আসেনা। পরে অধিদপ্তরের আরেকজন দালালকে ২৫,০০০ টাকা দিলে ২০২৩ সালের শেষের দিকে কল্যাণট্রাস্টের টাকা ব্যাংকে আসে। পরে সেই একই প্রসেসে আরো একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে ২০২৪ সালে ৩৫,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া সহ অরিজিনাল সব কাগজপত্র দেওয়ার পরে ২০২৫ সালের শেষে অবসরভাতা আসে ব্যাংকে। টাকা দেওয়া ব্যতিত কারো টাকা গত একযুগে এসেছে বলে নজির নেই। অনেকে ঘুরতে ঘুরতে মারা গিয়েছে।
আমার মা একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ২০১৫ সালের দিকে তিনি রাঙ্গুনিয়া থানা থেকে ট্রান্সফার হয়ে রাউজান থানায় আসেন। যার জন্য আমার মায়ের ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। সম্প্রতি আমার মা একই থানার অন্তর্গত এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে ট্রান্সফার হতে চাইছেন, যার জন্যও শিক্ষা অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তাকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হবে। নাহলে ট্রান্সফার হবে না।
এমপিওভুক্তির জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ৫০০০ ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ২০০০ টাকা নিয়েছেন।
নাম সংশোধনকৃত সার্টিফিকেট আমার ব্যস্ততার কারণে ১ বছর দেরিতে উত্তোলন করতে যাওয়া হয়। সেখানে আমাকে বলা হয়, আপনি দেরি করে আসছেন, আপনাকে পুনরায় আবেদন করতে হবে। অথচ সেটি তাদের কাছেই ছিল। এরপর অন্য একজন এসে বললো আপনি ৩০০০ টাকা দিলে আমরা সময় নিয়ে খুজে দিচ্ছি, এরপর তারা সার্টিফিকেট দেয় আমাকে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলার শিক্ষা অফিসারের কেরানি আমার কাছে সরাসরি টাকা চাইনি কিন্তু অন্য একজন্য এর মাধ্যমে ১০০০ টাকা চেয়েছে উনি।
উচ্চতর ডিগ্রির অনুমতি চাইলে তা অনুমোদন এর জন্য এই টাকা চাওয়া হয়।
আমার ভাইয়ের চাকরির জন্য জরুরি ভিত্তিতে এইচএসসির সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিলো। তো তারা দিতে রাজি হয়নি শুরুতে এরপরে সারাদিন কাটানোর পর বলল টাকা লাগবে। এরপরে জিজ্ঞেস করলাম কত ? এরপরে বলল ৭০০০। তারপরে অনেক জোর করে ৫০০০ টাকা দেওয়ার পর দিয়েছে।
নিবন্ধনে যারা স্কুল,কলেজ, মাদ্রাসায় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে, তাদের যোগদানের পর প্রথম মাসের বেতন চালু করতে উপজেলা বা জেলা শিক্ষা অফিসারকে তার চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করতে হয়। নতুবা ফাইল আটকে রাখে। আমিসহ যারা যোগদান করেছিলাম তাদের বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। জন প্রতি পাঁচ হাজার টাকা নিলে যদি এক প্রতিষ্ঠান থেকে দশ জন যোগদান করে তাহলে পঞ্চাশ হাজার টাকা। এরূপ সারাদেশে ১৮তম নিবন্ধনে প্রায় সত্তর হাজার শিক্ষক যোগদান করে। এর মূল্যমান কত দাড়ায় সহজেই অনুমান করা সম্ভব। সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও এই ধরনের দাবী সম্পূর্ণ অন্যায় এবং অপরাধ।
কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে সেবা প্রদান করতে গড়িমসি করায় পরবর্তীতে আমি নিজেই হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিয়েছি।