শিক্ষকদের পদোন্নতি
টাকা না দিলে শিক্ষকদের পদোন্নতির ফাইল ঢাকা মাদ্রাসা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে না। তাই ১৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। বাউফল শিক্ষা অফিস
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে শিক্ষকদের পদোন্নতির ফাইল ঢাকা মাদ্রাসা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে না। তাই ১৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। বাউফল শিক্ষা অফিস
I was very close to getting into a government medical college but unfortunately missed the opportunity. I then applied for a government-quota seat at a private medical college and ranked 1st on the merit list. Despite this, they asked me to pay BDT 12 lakh, even though the official fee was only around BDT 10,000. When I questioned them, they said the person responsible for selecting students was demanding the money and that other students were paying even more for the same seat
ট্রান্সক্রিপ্ট ইস্যু করতে অতিরিক্ত টালা আদায়।
Madrasha Teacher der New MPO korte extra 7000 taka dete hoise principal ke, tar dabi 7000tk Education Officer chaisen. Na dele MPO hobe na.
পাশ করার পর সার্টিফিকেট নিতে গেলে, প্রতি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রতি ৫০০-১০০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়ে থাকে যে সার্টিফিকেট প্রদান করে।
এসব কাজের জন্য কিছু মিষ্টি খাওয়ার টাকা দেওয়া লাগে
২০২৩ সালে শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন ভাতা টাকা পাওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস ঘুষ নিয়েছে।
নাম পরিবর্তন করার জন্য
To approved MPO Teacher B.ed Scale file firstly i pay 1500 taka upazila Shikkha office Bagharpara Jashore, Secondly pay 2000 taka Zela Shikkha office Jashore, Finally Pay 2000 taka Divisional Shikkha office Khulna.
আমার প্রথম চাকুরি ছিল। অনেক দিন ধরে বেতন আটকে রেখেছিল। তারপর বেতন ভাতাদি চালু করার জন্য ঝালকাঠি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের হিসাব রক্ষক যিনি — নামে পরিচিত। অফিস সহকারী — এবং তৎকালীন টিও — যিনি বর্তমানে বাইনারি পাড়া আছেন। এছাড়া বর্তমান অফিস সহকারী — যার প্যান্টের পকেট টাকা রাখার জন্য পা পর্যন্ত তিনিও ঘুষের সাথে জড়িত।
চাকরি এমপিও করতে ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক তাই ঘুষ না দিয়ে বেতন পাওয়া যাচ্ছিল না তাই ঘুষ দিতে হইল।
শিক্ষকরা যখন নিয়োগ পান তারপর তাদের বেতন ও উচ্চতর স্কেল বা বিভিন্ন ধরনের কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ফাইল মাউশি/মাদ্রাসা অধিদপ্তরে পাঠাতে হয়। ফাইল বুঝে প্রত্যেকটি থেকে কমপক্ষে ২০০০ থেকে কাজের ধরন অনুযায়ী টাকা বাড়তে থাকা। এটা উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার ও সুপার ভাইজারদের একটা বিশাল সিন্ডিকেট।
প্রাথমিকের পাঠদান অনুমতির ফাইল জমা দিতেই ২০,০০০ ঘুষ দিতে হবে। অনলাইনে ফাইল জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বলা হয়েছে অফিসে সরাসরি ফাইল জমা দিতে। অফিসে ফাইল জমা দিতে গেলে ঘুষ দিতে হয়।
আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি ৫ বছর অন্তর মিনিস্ট্রি অডিট হয়। প্রত্যেককেই প্রতিবারই ১ মাসের বেতন দিয়ে দিতে হয়। প্রতিষ্ঠান প্রধানকে হয়ত দিতে হয় না। প্রধানের হাত দিয়েই এই ঘুস দিতে হয়।
প্রথমেই বলি আপনারা শিক্ষা অফিস রাখছেন বাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাখেন নাই। কিন্তু বাংলাদেশ এ ঘুষ প্রথমে শেখা ও শেখানোই হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ আমি নোয়াখালীর সবচেয়ে সুনামধন্য কলেজ এর শিক্ষার্থী। আমার অনার্স জীবনের ৪ বছরে আপনি কাগজপত্র জমা দিবেন! চা নাস্তার খরচ। কাগজপত্র তুলবেন! চা নাস্তার খরচ। ফর্মফিলাপ, প্রাক্টিকাল, সার্টিফিকেট তোলা এসবের সময় ওপেন কেরানি চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে(৫০০৳) করে চা নাস্তার খরচ তোলে। এবার ডিপার্টমেন্ট থেকে বের হয়ে একাডেমিক ভবন এর কাজে যাবেন! ওখানের গাছের পাতাও চা নাস্তার খরচ ছাড়া নড়েনা। নয়তো লাঞ্চের পরে আসেন। এসব নিয়ে ডিপার্টমেন্ট হেড বা স্যার, ম্যামদের বিচার দিবেন! তারাই এর ভাগ বাটোয়ারা কারী। প্রিন্সিপালকে বিচার দিবেন! আপনারকি মিয়া ওই ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে বের হওয়া.
Farants name ar age thiek korte Dhaka education abroad ar ak officer 2500 taka gush dabi kore
Although he was the top candidate, the VC and his syndicate requested a payment of $15,000 to issue the appointment letter in 2023. The payment has not been made, and the appointment has yet to be received. The position remains unfilled to this day! His associate, Mr. S, has brought in numerous relatives for recruitment. There is no one to challenge this situation. Seleucus!!
শরিয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষক অজিত বাসার ট্রেনিং সেন্টার থেকে কমিশন নিয়ে ছাত্র ছাত্রী দের ট্রেনিং সেন্টার এ ট্রেনিং করতে বাধ্য করে যেখানে ছাত্র ছাত্রী ফ্রিতে ট্রেনিং করতে পারে ইন্ড্রিষ্টিতে অনেক অস্বচ্ছল পরিবার আছে যারা টাকা দেওয়ার সমার্থ নেই
উপজেলার সুবিদখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে আসার জন্য অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর — ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। কিন্তু এত টাকা দেবার যৌক্তিকতা ছিলো না। তাই দিই না।
সহকারী শিক্ষক হিসেবে ঢাকা জেলা শিক্ষা অফিস এ চাকরি ছাড়ার রিজাইন লেটার এ সাক্ষর নেয়ার জন্য হয়রানি,,গিয়ে আমার আবেদন পত্র ফালায় রেখেছিল..পরে টাকা দিয়ে চাকরি ছাড়তে হয়.. এছাড়া এক মাস আগে আবেদন পত্র দেয়ার পর ও আমাকে এক মাস এর বেসিক জমা দিতে হয়েছে