বেতন করানো ও বকেয়া টাকা
জেলা শিক্ষা অফিস ফাইল আটকে রেখে টাকা দাবি করে
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জেলা শিক্ষা অফিস ফাইল আটকে রেখে টাকা দাবি করে
সরিষাবাড়ী এর একটি সনামধন্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমার সার্টিফিকেট এর নাম পরিবর্তন এর আবেদন করি তারপর ৫০০ টাকা দিতে হয় । বোর্ড থেকে ঠিক করে এনে দিবে বলে ৭০০০ টাকা দাবি করে ।
আমাকে ৫ থেকে ১০ বছর লেখাপড়া শেষ করে যদি টাকা দিয়ে সাট্রিফেকেট আনতে হয় , তাহলে এইটা কতটা যৌক্তিক? টাকার পরিমাণ ও সামান্য নয় । ১৫০০,২০০০ টাকা পর্যন্ত দাবী করে। আমার কাছে চাওয়া হয়েছে ১৫০০ টাকা।মনিরুজ্জামান খান বিএম কলেজ, ভূয়াপূর, টাংগাইল, ঢাকা ।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শাখা ০৪ এর — বদলি হতে টাকা চাই।
৩ বার এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করি কিন্তু বার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করে দেয়। পরে অফিসে যোগাযোগ করলে,ডিডি অফিসের প্রোগ্রামার — 50 হাজার টাকা দাবি করে,আমি 30 হাজার টাকা দিয়ে আসি। তারপর ও কাজ হয়নি।
গফরগাঁও শিক্ষা অফিসের কার্যালয়ে পেনশন এর টাকা উত্তলন করতে সব টেবিলে টাকা দিতে হয়। আমার দেওয়া পরিমান ছিল ৪ লক্ষ টাকা। এখনো টাকা দিয়ে পেনশন উত্তোলন করতে হয়।
প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষকদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অবেদন করতে গেলে শিক্ষা অফিসে কর্মরত থাকা এটিইও দের টাকা দিতে হয়। না হলে শিক্ষকদের আবেদন গ্রহণ করে না এবং হয়রানির শিকার হতে হয়। এটিইও রা সরাসরি টাকা হাতে না নিয়ে অফিসে কর্মরত থাকা কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগ করতে বলে এবং তাদের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেন করে। এটিইও দের ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গেছে।
‘ক’ মডেল টাউন স্কুল এন্ড কলেজ, পল্লিবিদ্যুৎ, সাভার, ঢাকা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রসংশাপত্র এর জন্য ৫০০ টাকা, সার্টিফিকেট ৫০০ টাকা, মার্কশিট ৫০০ টাকা অবৈধ ভাবে নেয়া হয় । অফিস ম্যানেজার থেকে শুরু করে প্রিন্সিপাল, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এই অবৈধ কাজের সমর্থন করে।
চট্টগ্রাম কলেজে লাইব্রেরী কার্ড তুলতে গেলে, আমার থেকে ২০ টাকা নেয়া হয়। পরবর্তীতে জানতে পারি অন্যায়ভাবে আমার মত অনেকের থেকে এই টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকার পরিমান কম ও ঘুষ না বলা গেলেও, এটি অন্যায়।
আমার স্ত্রীর সার্টিফিকেটে ওনার পিতার নাম ভূল এসেছিল তা সংশোধনের জন্য আমি ও স্ত্রী সহ অফিসে যাই। অনলাইনে আবেদন করার পর মূল কাগজ জমা দিতে গেলে অফিসিয়াল নীতি ভেংগে 7 দিনে কাজ করে দিতে চায়। সেজন্য 4000 টাকা দাবি করে পরে আমি প্রত্যাখান করি । 3 মাসের কাজ 7 মাস ঝুলিয়ে রেখেছিল। বয়স ও নাম সংশোধন বিভাগ দিনাজপুর বোর্ড।
কাজ শেষ করে টিইও অফিস থেকে কাজের প্রত্যয়ন ও চেক নিতে হয়। প্রত্যয়ন ও চেক নিতে টিইও বলেন ১০০০০/- দশ হাজার টাকা দিতে হবে অডিট আসলে আমাদের খরচ হয়।
NTRCA এর মাধ্যমে সুপারিশকৃত শিক্ষকের নিউ এমপিও করার জন্য প্রতিষ্ঠান আমার থেকে ১০০০০৳ অনৈতিক অর্থ দাবি করে।অনিচ্ছা সত্ত্বেও টাকা দিতে হয়েছিল।
এসএসসি পরীক্ষায় আমার ছোট বোনের সবগুলোই এ প্লাস আসছিল কিন্তু আইসিটি সাবজেক্টে তার ফেল আসছিল কিন্তু রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে আমি যোগাযোগ করেছিলাম এক কেরানির সাথে সে বলেছিল যে এটা মনে হয় ভুলবশত আসছে তবে আপনি যদি আমাকে 50000 টাকা দেন আমি এটাকে প্লাস করে রেজাল্ট বানিয়ে দিব আমি বলেছিলাম যে বোর্ড চ্যালেঞ্জ করেছি এটা কি খাতা নতুন করে দেখবেনা...? সে বলল যে বোর্ড চ্যালেঞ্জার জাস্ট নমুনা লক্ষ লক্ষ বোর্ড চ্যালেঞ্জ করে এত খাতা দেখা কি সম্ভব এটা কোন সময় এত খাতা দেখে না জাস্ট দুই একটা স্কুলের খাতায় বের করে গণমাধ্যম ভিডিও করে বলে যে সব খাতা দেখা হয়েছে কিন্তু আসলেই ওইভাবে এত খাতা দেখা হয় না পরে ওর কথা মতো আমাদের কোন রেজাল্ট আসে নাই ফেল আসছে
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে আপনি দেখবেন যে পরিমাণ ঘুস লেনদেন হয় অবাক হয়ে যাবেন।
সহকারী প্রাইমারী শিক্ষক, লিখিত পরীক্ষা পাশ করার পর ভাইভার আগে চাওয়া হয়েছে। দেইনি।চাকরি ও হয় নি।
স্হায়ী করনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও অফিস সহায়ক
আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিছেলাম সকুল ডকুমেন্টস নিয়ে অন্য মন্ত্রনালয়ে ভাইভা পরীক্ষার অনাপত্তিপত্র এর জন্য। আমাকে ১০০০ টাকা চাইলো, আমি বললাম স্যার এত পারবো না, আমার কাছে এত টাকা নেই। আপনি ৫০০ টাকা রাখুন। কিছু দিন যখন ডকুমেন্টস আনতে গেলাম, তখন আমাকে আসার সময় ডাক দিয়ে আবার ৫০০ টাকা নিলো।। আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি....
ঝিনাইদহ জেলায় অবস্থিত গান্না ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত কুটি দুর্গাপুর মাদ্রাসায় ল্যাব সহকারি পদে নিয়োগের জন্য আমি আবেদন করেছিলাম। পরবর্তীতে আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। বলা হয় ১০ লক্ষ টাকা দিলে কোন প্রকার পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না সরাসরি নিয়োগ হয়ে যাবে। ১০, ১২ হাজার টাকা বেতনের একটা চাকরির জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ । আমি সাথে সাথে প্রত্যাখ্যান করি।
সার্টিফিকেটে নাম ভুল ঠিক করার জন্য তারা মিষ্টি খাওয়ার নামে টাকা দাবি করে। এছাড়া কোনো উপায় ছিলোনা
প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষকদের ১৭ জনের এরিয়া বেতন বিল পাশ করতে জন প্রতি ১৬০০০ টাকা হিসেবে ১৭ জনে ২৭০০০০ টাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও ট্রেজারি কে দিতে হয়।