সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৯৭৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
শিক্ষা অফিস

এমপিও শীটে নাম সংশোধন

দাখিল মাদ্রাসায় ইফটির কাজ চলমান। এজন্য এমপিও শীটের নানা তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন পড়ে। এসব সংশোধন আবেদনকারী আবেদন করার সাথে, বিনামূল্যে এবং বিনা ভোগান্তিতেই হওয়ার কথা কিন্তু মাদ্রাসা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এক অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছেন। যেসব আবেদনকারী ঘুষ দিচ্ছেন,,,তাদের কাজ হচ্ছে। আর যারা দিচ্ছেন না,,,তাদের সংশোধনী হচ্ছে না। ফাইল মাসের পর মাস,, ফেলে রাখা হচ্ছে।। আমার কাজটি হচ্ছে না দেখে,,, গত ১৫ দিন আগে অধিদপ্তরে যাই,,,,অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা দুজনের কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।।উনার কথায় এখনো সাড়া দেয়নি।।।

শুধু দাবি করেছে
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

ভর্তি নিয়ে অভিযোগ

রংপুরের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারমিডিয়েট পড়া শিক্ষার্থীদের প্রথম বর্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তলনের সময় পূনরায় ভর্তি ফি নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার বাতিল করে দিয়েছিল। আমার এই অভিযোগ বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজকে নিয়ে - ধন্যবাদ”

ঘুষ দিয়েছি
Rangpur ৳১৮.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

GPF ফান্ডের টাকা উত্তলন

আমার জনতা ব্যাংকে চাকরি সুবাদে প্রাইমারি স্কুলের চাকরি ছাড়তে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। এর পর জিপিএফ এর ২৩৫৫৩ টাকা উত্তোলন করতে গেলে ১২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করলে আমি প্রত্যাখ্যান করি। ফলে সেই টাকা এখনো ঝুলে আছে আমি টাকা পাই নাই। শালিখা উপজেলা শিক্ষা অফিসার — এই ঘুষ দাবি করেন এবং নানা সময়ে আমাকে হুমকিও দিয়ে থাকেন।

ঘুষ দিইনি
মাগুরা ৳১২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নাম পরিবর্তন

আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নাম ভুল থাকায় আমি নাম পরিবর্তন করতে চাই তখন তারা অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করে

শুধু দাবি করেছে
Dinajpur ৳৩.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

কাগজপত্র অনুমোদন

যেকোনো ডকুমেন্টস করাতে গেলে টাকা দিতে হয়। জেলা অফিসার পিয়ন দিয়ে ও থানা শিক্ষা অফিসারেরা সরাসরি ঘুষের টাকা নিয়ে শিক্ষকদের কাগজ অনুমোদন করেন।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৫০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

সনদ উত্তোলন, নাম সংশোধন

বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা সনদ উত্তোলন, নাম সংশোধন ইত্যাদি কাজে গেলে তাড়াতাড়ি করে দেওয়ার নাম করে অধস্থন কর্মচারীরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ঘুষ চেয়েছিল। সেবা গ্রহিতারা দূর থেকে আসার কারণে দিনে দিনে সেবা পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে ডকুমেন্টস নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
শহর ৳১.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

ডিপ্লোমার ৮ম সেমিস্টারের এডমিট কার্ড উঠানোর জন্য

আমি কৃষি ডিপ্লোমা এর ৮ম সেমিস্টারের এডমিট কার্ড উঠাতে গেছিলাম বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, আগারগাঁও এ। সেখানে এডমিট কার্ড উঠাতে নাকি ২-৩ দিন সময় লাগবে। আমি বুঝতে পারি নি এখানে সে ঘুষ চাচ্ছে। তারপর যখন ২০০ টাকা দেয়া হলো তখন কিছুক্ষণ এর মধ্যে এডমিড কার্ড দিয়ে দিলো।

ঘুষ দিয়েছি
বাকাশিবো, আগারগাঁও ৳২০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি

নিজ শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরের আরেকটি শহরের সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে চাকুরী করি । কয়েকবার চেষ্টা করেছি নিজ শহরে বদলি হওয়ার জন্য। প্রতিবার ঘুষ চেয়েছে । শেষবার বদলির আবেদন করে ঢাকাস্থ অধিদপ্তরে যাই একটু তদবিরের উদ্দেশ্যে। জানি ঘুষ ছাড়া বদলি হবে না, তাই প্রস্তুতি নিয়েই গিয়েছিলাম এবার। অধিদপ্তরের প্রধান ব্যক্তির সাথে দেখা করলাম , তার অফিসেই। তিনি সরাসরি চার লক্ষ টাকা দাবি করলেন। বদলি আমার খুবই দরকার, তাই চার লাখের বদলে আমি দুই লাখ দিতে চাইলাম। তিনি সরাসরি বললেন, এটা মাছ বাজার নাকি? এখানে দরদাম চলে না। ৪ লাখ দিলে হবে, নতুবা নয়। আমি দুই লাখ অগ্রিম দিয়ে বাকি দুই লাখ বদলি আদেশের পর দিতে চাইলাম। তিনি রাজি হলেন না। রাগত ভাবে আমাকে রুম থেকে বের করে দিলেন।

শুধু দাবি করেছে
রংপুর ৳৪.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

রেজিস্ট্রেশন কার্ডের নাম পরিবর্তন

আমি বোর্ডে গিয়ে আমার নাম পরিবর্তন করতে চাই রেজিস্ট্রেশন কার্ডে তারা বোর্ড ফি বাদেও কিছু টাকা দাবি করে কাজটি তাড়াতাড়ি করিয়ে দেওয়ার জন্য

শুধু দাবি করেছে
Dinajpur ৳৩.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

মাদ্রাসা বোর্ড থেকে এসএসসি সার্টিফিকেট উত্তোলন

২০১২ সালে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে সব নিয়ম নীতি মেনে আমার এসএসসি সার্টিফিকেট তুলতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে চা খাওয়ার টাকা চেয়েছিলো। তখন স্টুডেন্ট ছিলাম হাতে টাকা ছিলো না তাই অপারগতা প্রকাশ করি। তবুও তারা সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছিলো। কোন ধরনের হয়রানির শিকার হইনি।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳৫০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

এমপিওভুক্তকরণ

এমপিওভুক্তকরণের জন্য দাবি ছিল। পরিশোধ করেছি। অনেকের কাছেই দাবি করেছিল। ফাইল আটকে রাখা হয়েছিল৷ পরিশোধের পর সমাধান হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
Rajshahi ৳২০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

File Transfer

MPO file transfer and area bill. MPO file transfer এর সময় সম্পূর্ণ টাকা দিয়েছি. Area bill file transfer এর সময় 1000 টাকা দিয়েছি file এখনো pending এ আছে।

ঘুষ দিয়েছি
মহেশপুর, ঝিনাইদহ, খুলনা ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

অনলাইনে ফাইল প্রেরণ।

বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের আপার গ্রেড এর ফাইল সুপারিশের জন্য ১০০০০ টাকা দাবি করেছিল। টাকা না দেওয়ার জন্য আগে ২ বার ফাইল রিজেক্ট করেছে। কারণ হিসাবে insufficient papers বা others লিখে দেয়। পরে ৫০০০ টাকা দিয়ে ফাইল ছাড় করাতে হয়েছে। দু:খের বিষয় এই যে, আমার পরবর্তী স্কেল পেতে ৬ মাস পিছিয়ে যেতে হলো।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳১০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

১৯০০০০০ লাখ টাকার ঘুষ ও দূর্নীতির অভিযোগ

টাংগাইল জেলা সখিপুর উপজেলাধীন নিম্ন ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধিনে সাড়াসিয়া বাসারচালা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৯০০০০০ টাকার দূর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে ৩ জন অযোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য করা হয়। প্রধান শিক্ষক হলেন ৬ নং কালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২০ বছরের দায়িত্ব পালনকারী সভাপতি। সহকারী প্রধান শিক্ষক ১ নং কাকড়াজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সহকারী শিক্ষক হলেন,,সখিপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক। ৫ম শ্রেণি পাশ করেনি এমন ব্যক্তিকে ভোয়া সনদ বানিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়।এলাকা প্রতিবাদ করলে এর প্রতিকার পাওয়া যায়নি।হামলা-মামলার হুমকি দেওয়া হয়। দ্রুত বিচারের দাবী জানাচ্ছি।

ঘুষ দিইনি
সখিপুর, টাংগাইল। ৳১৯.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

প্র

যে কোনো কাজে গেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা রাখে পিয়ন গুলো৷ অনেক সময় কাজ করে না টাকা না দিলে

শুধু দাবি করেছে
পূর্বধলা ৳৫০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

হারানো সার্টিফিকেট উত্তলন

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে যাই হারানো সার্টিফিকেট উত্তলন করতে সেখানের দুইজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর টাকা দাবি করে। তাদের মধ্যে একজন মহিলা আরেকজন পুরুষ। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করে এবং কাজ করতে অপারগতা জানায়। পরবর্তীতে টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য