Teacher’s transfer
বদলিকৃত বিদ্যালয়ে যোগদান আটকে রেখেছিল। টাকা পরিশোধ করার পর সাথে সাথে যোগদান প্রদান।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বদলিকৃত বিদ্যালয়ে যোগদান আটকে রেখেছিল। টাকা পরিশোধ করার পর সাথে সাথে যোগদান প্রদান।
টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট করে
২০১৭ সালের দাখিল প্রাইভেট পরীক্ষার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে যে,যে সমস্ত কেন্দ্রীয় সেন্টার আছে তাদের সাথে যোগাযোগ করে প্রাইভেটে ভর্তি হওয়ার জন্য। সেই হিসেবে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় কোন সেন্টার না পাওয়া সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসার এক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করি। উনি যা কিছু বলল যে তোমার ছাত্ররা পারবে না, কিভাবে পড়বে কওমি থেকে এসে? এত কিছু পড়বে কিভাবে? অনেক কিছু বলল! অনেক ইনসাল্ট করার পর বলল ঠিক আছে দেন দেখি ,তাহলে একজন থেকে ৪ হাজার টাকা করে নিয়ে আসবেন। দেখি কিছু করা যায় কিনা? অথচ প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বিজ্ঞাপিত বলা আছে মাত্র ২৪১ টাকা সোনালী পেমেন্ট এর মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীকে রেজিস্ট্রেশন করা যায়।
আমাদের শিক্ষা অধিদপ্তরের আন্ডারে একটা কলেজের সাবস্টেশন নির্মাণের টেন্ডার পাই, যেহেতু আমি প্রোজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার, আমি প্রোজেক্টের কাজের জন্য সিভিল, আর্কিটেক্ট, ইলেকট্রিকাল ড্রইং কালেকশন করতে যাই, তারা কতক্ষন এই টেবিল, কতক্ষন ওই টেবিল প্রেরণ করে, এই ড্রইং সরকারি তরফ থেকে ফ্রি প্রদান করার কথা ছিলো। কিন্তু আর্কিটেক্ট এর একজন ইঞ্জিনিয়ার আমার কাছে ৩ টা ড্রইং বাবদ ৬০০০ টাকা দাবী করে, আমি যেহেতু নিরুপায় (প্রোজেক্টের সময়সীমার জন্য), আমি উনাকে অনেক অনুরোধ করি। পরবর্তীতে উনি ৫০০০ টাকায় রাজি হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উনি আমায় শুধু মাত্র আর্কিটেক্ট এর ড্রইং দেন, বাকি গুলো এক এক টেবিলে যেতে বলেন বাট কেউ কারোর রেফারেন্স গ্রহন করে না। পরে দেখি উনি আবার টাইম টু টাইম নামাজ ও পড়ে🙂 ইলেকট্রিকাল ড্রইং বাবদ আরো দিতে
নতুন এমপিও করার জন্য সকল ডকুমেন্ট অনলাইন সাবমিট দেয়ার পর কালিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার ২০২৩ এ ছিলেন যিনি, তিনি দাবি করলেন অনলাইন থেকে নাকি ফাইল ডিলেট হয়ে যেতে পারে তাই ৫৬ পাতার ফাইল কালার প্রিন্ট করে তার কাছে জমা দেয়া লাগবে। না দিলে এমপিও হবেনা। তারপর অনেক প্যাচিয়ে প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধানের মাধ্যেমে তিনি ৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। তখন জেনেছিলাম তিনি এভাবেই এমপিও করে থাকেন।নইলে ফাইল নড়ে না। এখনো এভাবেই ফাইল চলে গোপ্নে।
মূলত বিদ্যালয়ের কাজের জন্য আসা টাকা জমা হওয়ার পূর্বেই তার কাজ করতে হয় কিন্তু কাজ সম্পন্নকরণের পর দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে সহঃ শি.অফিসার চেকে সাইন করেন না তথ নানারকম উপায়ে হয়রানি করে থাকেন।
স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক তালিকা প্রেরণ কালীন মাদ্রাসা প্রতি ৩০ হাজার টাকা বাধ্যতামূলক নেয়া হয়।মূল হোতা ছিল- একজন অস্থায়ী কর্মকর্তা আর অফিস সহকারী। সর্বোপরি বিষয় টি জেলা শিক্ষা অফিসার জানতেন।
বগুড়া জেলা, শাজাহানপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত ও বিবিধ কাজে ১৫০০০০ টাকা অনুমোদন করিয়ে দেবার জন্য প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে সভাপতি সাহেবকে উক্ত ১৫০০০০ টাকা অনুমোদন হলে সেখান থেকে ২০০০০ টাকা ঘুষ প্রদানের শর্তে অনুমোদন/ পাশ করিয়ে দেবার প্রস্তাব দেয়। সভাপতি সাহেব উক্ত ঘুষ প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে অনুমোদন বাতিল করে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ঘুষের মাধ্যমে অনুমোদন করানো হয়েছে।
আমার মা একজন শিক্ষিকা ছিলেন। প্রায় ৩৬ বছর চাকরি শেষ করে তিনি অবসরে গিয়েছেন। তার পেনশন এর কাগজপত্র জমা দিত্র গেলে প্রতিদিন বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। পরবর্তীতে রকজন জানায় টাকা নেয়ার জন্য শিক্ষা অফিসের কেরানি এই কজ করছে। আমার মা কোন টাকা দিবেন না। আমার মাকে উক্ত কেরানি গর্বের সাথে বলেছে সে কাউকে পাত্তা দেয় না, আমার মাকে ৭ বছর ঘোরাবে। কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দাবি করেনি।
বিএড স্কেলের জন্য প্রথমে বাঘারপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে ১৫০০ টাকা ঘুষ দেয়, এরপর জেলা শিক্ষা অফিসার কে ২০০০ টাকা ঘুষ দেয়, সর্বশেষ দুই হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে খুলনা থেকে ফাইল ছাড় করায়।
ami 2023 shale amar sob certificate er name change er jonno apply kori . pore onek deri hoy dekhe ami dhakay education board a jai . joto lok er kache gechi sobai age file ney pore amount bole . pore last ek jon lok er kache gesilam education board er 3 no building er 4 talay . last room a dhorjar sathe e boshe . uni surute khub help ful howar vab ney pore amr kache kotha fake fake bole jehutu ami student tai 3ta certificate a 12 hazar taka lagbe . egula beshir vag e upor mohole jabe . pore akhn kothar por uni 8 hazar takay ashlo . kintu suru theke amar plan chilo ami kaw k ekta poysa o dibo na lokta mar sob file rekhe dite chaylo amar number o nilo . pore onek bar call o kore chilo amake .
আমার বেতন চালু সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসর একজন আমার কাছে ৫০০০০ টাকা দাবি করে। আমি চাপে পড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
আমি মান উন্নয়ন পরীক্ষা দিয়েছিলাম। তো আমার আগের সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন সার্টিফিকেট তুলতে গেলে কিছু খরচ চায়, ২০০টাকা দিলে বলে ৫০০টাকা করে নেই, পরে আর ১০০ (মোট ৩০০)দিলে সার্টিফিকেট দেয়। আমার আগে একজনের কাছ থেকেও নিতে দেখেছি।
এম পি ও ফাইল আবেদন ফরওয়ার্ড করতে এই টাকা সম্মানী খরচ চাওয়া হয়।
আমার মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেটে নামে ভুল থাকার কারণে আমি চিটাগাং বোর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করি। সংশোধন করার ক্ষেত্রে আমার একটা কোট অ্যাবিড অ্যাবিড জমা দিতে হয় যেটা ছিল অরজিনিয়াল কপি। চট্টগ্রাম বোর্ডে আমার সকল কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আমি যখন আমার নতুন সংশোধিত সার্টিফিকেটগুলো হাতে পায় তখন আমি আমার যে অ্যাবিড অ্যাবিড নিতে একটা নির্দিষ্ট কক্ষে যাই। ওখানে একজন সম্মানিত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন, আমি ওনার কাছে আমার অ্যাবিড অ্যাবিড চাইলে উনি আমাকে বলেন এটা কত টাকা দিয়ে বানিয়েছো ? আমি ওনাকে বললাম প্রায় তিন হাজার টাকার মত, উনি আমাকে পাল্টা জবাব দিয়ে বললেন আমাকে ৩০০০ টাকা দিয়ে এটা নিয়ে যাও। তারপর আমি ওনাকে বললাম আমার প্রয়োজনীয় কাগজ আমি কেন আপনাকে টাকা দিব ?
আমাদের এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলে ২০২৬ সালের জানুয়ারী বা ফেব্রুয়ারীতে অডিট আসছিলো, আসার আগেই কি কি কাগজ ঠিক করতে হবে বলে দিয়েছিলো, আমরাও সব কাগজ রেডি রেখেছিলাম কিন্তু তারা (অডিট অফিসার) ছিলো ২জন তারা এসেই আমাদের শাশাতে শুরু করে এবং যারা Ntrca থেকে নিয়োগ তাদেরকে তো আরও গরম দেখাচ্ছিলো এবং Ntrca থেকে সুপারিশপ্রাপ্তদের পরীক্ষা নেয় এবং বলে আপনারা যা লিখছেন তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিবো এবং আপনারা কেমনে চাকরি করেন তা দেখে নিবো।এরপর সকলের উদ্দেশ্যে বলে এই স্কুলের অনেক সমস্যা সো এই সমস্যা সমাধান করতে সকলের একমাসের স্যালারি লাগবে অর্থাৎ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।ফলে সেটা দেয়া লাগছে।এবং পরের মাস সব শিক্ষক খুব কস্টে দিন পার করছে।
আমার দুলাভাই রহিমাহুল্লাহ প্রাইমারি স্কুলে চাকরি রত অবস্থায় মারা যায় ৬ বছর চাকরির বয়স। তখন তাঁর আবেদনে কাগজপত্র নাড়াচাড়ার জন্য চা নাস্তা, গাড়িভাড়া বাবাদ ৫০০০০ চাইছে কাজ শেষে ৩০০০০/- দিতে হইছে।
মাল জমা করার পর দাবি করে।
Uttara High School and College e admission neyar somoy amake 5000 taka bribe dite hoye chilo. It is so pathethic experience for me .
Transfer er jonno taka chaise, porichito lok dekhe naki discount diyeche.