বকেয়া বেতনভাতা উত্তোলন
তারিখ যথাযথ না হওয়ায় ফাইলটি এপ্রোভ করিয়ে দিবে বলে এটার জন্য টাকা চেয়েছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তারিখ যথাযথ না হওয়ায় ফাইলটি এপ্রোভ করিয়ে দিবে বলে এটার জন্য টাকা চেয়েছিলো।
সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও আমার সাটিফিকেট সংশোধন করতে 15 হাজার টাকা লাগলো। আমার বাবার বিয়ের কাবিননাম না থাকলে সংশোধন করা যাবে না এই কারণ দেখিয়ে ফাইল আটকে রেখেছিল ২ বছর। টাকা দেওয়ার পর ৩ মাসে কাজ শেষ। নিজে আবেদন করলে শুনানীর তারিখ আসে অনেক দেরিতে, ওদের মাধ্যমে করলে 7 দিনে হয়ে যায়।
অনেক সময় বিদ্যালয় অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করা হয়। স্কুলটি হলো ad
গাজীপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষা মন্ত্রনালয় হতে আদেশ জারি করা হয় ৬২ জন শিক্ষকের জাল সনদ আছে মর্মে। কিন্তু টাকার বিনিময়ে এরা পার পেয়ে যায়। এখনো সেই জাল সনদ দিয়ে নিরদিধায় চাকরি করে যাচ্চ।
মিঠাপুকুর উপজেলার মাঝগ্রাম দারুন হুদা দাখিল মাদ্রাসার আয়া/ঝাড়ুদার পদের জন্য নিয়োগ দিয়েছিল বিগত ২০২৬ সালের জানুয়ারী মাসে, স্থানীয় অনেকেই আবেদন করলে, তাদের মধ্যে অনেকেই দাবী করেছেন তাদের কাছে ঘুষ চেয়েছেন উক্ত মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারেনটেনডেন্ট, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আবেদন কারীদের মধ্যে সমালোচনা ঝড় তুলেছেন, পরে জানা যায় উক্ত কারকারীর সাথে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহ কিছু সদস্য জড়িত।
ময়মনসিংহ জেলার একটি উপজেলায় এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে NTRCA কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে যোগদান করার পরে এমপিওভুক্তি র জন্য যথাযথভাবে আবেদন করা হলে কোনো কারণ ছাড়াই বেশ কয়েকবার ফাইল রিজেক্ট করে দিছে। পরে হেড স্যার আর শিক্ষা অফিসের পিয়ন এর মাধ্যমে বুঝলাম টাকা না দিলে নাকি এমনই। তারপর প্রধান শিক্ষক ৫০০০ টাকা নিয়ে নিয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনেকবার অন্য সরকারি কলেজে বদলীর আবেদন করেছি ৷ ঘুষ না দেওয়ায় সে আবেদন কখনো আলোর মুখ দেখে নি ৷
উপজেলার মধ্যে বদলির জন্য আবেদন গ্রহন করে,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী — আবেদনকারীদের নিকট ২৫০০০০ টাকা পৌরসভার মধ্যে বদলির জন্য দাবি করে। ডিপিও — এর মাধ্যমে বদলি করে দিবে।
বদলি ও অন্যান্য কাজে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। পুরো প্রাথমিক শিক্ষা অফিস দুর্নীতিতে ভরা টাকা ছাড়া কাজ হয় না। অফিস আদালত বলেন সব জায়গায় দুর্নীতিতে ভরা। ঘুস ও দুর্নীতি মুক্ত দেশ চায়। ধন্যবাদ
বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে লেইট করে তাই টাকা দিতে বাদ্য হইছি।
১৮ জন ছাত্র/ছাতীদের প্রশংসা পত্র তুলতে গেলে জন প্রতি ৫০০/= করে টাকা দাবি করে
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বরিশাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ স্টাডি সেন্টারে M.ed প্রথম সেমিস্টারের ভাইবে ছিল। ভাইবা চলাকালীন সময়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমের সামনে বসে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নিয়েছি যা নিয়ম নীতি বহির্ভূত।
NTRCA কর্তৃক ৭ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ লাভ করি ফেব্রুয়ারি মাসে। মার্চ ও মে মাসে বেতন চালুর জন্য ফাইল পাঠিয়ে প্রথমবার জেলা ও পরে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস থেকে ফাইল প্রত্যাখাত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে আবার ফাইল পাঠালে প্রথমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফাইল অ্যাপ্রুভ করতে গড়িমসি করে এবং পরে ৩k টাকার বিনিময়ে ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়। এখান থেকে পরে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে ফাইল সেন্ড করে। পরে আমি এই মাসের ১৮ তারিখে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসে যাই খবর নিতে যে আমার ফাইল কবে নাগাদ মাউশি তে পাঠাতে পারে জানার জন্য (যদিও এটা স্কুল থেকেই জানা যায় কিন্তু প্রধান শিক্ষক জানাতে চায় না বা তথ্য দিতে চায় না। ফাইল পাঠাতে প্রধান শিক্ষক নিজেও ২০k টাকা নিয়েছেন)। সেখানে কম্পিউটার অপারেটর ১৫k টাকা দাবি করেন
আমার বিদ্যালয় নিম্ন মাধ্যমিক এমপিও হয় ভুক্ত শিক্ষকদের এমপিও করানোর জন্য উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর ঢাকা অঞ্চলের অফিস সহকারি আমার কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিল যার মাধ্যমে এমপিও করে
জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর বিনামূল্যে সরবরাহ কৃত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রনের দরপত্রে সকল যোগ্যতা আছে ও আমি লোয়েস্ট হয়েছি তারপর তারা ১৮ লক্ষ টাকা দাবি করে না দিলে কাজ দিবে না।
প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেছেন এলাকার কমিটির মাধ্যমে শিক্ষকের বদলি অনুচিত। তাও মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের বাধ্য করছে এলাকার লোকাল কমিটির কাছে আবেদন জমা দিয়ে বদলি হতে কারণ সেখানের পার্সেন্টিজ সোজা সারা বাংলাদেশ থেকে ঐ ডিজির কাছে পৌঁছে যায়। মিরপুর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ঐ মহিলা ডিজি বদলির অর্ডার করা বন্ধ করে দিয়েছে। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন অধিদপ্তর থেকে কোন বদলির অর্ডার হচ্ছে না। কারণ ডিজি চায় এলাকা থেকে হোক এবং তার কাছে কমিশন পৌঁছে যাক। আপনারা দ্রূত ব্যবস্থা নিন যাতে মিরপুর অধিদপ্তর থেকে বদলির আদেশ জারি করা হয়। এবং ঐ মহিলা ডিজির সারা বাংলাদেশের লোকাল কমিটি থেকে পার্সেন্টিজ নেয়ার পথ বন্ধ হয়। প্রাথমিক শিক্ষকরা এই লোকাল কমিটির ফাঁদে পড়ে অসহায়ের মত হয়ে আছে।
সার্টিফিকেটের ভুল সংশোধন করতে গিয়ে যেখানে সরকারিভাবে ৩০০ টাকা নেওয়ার কথা সেখানে আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছিল ৮০০ টাকা অর্থাৎ ৫০০ টাকা তার নিজেরা খেয়ে নিয়েছে। যা রাজশাহী গভর্নমেন্ট সিটি কলেজ সহ অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এমন হয়ে থাকে বলে আমার ধারণা। যেসাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য দুর্ভোগময়। ধন্যবাদ।
জিপিএ ফান্ডখোলা নিয়ে বলেছিল যে দেরি।হবে ওয়েট করতে হবে।তারা অনেক গড়িমসি করছিল। তাই আগে যারা জিপিএফ ফান্ড খুলেছিল তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা বলেছে টাকা দিলে আপনাদের কাজ করে দিবে। তাই বাধ্য হয়ে ৮০০ টাকা তাকে দিয়েছিলাম যাতে করে আমাদেরকে কষ্ট করে আর শিক্ষা অফিসে যেতে না হয়। কারণ আমাদের যাতায়াতে খরচ হয়ে যায় ১০০ টাকার বেশি সেখানে আমরা আটজন শিক্ষক ১০০ করে ৮০০ টাকা দিয়েছিলাম জিপিএফ ফান্ড খোলার জন্য। এছাড়া শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা পাবার জন্য আমরা ১০০ টাকা করে দিয়েছিলাম 63 জন শিক্ষক। এভাবে শিক্ষা অফিসে যেকোনো কাজ করতে যাক না কেন কম্পিউটার অপারেটর যারা আছে তারা বিভিন্নভাবে টাকা আদায় করে থাকে। এগুলো থেকে আমরা প্রতিকার চাই।
নিয়োগপত্র পাওয়ার পর হাতিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ইএফটি ও অন্যান্য অফিসিয়াল কার্যক্রমের জন্য উক্ত অফিেসর উচ্চমান সহকারী ১৭০০ টাকা এক প্রকার বাধ্য করে নেয়। বলে যে এখানে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস এবং অন্যান্য পার্টিদের অংশ আছে৷
Taka na dile testimonial dibe na bolche, tai porisodh kora lagche.