17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জলঢাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসে। শ্রান্ত বিনোদন ভাতার জন্য আবেদন করতে যায়। অফিসে একজন নাম — বলেন বরাদ্দ কম আছে, এবার সবাই পাবে না। যদি আপনি শিওর পেতে চান তাহলে ৫০০ টাকা দেন। না দিলে আপনি এ বছর পাবেন না হয়তো।
আমি অসুস্থজনীত ছুটি নিয়ে ছিলাম তখন বেতন বন্ধ হয়েছিল । অফিস সহায়ক বেতন চালু করতে/ বকেয়া বেতন উঠাতে টাকা দাবি করে, না দেওয়ায় অনেক ঘুরায়।পরে বাধ্য হয়েছি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক আঞ্চলিক শিক্ষা অফিস, রাজশাহী। শুধুমাত্র ডিডি মহোদয় ছাড়া, বাকী স্টাফ সবাই ঘুষ ছাড়া কাজই করে না। ব্যাপক অনিয়মে ভরপুর একটি অফিস, প্রতিনিয়ত শিক্ষক সমাজ তাদের কাছে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে।
মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি চল্লিশা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে,— প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছেন, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা সম্পূর্ণভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। তাঁর এই ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ডের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে নষ্ট হচ্ছে। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।এছাড়াও তার একটি ছেলেকে ২২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম ভার্সিটির মধ্যে চাকরি নিয়েছে। ছেলের নাম —।
Psc cartificate correction Korte giyesilam.but Madaripur sikkha office Amar application joma nibe na karon ki ki jeno vul hoiche .Then aktu ghuraiya bollo 10k dite.sese 2.5k diye joma disi.
বিল পাশ করতে টাকা দাবি করে
আমি আমার প্রফেশনাল সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য ফ্রম জমা দিয়েছিলাম।ফর্ম জমা দেওয়ার পরের দিন সার্টিখিকেট দেওয়ার কথা থাকলে ও সেদিন সার্টিফিকেট নিতে ৫০০টাকা দিতে হবে জানিয়েছিল।এবং আমি সমস্যার জন্য নিজে আসতে ওারব না বললে বলে আমার হাজবেনট যদি সার্টিফিকেট নিয়ে যায় তাহলে আরও ৫০০ দিতে হবে,,,মোট ১০০০ টাকা দিয়ে আমি এটা নিয়ে আসি।
ঠিকাদারি কাজের বিল উত্তোলনের সময় অফিস খরচ বাবদ ১.৫% এজি খরচ বাবদ ০.৫%। ইন্জিনিয়ারদের ১.৫/২% এসব খরচ না দিলে বিল আটকিয়ে দেয়া।সময় মতো বিলে সাক্ষর না করা।বিল ফাইল টেবিলে পড়ে থাকা সহ সব রকম হয়রানি করা হয়।
আমি একজন MPO শিক্ষক। বিএড না করেই হাই স্কুলে শিক্ষক হিসেবে NTRCA থেকে জয়েন করেছি, ফলে বেতন ১১তম গ্রেডে দেয়। যদি কেউ পরবর্তীতে বিএড করে তবে বেতন গ্রেড ১০ম হয়। আমি বিএড করার পরে বিএড ফাইল অনুমোদনের জন্য আবেদন করলে আমার কাছ থেকে কক্সবাজার জেলা শিক্ষা অফিস, ও টেকনাফ উপজেলা শিক্ষা অফিস সর্বমোট ৮ হাজার টাকা নেয়। মূলত সব এমপিও শিক্ষকগণকে বিএড ফাইল অনুমোদন করতে এভাবে ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয়। অন্যথায় ফাইল আটকে রেখে দেয়।
আমি একজন MPO ভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। যতগুলো শিক্ষক NTRCA থেকে জয়েন করেন, তাদের সবাইকে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ দানের পরে ফাইলগুলো মাউশি, ঢাকায় পাঠাতে হয়। তাদের এমপিও ফাইলের কাজ সম্পন্ন করতে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। আমি প্রথমে ঘুষ না দেওয়াতে আমার ফাইল ৪ মাস আটকে রেখেছিল এবং বেতন দেয়নি। আমার কাছ থেকে পরে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ফাইল এপ্রোভ করেছিল। তাদের সিন্ডিকেট হেড অফিস থেকে উপজেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে পর্যন্ত আছে।
ফুলবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পঙ্কজ বেরাগি, সার্টিফিকেেটের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন
যখন আমি আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল ও কলেজ) প্রেক্টিকাল খাতা নিতে যায় তখন দফতরি আমার কাছ থেকে ৩০ টাকা এক্সট্রা খুজে বিষয়টি ছোট মনে হলেও তিনি এটা প্রায় করেন। যখন ব্যবহারিক পরীক্ষা হচ্ছিল তখনো সবার থেকে টাকা খুজেছিলেন।
ঘুষ না দিলে অন্যত্র ডেপুটেশনে দেওয়ার ইশারা।
রংপুরের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারমিডিয়েট পড়া শিক্ষার্থীদের প্রথম বর্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তলনের সময় পূনরায় ভর্তি ফি নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার বাতিল করে দিয়েছিল। আমার এই অভিযোগ রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজকে নিয়ে - ধন্যবাদ
৭৬,০০০ টাকা বকেয়া তুলতে প্রধান শিক্ষক ৩০,০০০ টাকা দাবি করলে ১৫,০০০ দিতে হয়।
উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে বলছিল। পরে বন্ধুর সহায়তায় টাকা ছাড়াই হয়েছে
pension file process korte naki eai tk legbe
ভর্তি হওয়ার সময় তিন দিন যেতে হয়েছে তাও কাগজ চেক করা হয়নি অবশেষে যখন 1000 টাকা পিয়নকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে তারপরে গিয়ে ফাইল এক্সেপ্ট করছে
চট্টগ্রামে একটি সুপরিচিত কামিল মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০২৬ আলিম পরীক্ষার্থী থেকে ICT প্রাকটিক্যাল জমা নেওয়ার সময় ২০০ টাকা দাবি করে থাকে , যা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার কোন প্রাকটিক্যাল নেওয়ার সময় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন ছাত্র ছাত্রীদের থেকে কোন ধরনের টাকা গ্রহণ না করতে, এটা আমার মতে বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে থাকে ।
আমি একটা ঠিকাদর কোম্পানির ফাইনাল বিল আনতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলা অফিসে গেলে হিসাব রকক্ষক — আমার কাছে দশ হাজার টাকা দাবী করলে আমি অস্বীকার করি।পরে তিনি তার মসজিদের ইট কেনার জন্য টাকা দাবী করলে আমি তাকে ঘুস বাবদ দশ হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করিয়ে আনি।