কমিটি গঠন ও নবায়ন করা জন্য।
সব কিছু কাগজপত্র জমা দেয়ার পর ও কমিটি গঠন ও নবায়ন করা জন্য দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সব কিছু কাগজপত্র জমা দেয়ার পর ও কমিটি গঠন ও নবায়ন করা জন্য দিতে হয়েছে।
বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনের অনুমতি নিতে ।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৫ম শ্রেণি থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উর্ত্তীণ ৩৬ জন শিক্ষার্থীদের কাছে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্রের জন্য ২০০ টাকা করে দাবি করে। টাকা না দিলে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্র দিবে না। আমি বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দিয়ে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করি। এছাড়া ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে যারা ভর্তি হয়েছে তাদের কাছ থেকে গড়ে ১০০ টাকা ভর্তি ফি নিয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে প্রধান শিক্ষক আনুমানিক ৬০০০ টাকার বেশি ঘুষ নিয়েছে।
আমার একটি নাম সংশোধন করার জন্য শুধু একটা স্বাক্ষর করবেন তাতেই ২০০০ টাকা চেয়েছেন..
যেকোন এমপিও ফাইল রেকোমেন্ডেড করার জন্য টাকা লাগবে।।শুধু আমি একা না,,, উনি জয়েন করার পর উপজেলা শিক্ষা অফিসে এই ব্যবসা শুরু হয়েছে।।। ওনার রেট নির্দিষ্ট না।।এর আগে উনি কয়েক জায়গা থেকে বিতারিত হয়েছে।। উনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার,,,সদর চাঁপাইনবাবগঞ্জ।।
Borleka Upojela marito sutir jonno abedon joma dite taka disi 5000 aroyo onek bar jokhon kunu kajer jonno gesi taka dite hoise na dile kaj hoina
এমপিওভুক্তকরণের জন্য দাবি করেছিল এবং আমি পরিশোধ করেছি।
দাবি করেছিল, আমি পরিশোধ করেছি।
আমরা ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ জন ভুক্তভোগী শিক্ষক। বাড়ি থেকে অনেক দূরের স্কুলে ntrca এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ায় ব্যাপকভাবে হয়রানির শিকার হয়ে এসেছি। একপ্রকার আতঙ্কিত করে নানান ভয়ভীতি দেখিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের সিন্ডিকেট সদস্য যে নিজেই একজন শিক্ষক নাম —, টেকনাফে একটা স্কুলে চাকরি করে সে আমাদের কাছ থেকে এক লাখ আশি হাজার টাকা নেয়। শুনেছি তার মাধ্যম ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে ফাইল ফরওয়ার্ডিং এর কাজ সফল হয়। নিজের স্কুল, উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস সবজায়গার সিন্ডিকেট। আমার জানামতে আমরা ১২ জনে, জনপ্রতি এককালীন প্রতিজনে ১৫ হাজার টাকা করে দিলেও ভিতরে ভিতরে আরও টাকা নিয়েছেন সেই শিক্ষক। আমরা নিরুপায় ছিলাম। এই সিস্টেমের প্রতিকার চাই।
সহকারী শিক্ষকে(ইংরেজি) এর এমপিও করার জন্য আবেদন করেছিলাম। ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় ফাইল রিজেক্ট হয়। যোগদানের ৬ মাস পার হলেও এমপিও হয় নি।আমার কর্মস্থলের শিক্ষকদের অধিকাংশই বলেছিলো শরীয়তপুরে ঘুষ ছাড়া বেতন হয় না। পরে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার সার্টিফিকেটে বাবার নাম ভুল ছিলো, নামের টাইটেলে ভুল, আমাদের এলাকার আশেপাশে কিছু অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা আছে যার ফলে এইখানে NID করার জন্য বাবা, মা এর NID সহ আরো কিছু কাগজ জমা দিতে হয়, যার ফলে আমার NID আর সার্টিফিকেটে বাবার নাম ভিন্ন হয়ে গেছে। দুইরকম নাম থাকলে ভবিষ্যতে চাকরি/বিদেশে পড়াশুনায় সমস্যা হতে পারে,তাই ভাবলাম বাবার নাম সংশোধন করবো। যেহেতু সমস্যা PSC থেকেই তাই PSC থেকেই সব সংশোধনের করা লাগবে, তাই উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেলাম। উনারা বললো যে এইটা অনেক লম্বা প্রসেস, অনেক ভেজাল করতে হবে আর একটা নতুন সার্টিফিকেট আনাইতে হবে, আর এখন যেহেতু PSC বন্ধ তাই সরকার ওই সার্টিফিকেট ছাপানো বন্ধ করে দিছে তাই স্পেশাল লবিং করে সার্টিফিকেট আনানো লাগবে আর এই লবিং এর জন্য ৫০০০ টাকা দিতে হবে।
আমি যাই পরে বলে টাকা লাগবে। আর কি এখন দেখি কি করা যায়।
MPO আবেদনের সময় তা অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রদানের মাধ্যমে মাউশি আঞ্চলিক অফিসের ডিরেক্টর বা ডেপুটি ডিরেক্টর এর জন্য ঘুষ প্রদান করতে হয়৷
আমার একাডেমিক সার্টিফিকেটে পিতা-মাতার নাম ভুল থাকায় শিক্ষা বোর্ডে যাই।ভুল সংশোধনের জন্য সরকারি নিয়ম কারণ অনুযায়ী আবেদন করে আসি, বিভিন্ন মিটিং ও কাগজপত্র যথাসময়ে জমা দেওয়ার পরেও ভুল আসে।পরবর্তীতে ব্যাঙ্ক ড্রাফটের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে পুনরায় আবেদন করে আসি।ফলাফল আবারও সেম।এইভাবে নিজে নিজে তিনবার চেষ্টা করি। তিনবারই সরকারি খরচের মাধ্যমে আমি সকল নিয়মকানুন মেনে ও কাগজপত্র জমা দিয়ে আসি ও মিটিংয়ে উপস্থিত হই।পরবর্তীতে সেখানকার এক কর্মচারীকে বিষয়টি শেয়ার করলে তিনি টাকা দাবি করে ও আশ্বাস দেয় আপনার আর আসা লাগবে না কাজ হয়ে গেলে আমরাই ডাকবো। পরবর্তীতে আমি কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিতে রাজি হয় এবং এক মাসের মধ্যে আমার কাগজটি সংশোধন হয়ে যায়।
ঢাবি অধিভুক্ত কলেজের ফাইনাল পরীক্ষায় শিক্ষকদের খাতামূল্যায়ন ও মৌখিক পরীক্ষার বিল উত্তোলন একটা ভোগান্তি ছাড়া কিছুনা। এছাড়াও ফলাফল জমাদানের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট লোকদের একটা ফিক্সড এমাউন্ট প্রদান করতে বাধ্য থাকে কলেজ গুলো। এখানে বিল বুঝে ৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। যার বিলের পরিমাণ কম তার কম দিতে হয় আর বিলের পরিমাণ বেশি হলে বেশি দিতে হয়। সরাসরি তারা আপনার কাছে টাকা না চেয়ে ঘুরিইয়ে চাইবে, চেক সেকশনে গেলে বলবে যে সিস্টেম তো জানা আছে। টাকা গুঁজে দিলে বিল পাস হয়ে চেক চলে আসে। না দিলে আপনাকে ঘুরাবে, বলবে আজকে স্যার নাই, পরে আসেন, সময় লাগবে। এই বিল তুলতে এক দের মাস থেকে কখনো ৩ মাস পর্যন্ত সময় লাগে। তবে নির্দিষ্ট কোন টেবিলে টাকা খরচ করলে আগেই বিল পাওয়া সম্ভব।
প্রস্তাবিত কমিটির প্রস্তুতকৃত কাগজ পত্রাদি শিক্ষা বোর্ড রাজশাহীতে দাখিলের সময় বোর্ডের বিদ্যালয় শাখার ক্লার্ক অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, নাদিলে সেই ফাইল সহজে নোট দেওয়া হয় না। অপর পক্ষে যে ফাইলের বিপরিতে টাকা পরিশোধ হয় সেই ফাইল পরে দাখিল করা হলেও সেই ফাইল আগে নোট দেওয়া হুয়। তাছাড়া শিক্ষা বোর্ডের বেশীরভাগ সেক্টরে ঘুষ না দিলে শিক্ষকদের সহিত খারাপ ব্যবহার করা হয়। সদয় অবগতি ও প্রয়োজিনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তথ্য দেওয়া হলো।
১১২ জন,২০২৩ এর ব্যাচ, যখন আত্রাই উপজেলায় শিক্ষা অফিসে সেলারি একাউন্ট তৈরি করতে চাই, তাদের কাছ থেকে জন প্রতি 500 টাকা করে নেওয়া হয়েছিল, শিক্ষা অফিস ও একাউন্টস অফিসের জন্য । ২০২৪ সালের ব্যাচের কাছ থেকে জন প্রতি এক হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ব্যাচের শান্তি বিনোদন ভাতার জন্য জন প্রতি তাদের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষকতা মহান পেশা শুধু মুখে মুখে কিন্তু শিক্ষকদের প্রতিটি কাজের জন্য শিক্ষা অফিসে ঘুষ দিতে হয় কমবেশি। এটাই বাস্তব।
আমার এসএসসি সাটিফিকেট সংশোধন এর জন্য এসএসসির মূল মারকসিট প্রয়োজন ছিল কিন্তু তাদের কাছে মারকসিটের জন্য আবেদন করায় তারা আমাকে ১০০০ টাকা জামানতের কথা বলে নেয় । কিন্তু এখন এই জামানতের টাকা দিচ্ছে না
তারিখ যথাযথ না হওয়ায় ফাইলটি এপ্রোভ করিয়ে দিবে বলে এটার জন্য টাকা চেয়েছিলো।
আমার মার পেনশনের টাকা তুলছে যেয়ে দুই বছর ঘুরিয়েছি লাস্ট এক লক্ষ টাকাও নিয়েছে। শেরপুর জেলা শিক্ষা আর শিক্ষা অফিসার কে টাকা না দিলে আজকের টাকাই পাইতাম না ।