বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর সরাকারি চাকুরি
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে আপনি দেখবেন যে পরিমাণ ঘুস লেনদেন হয় অবাক হয়ে যাবেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে আপনি দেখবেন যে পরিমাণ ঘুস লেনদেন হয় অবাক হয়ে যাবেন।
সার্টিফিকেট নাম সংশোধন এর জন্য জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে ২ বছর হতে চললো। কিন্তু এখোনো তা সমাধান করেনি মধ্যমিক স্কুলে পরিদর্শন করে যাওয়ার পরেও সব ঠিক থাকা সাপেক্ষেও আমার ফাইলটার সমাধান না হওয়ায় জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো শিক্ষা অফিস ৫০০০০/- টাকা দাবি করে। এক্ষত্রে করণীয় কি?
অফিস সহকারি এবং উচ্চমান সহকারি সরাসরি টাকা দাবি করে ৯০০০ টাকা, টাকা না দিলে ওরা ফাইলের কোন কাজে হাত দিতে চাই না আর বলে আপনি নিজে নিজেই কাজ করে নেন পরে বাধ্য হয়ে আমার শ্বশুরের পিআরএল কাজের জন্য দিতে হয়েছে ৭৫০০ আর অবসরের কাজের জন্য দিতে হয়েছে ১১০০০টাকা।শুধু তাইনা যেকোন কাজ করতে হলে নূন্যতম ১০০ টাকা হলেও ওদেরকে টাকা দিতে হয় নতুবা কাজ করে দেয়না।
Academic supervisor came to surprise visit. His assistant claimed Tk. 5000 for keeping good connection. After bargaining has been paid 3000 Tk.
আমার পিএসসি সার্টিফিকেটে মায়ের নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম, সেটা সংশোধনের জন্য কোনো টাকা লাগে নাহ। কিন্তু ওরা আমার কাছে ৪০০৳ দাবি করে, এবং সেই টাকা নিয়ে ৩ মাস পর সংশোধন করে দেয় । আমরা চাই আমাদের দেশ এই ঘুষ মুক্ত হোক। গড়ে উঠুক সকলের মাঝে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক।
লালবাগ থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে স্কুল থেকে পাঠানো যে কোনো এম পি ও ফাইলের অনুমোদন এর জন্য , অর্থাৎ থানা থেকে জেলা অফিসে ফাইল ট্র্যান্সফারের জন্য ফাইল প্রতি মিনিমাম ২০০০ টাকা না পেলে উনি ফাইল এপ্রুভ করেন না। নানা রকম টালবাহানা করে। ক্ষেত্রবিশেষ এ আরও বেশি দাবী করেন।
ভুল গুলো কারেকশন করার জন্য দিতে হয়েছিলো। এর আগে কয়েকবার মেনুয়ালি চেষ্টা করেছি, কিন্তু হয়নি। পরে টাকা দিয়ে করিয়েছিলাম।
নিয়োগ বানিজ্যঃ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ন নিজেদের মত নিয়োগ দেওয়া হলো: ১. প্রশ্ন তারা নিজেরাই করলো, এবং আগে থেকে প্রশ্ন দিয়ে দিলো, কারণ BSC লেভেল এর প্রশ্ন কি ভাবে Diploma করা ব্যক্তি পারে। ২. একই ফ্যামিলির ২ ভাই, বড় ভাই JPO, ছোট ভাই ট্রেইনার পদে জব দেওয়া হলো। ৩. অযোগ্য লোক স্কিল সেক্টর এ ডুকে দেশটা শেষ করে দিলো
কারেকশন এর জন্য দিতে হয়, ম্যানুয়ালি কয়েকবার চেষ্টা করছি।
আমার ৩জন এমপিও ফাইল অধিদপ্তরের জমা দিয়েছিলাম। ৭দিনপর কল দিয়ে টাকা দাবি করে। একে একে ৩জনকে কল দেয়। আমার কলিগ ৫হাজার টাকায় দিতে রাজি হয় কিন্তু আমাকে কল দিলে প্রচুর গালাগালি করি এবং বলি ফাইল ড্রেনে ফেলে দিতে। পরে কল দিয়ে সরি বলে এবং বিষয়টি কাউকে না বলতে নিষেধ করে। যদিও অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি। অবশেষে, ২জনের এমপিও হয়ে যায় কিন্তু ১জনের ফাইল আটকিয়ে প্রায় ৩০হাজার(আনুমানিক) টাকা ঘুষের মাধ্যমে এমপিও দিয়েছে। এটা শিক্ষাখাতের জন্য চরম আপত্তিকর ঘটনা। যা প্রতিনিয়ত ঘটছে।
উপজেলা মাধ্যমিক এ্কাডেমিক সুপারভাইজার ভিজিটে আসেন। তার সহকারী ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। না দিলে সরকারি বই পেতে অসু্বিধা হবে হবে। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও ৪০০০ টাকা ঘুষ দেয়া হয়।
এমপিওভুক্তি আবেদনে উপজেলা থেকে ফাইল ফরওয়ার্ড করতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সরাসরি ৩ হাজার টাকা দাবি করেন। এবং টাকা দেওয়ার আগ পর্যন্ত ফাইল আটকিয়ে রাখেন। এছাড়াও বকেয়া বেতন , বিএড স্কেল সংক্রান্ত কাজেও ২০০০ এর নিচে একটাকায়ও ফাইল ছাড়বেন না বলেও ঘোষণা দেন। আমি ছাড়াও শত শত শিক্ষক থেকে ফাইল আটকিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ একজন কম্পিউটার অপারেটর থেকে বর্তমানে সহকারী শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার) দূর্নীতি করছে তা অকল্পনীয় । ইউনও মহোদয় অনেক স্ট্রিক কিন্তু আজ উনাত চোখের সামনে এমন করছে যা উনার স্ট্রিকনেসকে উনি নিজেই হাসির পাত্র বানিয়ে ফেলছেন।
তেজগাঁও মডেল হাইস্কুলের 2018 সালের ম্যনেজিং কমিটির সদস্য —, আমাকে চাকরি ফেরত দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে 200000 টাকা ঘুষ নিয়েছে। অবশ্য আমাকে চাকুরি ফেরৎ দিয়েছিল। পরবর্তীতে আমার টাইমস্কেল অনুমোদনের জন্য আমার কাছ থেকে 100000 টাকা ঘুষ নিয়েছে এবং 40000 টাকা মূল্যের একটি কম্পিউটার ঘুষ নিয়েছে। আমি তা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমি তেজগাঁও মডেল হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক ছিলাম। পরবর্তীতে তাদের অত্যাচারে চাকরি ফেলে রেখে চলে আসতে বাধ্য হই।
ঘাগড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী । ২০২০ সালের ঘটনা । জেএসসি ও এসএসসি সার্টিফিকেট আনতে গেলে স্কুল প্রধান আমার কাছে 1000 টাকা দাবি করে পরে আমি 500 টাকা দিয়েছিলাম।
আমি প্রথমে দপ্তরি চাকরির জন্য আবেদন করি। তারপরে তারা আমার কাছে সাড়ে তিন লাখ টাকা চায় । আমি দিতে অস্বীকার করি কারন আমি ঘুষ দিয়ে কোন চাকরি নিব না।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩ সালে আমার চাচতো বোন ১৫০০০০০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি চাকরি নিয়েছে। শিক্ষা অধিদপ্তরের ভেতরের কোন কর্মচারীর সাথে এ লেনদেন হয়েছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে।সকল কাজ করে দেন গোসাইরহাট উপজেলা নাগেরপাড়া ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক (......নাম....)তার মাধ্যমে। তিনি মূল হোতা। এই নিয়োগে আমার ইউনিয়নে অর্থের বিনিময়ে আরো কয়েকজনের চাকরি হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫। আমার চাচাতো বোনের ছেলের ১৫০০০০০টাকার বিনিময়ে চাকরি হয় ।
আমার নাম্বার ইমপ্রুভমেন্টের সার্টিফিকেট এর জন্য বোর্ডে যাওয়া লেগেছিল , ইমপ্রুভমেন্ট সার্টিফিকেট তোলার আগে আমার পূর্বে সার্টিফিকেট তোলার জন্য আমার কলেজে একবার বকশিশ দিতে হয়েছে এবং পরবর্তীতে শিক্ষা বোর্ডে যেও সেখানে আমাকে বকিস দিতে হয়েছে , ১০০ টাকা । তাদের দাবি আরো বেশি ছিল কিন্তু আমি অনেক কিছু বলে তাদেরকে কনফারেন্স করে ১০০ টাকা দিয়েছি । এছাড়া আমি সেখান থেকে আসার সময় শিক্ষকদের সাথে একই পরিবহনে উপস্থিত ছিলাম । তাদের শিক্ষকদের কথোপকথনের বুঝলাম তাদের পদোন্নতি এবং ট্রান্সফারের জন্য শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন অফিসারের কাছে টাকা দিতে হয় , মানে তাদের খুশি করতে হয় । একটি শিক্ষা বোর্ডে যদি এরকম হয় তাহলে ছাত্রছাত্রীরা শিখবে কি ।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে আসলে টাকা দিতে হয়। আমার এখানে সরাসরি চাওয়া হয়। কোন ফাইল (যেমন : এমপিও আবেদন কিংবা বকেয়া বিল প্রাপ্তির আবেদন) ফরোয়ার্ড করাতে টাকা ছাড়া উপায় নেই। দেখা না করলে কল করে। বিদ্যালয়গুলোর ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নেয়।
govt officer under the table
চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পেনশনের ফাইলে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন শিক্ষক নেতার মাধ্যরম। আমার কাছে প্রথমে ২০ হাজার দাবি করলে পরে ৮ হাজার টাকায় দফা হয়। আমি টাকা পরিশোধ করেছি। কিন্তু আমার কাজটি এখনও শেষ হয়নি।