এমপিও
আমি ২৫০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ২৫০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
রাজনৈতিক কারণে চাকরিতে যোগদান করতে পারিনি। যোগদান করার জন্য টাকা চেয়েছিলো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার।
I’m planning to pursue a master’s degree in North America. As part of the admission process, NU had to email my official transcript directly to the university. Unfortunately, I was asked to pay a 7,000 tk bribe for this mandatory service. Having already paid around BDT 270,000 in income tax in FY 2025-26, the experience was deeply frustrating and has left me seriously disillusioned about my future in this country.
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন, চাকরিরত অবস্থায় এবছর মারা যান। তার পেনশনের দাবি করতে গেলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাশিয়ানী বলেন পেনশনে পেতে হলে তাকে টাকা দিতে হবে না হলে সে কাজ করবে না। আমি প্রথমে ঘুষ দিতে সম্মত হই না। পরে এক মাস হয়ে যায় আমার বাবার পেনশনের কাগজ স্বাক্ষর করে না উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। তখন সে আবারও ঘুষ দাবি করে ৫০০০০ টাকা। না দিলে কাজ করবে না। পরে বাধ্য হয়ে তাকে ৩ খাদে ৪০০০০ টাকা দেই এবং পেনশনের কাগজ স্বাক্ষর করে forward করে। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নেন ৮০০০ টাকা ঘুষ এই পেনশনের কাজের জন্য। এরপর পেনশনের কাগজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস গোপালগঞ্জ নিয়ে গেলে, সহকারী মনিটরিং অফিসার (AMO) আমার থেকে ৩০০০০ টাকা ঘুষ নেন পেনশনের কাজ করতে
চাকরি শেষ সেজন্য জিপিএফ এর টাকা লামছা আমের জন্য টাকা এবং রিটায়ার্ডের জন্য টাকা উত্তোলন করার জন্য
এটা একটা আধা-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (আলিয়া মাদ্রাসা)। এখানে দুটি পদে নিয়োগ দেয়া হবে- ১.অফিস সহকারী ২.দপ্তর সহকারী ১ নাম্বার পদে ৮ জন প্রার্থী এবং ২ নাম্বারে ৪ জন। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে।এখন দামাদামি চলছে কে কত টাকা দিতে পারবে, শুনেছি ১১-১২ লাখ টাকা সর্বোচ্চ উঠেছে এবং এই ডিলটা হচ্ছে স্থানীয় বিএনপি এর নেতাদের সঙ্গে। এইটা হইলো দেশের অবস্থা ১০-১৫ হাজার টাকার চাকরির জন্য ১০-১২ লাখ টাকা উঠেছে, আর এখানে অনেকে চাকরি করতে আগ্রহী ও বটে কারণ শুধু যেয়ে হাজিরা টা দিয়ে আসলেই হয়ে যায়,এক কথায় বাড়ি বসে বসে টাকা
সেবাটির জন্য ফোনে অর্থ চাওয়া হয়েছিলো বদলির জন্য।
গত ২০/৭/২৬ আমি আমার Ssc exam এর সার্টিফিকেট এ বাবার নাম মায়ের নামের ভুল সংশোধনের জন্য মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডে যাওয়া হয় আবার স্কুল রেফার করে তাদের কাছে তো সেখানে কর্মকর্তাগণ আমাকে এটা আশ্বস্ত করেন মাত্র চার দিনের মধ্যে এটা সংশোধন সম্ভব যদি বড় স্যারকে আর খুশি করতে পারি অর্থাৎ মিষ্টি খাওয়া বাবদ ১০০০০ হাজার টাকা দাবি করে।
আমি অনলাইনে এসএসসি মার্কশিটের জন্য আবেদন করছিলাম, কিন্তু ৪-৬ সপ্তাহ পরেও কোনো সাড়া পাইনি। ফাইলটি ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। এরপর বোর্ডের একজন কর্মচারী, যিনি মূলত অনুমোদন দিতেন এবং আমার সার্টিফিকেট ছাপানোর কথা ছিল, তিনি আমাকে ২ দিন অপেক্ষা করিয়ে একজন পিয়নের কাছ থেকে টাকা নেন।
ডি ডি ঘুস নেয়। আগে টাকা পরে কাজ। ডিজি সাথে সরাসরি কথা বলে
৪-৫ ঘন্টা লেট করার পর স্বাক্ষর দিয়েছিল। যখন তারা পুরোপুরি নিশ্চিত হল যে আমি কোন ঘুষ দিতে রাজি না । তবে আমার পুরো একটা দিন চলে গেছিল।
আমি একটি কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্য। পরীক্ষা শুরুর আগে খাতা আনতে গেলে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড এর কর্মচারীরা বিভিন্ন যায়গায় ৩০০০ টাকা নেয়। এরপর মোট পাঁচ বার লিখিত উত্তরপত্র জমা দিতে গেলে একেকবার ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা ঘুষ নেয়। আজ ২৭,৮,২৬ ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতা ও নম্বরপত্র জমা দিতে গেলে ২ টেবিলে ২৫০০ টাকা নেয়। আর বস্তা তুলতে কর্মচারীরা ৫০০ নেয়। এটা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নিয়মিত দৃশ্য। এখানে টাকা ছাড়া কেউ কথাও বলে না।
আমার বাড়ি থেকে আমার কর্মস্থল অনেক দূরে ছিলো। আমি বদলির জন্য অধিদপ্তর আর মন্ত্রনালয় অনেক ঘুরাঘুরি করেছি। কিন্তু, কোনো কাজ হয়নি। পরবর্তীতে ২ লক্ষ টাকা ঘুষের মাধ্যমে বদলি হতে পেরেছিলাম। টাকাটা জোগাড় করতে আমার ব্যাংক লোন করা লেগেছিল, যার ঘানি এখনো টানছি
পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে প্রথমে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস পরে গোলাপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস দুই অফিস মিলিয়ে ৫ লক্ষ দিতে হয়েছে
আমি সার্টিফিকেট নাম সংশোধন করতে যাই পরে তারা অর্থ দাবি করে ঐখানকার কিছু চক্র মহলের লোক
অনার্স ফরম ফিলাপ করার সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট থেকে আনুমানিক সাড়ে ছয় হাজার টাকা নেয়া হয়,, উক্ত ফরম ফিলাপে লেখা থাকে এ টাকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় , পরীক্ষার কেন্দ্র ও আমাদের কলেজে বন্টন করা হয়,, তবুও নতুন শিক্ষাবর্ষে উত্তীর্ণ সময় এ টাকার বাহিরেও আরো ২৫০০ টাকা আদায় করা হয়,, আবার কলেজের অফিস সহায়ক ৫০০ টাকা অতিরিক্ত নেয়,, তিনি বলেন এটা নাকি হিসেবে লেখা নেই কিন্তু আদিকাল থেকে সবাই দেয় এজন্য নেয় । এটা শিক্ষক অফিস সহায়ক ভাগ করে নেন। এভাবে অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা 💸💰 এক সেশন থেকে আদায় করে।তাহলে প্রতিবছর ৫০০০০০/-🤬 টাকা ঘুষ আদায় করে,, এটা শুধু আমার ডিপার্টমেন্টের হিসাব,, লালমনিরহাট সরকারি কলেজ আরো দশটি ডিপার্টমেন্ট আছে,, তাহলে কলেজে এক কোটি টাকার ওপরে ঘুষ উঠায়,,
বিএড ফাইল সেন্ট করার জন্য টাকা নিয়েছে। 1000 করে ২ জন 2000 দেয়া হয়েছে।
একটা সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন এবং ভাষা রূপান্তর করতে দেওয়া হয়েছিল রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড কিন্তু এক বছর পার হলেও তারা কোন গতি ছিল না পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা ঘুষ খেতে চাই। এরপর আরো চার মাস অপেক্ষা করা হয় পরে আর কোন উপায় না দেখে ২৫০০ টাকায় দশরফা হয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের এমন কোন সেকশন নাই যেখানে ঘুষ চলে না।
উপপরিচালকের কার্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে আমার মাতৃত্বকালীন ভূতাপেক্ষ ছুটি মঞ্জুরের জন্য প্রেরণ করেছিলাম।আবেদন পাঠাতে দেরী হওয়ার তারা বলে ()এখন মঞ্জুর হবেনা। আপনাকে এবং আপনার প্রধানশিক্ষকে শোকজ করা হবে।পরে আমি রিকুয়েষ্ট করলে আমার কাছে ৫ হাজার টাকা দাবী করে। আমি ৪ হাজার দিলে শেষে মঞ্জুর করে।
বদলির জন্য দূরত্ব সার্টিফিকেট যাচাইয়ের সময় ঘুষ দাবি।