এমপিও করন
ফাইল আটকিয়ে। এর জিন্য আমি একমাসের বেতন পাইনি।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফাইল আটকিয়ে। এর জিন্য আমি একমাসের বেতন পাইনি।
স্কুল থেকে এসএসসির মার্কশিট নিতে আর প্রশংসা পত্র নিতে,,সরকারি স্কুল হাওয়া সত্বেও,, লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
It was a medium who said that they could help clear both my mother’s Welfare Trust file and retirement file. For the Welfare Trust file, they would charge BDT 40,000 in cash, and later another BDT 80,000 for the retirement file. My mother retired from a high school last year. We gave them 40000/- cash to speed up the process and clear the welfare file. But they took the money and didn't get the work done.
ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৪ সালে, তখন আমি ঢাকা কমার্স কলেজের স্টুডেন্ট। গ্রাম থেকে সদ্য ঢাকায় গিয়ে কমার্স কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম। তিন মাস পর যখন কমার্স কলেজের খরচ সামলাতে পারছিলাম না তখন গ্রামের কলেজে ভর্তি ট্রান্সফার করার সিদ্ধান্ত নেই। অনলাইনে আবেদন করার পরে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম। কাগজপত্র ফটোকপি হওয়ার জন্য অফিসে থাকা অফিসার কাগজপত্র জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এজন্য আমি অফিস থেকে বের হওয়ার জন্য রওনা দিছি, দরজার কাছে আসতেই অফিস পিয়ন আমাকে ডাক দিয়ে এক কোনায় নিল। ফিসফিস করে বল্লো ১০০০ টাকা দিলে সে কাগজপত্র জমা করে দিবে। উপায়ান্তর না দেখে আমি ৮০০ টাকা দিয়ে দেই।
আমি কারিগরি বোর্ডে গিয়েছিলাম আমার পুরাতন কলেজের ভর্তি বাতিল করতে আমার রেজিষ্ট্রেশন আর এডমিট টা আগেই হারিয়ে গিয়েছিলো, একজন লোক আমার থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করেছে কেবল ভর্তি বাতিল করবে বলে আমি ঘুষ না দেওয়ার জন্য ২ দিন ধরে পুরো অফিস ঘুরেছি কোনো কাজ হয়নি শেষমেষ বাধ্য হয়ে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে এ কাজ করতে হয়েছে! এ ঘটনা ২০২৪ সালের
বেসরকারি প্রভাষক পদের MPO আবেদন করতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি উন্নয়ন কাজের নাম করে ৫০০০০৳ দাবি করে। মূলত এটা ঘুষ।
সেবা নিতে যাবার পর শিক্ষা অফিসের পিয়ন ৫০০ টাকা দাবি করেছে। এমারজেন্সি হবার কারনে টাকা পরিশোধ করে পিএসসি সার্টিফিকেট নিয়েছি। ঘটনাটি ২০১৮ সালের দিকে।
সার্টিফিকেট তোলার বিনিময়ের টাকা
চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়ে নিম্ন মানের সরকারি চাকরি ধরতে গেলেও ঘুষ চাচ্ছে।বলতে গেলে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে এরখম ঘুষের ভিত্তি তে চাকরি দেওয়া।যেখানে যোগ্য ব্যাক্তি টাকার কাছে হেরে যাচ্ছে।৪-৫ লাখ এমন করে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ এর প্রতি সেক্টরে এখন ঘুষ আর ঘুষের বিনিময়ে চাকরি।।।
অফিসের পিয়নরা ইচ্ছাকৃত ভাবে ফাইল আটকে রাখে। তারা বলে ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না, অমুক দিনে আসেন। এভাবে ঘুরাতে থাকে। কিন্তু তাদের টাকা পেলে আধা ঘন্টার মধ্যে ফাইল বের করে দেয়
পোস্টিং এর জন্য ৮ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল আমি পরের তিন হাজার টাকায় মিটিয়ে ছিলাম
এসএসসি সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়ে সরকার ফি এর পর আরো ৩ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি
জেলা শিক্ষা অফিসে অনলাইনে ফাইল যাওয়ার পর এটি D D অফিসে পাঠানো হয়না। খবর নিলে টাকা দাবি করেন না দিলে ফাইল রিজেক্ট করে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক উপজেলায় শিক্ষকদের সমন্বিত গ্রেডেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের সকল ডকুমেন্টস জমা দিলে ডেপুটেশনে কর্মরত শিক্ষক আমাদের কাছে ২০ জনের জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে দাবি করেন। জোর গলায় আরও বলেন, যারা দিবেন না তাদের নাম গুলো যেন তাকে লিখে দিই।
স্কুলের পিওনের চাকরির জন্য এ টাকা দাবী করা হয় আমার ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ডের কাছ থেকে।।
টাকা না দিলে ফাইল ফরওয়ার্ড করবেনা।
Ntrca কর্তৃক ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে নিয়োগ পাওয়ার পর। mpo বা বেতন করানোর জন্য ৩৩/৩৪ পেজ সম্বলিত তথ্য জমা দিতে হয়। কাগজ ঠিক থাকলে ও নানা অজুহাতে ফাইল রিজেকশন হয়। পরে যোগাযোগ করলে টাকা দাবি করা হয়। টাকা প্রদান না করলে ফাইল পরবর্তী ধাপে পাঠানো হয় না। ৩/৪ টি ধাপে কাজটি সম্পন্ন হয়। প্রতিটি ধাপে ২/৩/৪ টাকা লাগে ফাইল ছাড় করতে। বাধ্য হয়ে দেয়া লাগে।😐
টাকা না দিলে।বদলি করবে না।
শিক্ষক বদলি নিয়ে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে পরে আমি ৫০% পরিশোধ করি।
আমার HSC Exam সিটি পরে ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজে , physics practical exam মহানগর মহিলা কলেজে physics sir কে ১০০০ টাকা করে না দিলে উনি practical ফেল করে দিবেন. বাধ্যতামূলক আমার সবাই উনাকে ১০০০ করে টাকা দেয়, শিক্ষক হয়ে নির্দয় মত টাকা নেয় আর নাম রোল নম্বর লিখে রাখে, কে কে দিয়েছে,, আমাদের বন্ধুরা সবাই দিয়েছে বাধ্য হয়ে ভয়ে দিয়েছিলাম, আমরা পরীক্ষা দিয়েছিলাম জনে প্রায়২৩০×১০০০=২৩০০০০টাকা.ঢাকা তেই অবস্থা, আর গ্রামের দিকে তো প্রতি SSC, HSC, practical exam system, এ টা স্যারদের খুশি করলে practical number সম্পুর্ন দিবে, একটু খোঁজ নিলেই দেখিলেন,কি আজব এই শিক্ষকরাই আমাদের সততা শিক্ষা দেয় তারাই আবার দূর্নীতি শিক্ষা দেয় এটা বন্ধ করতে হবেই