আবেদন পত্রে সই
একটি আবেদনে করার জন্য একটি সই লাগতো, আমাকে সই না দিয়ে শুধু ঘুরানো হচ্ছিলো ও হয়রানি করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে টাকা দাবী করলে ও দেয়া হলে কাজটি করে দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি আবেদনে করার জন্য একটি সই লাগতো, আমাকে সই না দিয়ে শুধু ঘুরানো হচ্ছিলো ও হয়রানি করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে টাকা দাবী করলে ও দেয়া হলে কাজটি করে দেয়।
অসুস্থ ছিলাম আবার ঐ সময় আমার ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার রিটেন ছিলো।এজন্য ডাক্তারের পরামর্শে ছুটি + আমার পরীক্ষা ছিলো।এজন্য ছুটি নিতে গেলে ১ হাজার টাকা নিয়ে ১ মাসের ছুটি মঞ্জুর করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ।কিন্তু আমার পরীক্ষার ২ দিন আগে ১ মাসের ছুটি শেষ হয়।কিন্তু পরীক্ষার কারণে সে আর ছুটি দিবে না। টাকা খাওয়ার ধান্দায়। ১ মাসের পুরা বেতন চাইছিলো সে।পরে ৬০০০ টাকা নিছে। ৪৭ তম বিসিএসের ভাইভার জন্য এনওসির জন্য ১০০০০ টাকা চাইছিলো।কয়েকদিন ঘুরাইছে।পরে শিক্ষক নেতাদের দিয়ে বলাইছিলাম আর সবাইকে বলে দিছিলাম।পরে টাকা না দিয়েই কাজটা করে নিয়েছিলাম।
for transfer on deportation, ATO asked money for Approval, he said he needs to manage TO/DPO.
নিয়ম মেনে আমি বিএড সম্পন্ন করি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে, কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমার বিএড ফাইলের জন্য রেজুলেশন করে দিচ্ছেন না। মে ২০২৬ এ রেজাল্ট পাওয়া। রেজুলেশন করে দেওয়ার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করছেন। সামনের মাসে ফাইল পাঠাতে হবে, দাবি মুলতবি আছে।
আমার স্কুল বাড়ি থেকে মোটামুটি বেশ দূরে....দুটি ছোট বাচ্চা নিয়ে দুই তিন বার গাড়ি পরিবর্তন করে যাওয়া অনেক কঠিন ছিল। তার উপর স্বামীর সাথে সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছিল.....সে চাচ্ছিল আমি চাকরি ছেড়ে দেই যাতে সে বাসায় আমাকে নির্যাতন করতে পারে। তার নির্যাতনে ইতোমধ্যে আমার মানসিক সমস্যা হয়েছিল। পরে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলাম..এসব কারণে কাছের স্কুলে আসতে ছেয়েছিলাম। অথচ যৌক্তিক কারণ ছাড়া আমাকে বদলির আদেশ দিচ্ছিল না..শিক্ষা অফিসার ও অফিস সহায়ক নানারকম যুক্তি দেখায়...খারাপ ব্যবহার করত....পরে কলিগরা সবাই পরামর্শ দিচ্ছিল ঘুষ দেয়ার জন্য। শেষে ঘুষ দেয়ার পরে বদলির আদেশ হাতে পেলাম
আমার বাবার কল্যাণ ফান্ডের টাকা পাবার জন্য ৩০০০০/- অগ্রিম প্রদান করতে হয়েছে
ভাইবার সময় নম্বর দেয়ার সময়,,, বোর্ডের লোকেরা,আগে থেকেই ঠিক করে রাখে। চা পানি খাওয়ার জন্য খুশি হয়ে বখশিশ দিলে নম্বর বেশি দিবে,উপরের স্যারের সাথে কথা বলে ভালো নম্বর পাইয়ে দিবে।
অফিস সহকারীকে মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদনের জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
শ্রান্তি ভাতার টাকা পেতে ১৯৭জন শিক্ষকের কাছে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে চাওয়া হয়।বেশির ভাগ টাকা প্রদান করে।
আমার প্রয়াত বাবা ছিলেন প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। উনার ল্যামগ্রান্ডের টাকার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেছিলাম।অফিসের উচ্চমান সহকারী আমার কাছে অগ্রীম ৫০০০ টাকা দাবী করছে। পরে আমি অগ্রীম টাকা না দেওয়ায় কাজটি আজো আটকে আছে।
এমপিও ফাইল ছাড়তে হলে ৮০০০ টাকা দিতে হবে
চাকরির বেতন চালু করার জন্য সবাই মিলে ৫০০ টাকা করে তুলে জমা দেওয়ার পর বেতন চালু করে দিয়েছিলো।
এম পিও ফাইল ডান করা ও বকেয়া বেতন প্রাপ্তি র জন্য ঘুষ। ঘুষ ছাড়া ফাইল ছাড়ে নাই। টাকা দেবার সাথে সাথে ফাইল উপজেলা থেকে জেলাই সেন্ড করেছে।
আমি গভমেন্ট হাইস্কুলের একজন শিক্ষক। লিগালি আমি বদলি পাওয়ার যোগ্য কিন্তু তিনবার অ্যাপ্লিকেশন করেও আমি প্রত্যাখিত হয়েছি। আকার ইঙ্গিতে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে। এই জায়গাটায় টাকা ছাড়া কোন বদলি হয় বলে আমার মনে হয় না।
আমার মেয়ের নাম ভুল করেছিল তেজগাঁও সরকারি স্কুল। তারপর তারা আমাকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাঠাল। আমি সোনালি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে অপেক্ষা করতে থাকি দেড় বছর ধরে। মাঝে বোর্ডে গিয়ে খোজ নিই, তারা বলে, হবে হচ্ছে। একদিন আমার এক চাচা আমার বাসায় আসেন আমার অসুস্থ বাবাকে দেখতে, তাকে জিজ্ঞেস করি আপনার বাসা কোথায়, তিনি জানান, বকশিবাজার। আমি বলি, আমি তো মাঝে মাঝে যাই ওখানে, তিনি বলেন কেন যাও। আমি ঘটনা বলি। তিনি হো হো করে হেসে উঠে বলেন, আরে আমি তো ওখানে বহু বছর থাকি, সব জানি। ওরা তো এখন ডিরেক্ট কাজ করে না। ‘মামা’র মাধ্যমে করে। পরে এক ‘মামা’র সঙ্গে কথা বলে ৮ হাজার টাকায় কাজ সমাধান হয় এবং ১৫ দিনের মধ্যেই মেসেজ আসে।
আমি নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর আমার উপজেলার ক্রিকেট টিমে খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। প্রথম ম্যাচ খেলেছি এবং ভালো পারফরম্যান্সও করেছি, কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে টস হওয়ার পর আমাদের টিমের ম্যানেজার এসে বলেন তুমি খেলতে পারবে না আজকে। ১০০০ টাকা দিলে খেলতে পারবে।
আমার মা একজন সরকারি অবসরপ্রাপ্ত একজন শিক্ষিকা। মায়ের রিটায়ারমেন্ট বেনেফিট এর টাকা তুলতে গেলে কর্মরত অফিসার প্রকাশ্যেই অতিরিক্ত ১০০০০ টাকা আমার মায়ের কাছে দাবি করেন। আমার মা পরবর্তীতে আমাকে তা জানান
আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। উনি ২০২২ সালের মে মাসে অবসরে যান। আবেদন পরবর্তী সুদীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় আমি বিভিন্নভাবে চেষ্টা করি অসুস্থ বাবার টাকাটা পেতে। তখন ২০২৪সালে ঢাকাস্থ পলাশীতে অবস্থিত বেনবেইস ভবনে এক সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান আমার কাছ থেকে নগদ ১ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। এরপরে আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ওই ব্যক্তি আমাকে আর চিনে না বলে জানিয়েছেন। বহুচেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। খুব অসহায় হয়ে পড়ছি
My mother had to pay this money to receive her pension on time. In Bangladesh, many people face delays unless they make unofficial payments. We need to change this system. Pensioners should receive their money on time through a simple, transparent process without bribery or unnecessary administrative complications.
জিপিএফ একাউন্ট এক্টিভেট করার জন্য ঘুস চেয়েছিলেন। না দেয়ার কারণে ২ মাসেও এক্টিভেট হয় নি। তাই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। এই দেশের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেলেই টাকা দিতে হয়। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।